স্ট্রিম ডেস্ক

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে কয়েক দফা বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণের শব্দ শোনা গেছে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসব ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়। তবে এসব ঘটনা হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা তা পরিষ্কার না।
তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদও কাবুলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন। তবে কি কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেননি। বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পশতু ভাষায় করা এক পোস্টে তিনি লেখেন, কাবুল শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই, সবকিছু ঠিকঠাক আছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের পশ্চিম দিকের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। কারণ ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তালেবানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অভিযোগ—তারা বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে। বিশেষ করে তেহেরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর সদস্যদের। এই টিটিপির সদস্যরা পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বেশ কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আবার এই বিস্ফোরণ এমন সময় ঘটল যখন তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ছয় দিনের ভারত সফরে গেছেন। ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথমবার তালেবান সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব এমন সফরে গেলেন।
এদিকে, কাবুল বিস্ফোরণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোরগোল তৈরি হয়েছে—এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। অভিযোগ করা হচ্ছে, নূর ওয়ালি মেহসুদসহ টিটিপির শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। তবে তালেবান সরকার এই ব্যাপারে এখনো মুখ খুলেনি। অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাকিস্তান নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কাবুল বিস্ফোরণের ব্যাপারে স্বীকার বা অস্বীকার কিছুই করেনি।

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে কয়েক দফা বিস্ফোরণ ও গুলি বর্ষণের শব্দ শোনা গেছে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এসব ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়। তবে এসব ঘটনা হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা তা পরিষ্কার না।
তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদও কাবুলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন। তবে কি কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেননি। বিষয়টি তদন্তাধীন বলে জানিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পশতু ভাষায় করা এক পোস্টে তিনি লেখেন, কাবুল শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই, সবকিছু ঠিকঠাক আছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি। এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের পশ্চিম দিকের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির মধ্যেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। কারণ ২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তালেবানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের অভিযোগ—তারা বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে। বিশেষ করে তেহেরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর সদস্যদের। এই টিটিপির সদস্যরা পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর বেশ কয়েক দফা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আবার এই বিস্ফোরণ এমন সময় ঘটল যখন তালেবান সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি ছয় দিনের ভারত সফরে গেছেন। ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথমবার তালেবান সরকারের শীর্ষ নেতৃত্ব এমন সফরে গেলেন।
এদিকে, কাবুল বিস্ফোরণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোরগোল তৈরি হয়েছে—এই হামলার পেছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে। অভিযোগ করা হচ্ছে, নূর ওয়ালি মেহসুদসহ টিটিপির শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। তবে তালেবান সরকার এই ব্যাপারে এখনো মুখ খুলেনি। অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পাকিস্তান নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কাবুল বিস্ফোরণের ব্যাপারে স্বীকার বা অস্বীকার কিছুই করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার দুই মাস না পেরোতে ভেনেজুয়েলার পরিবেশ যেন আমূল বদলে গেছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।
১ ঘণ্টা আগে
পবিত্র রমজান শুরুর আগেই মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদের ইমাম শায়খ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদের প্রাঙ্গণ থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, তা তেহরান স্পষ্ট করেনি।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লাহ আলী খামেনি বলেছেন, গত ৪৭ বছরেও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে ধ্বংস করতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ভবিষ্যতেও পারবে না।
১ দিন আগে