আমেরিকান ম্যাগাজিন রিডার্স ডাইজেস্টে সুখী হওয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতামত দিয়েছেন সাইকোথেরাপিস্ট লরা ফার্গুসন। তিনি বলছেন, জীবনকে সুন্দর করতে খুব বড় কোনো পরিবর্তনের দরকার নেই। বরং রোজকার ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই আমাদের মন ভালো রাখতে জাদুর মতো কাজ করতে পারে।
স্ট্রিম ডেস্ক

সুখ যেন রবিঠাকুরের সেই মায়াবন বিহারিনী, যাকে ধরতে আমরা ব্যতিব্যস্ত থাকি সবসময়। একটু সুখের জন্য আমরা কত কী না করি প্রতিদিন। কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সুখ বস্তুগত কিছু নয়। বরং এটি একটি লাইফস্টাইল বা নিয়মিত চর্চার বিষয়। আমেরিকার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্যালপ-এর ২০২৫ সালের এক জরিপ বলছে, মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে সন্তুষ্টির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
আমেরিকান ম্যাগাজিন রিডার্স ডাইজেস্টে সুখী হওয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতামত দিয়েছেন সাইকোথেরাপিস্ট লরা ফার্গুসন। তিনি বলছেন, জীবনকে সুন্দর করতে খুব বড় কোনো পরিবর্তনের দরকার নেই। বরং রোজকার ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই আমাদের মন ভালো রাখতে জাদুর মতো কাজ করতে পারে।
সুখী হওয়ার প্রথম শর্তই হলো নিজেকে জানা। আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না আমাদের মনের ভেতর আসলে কী চলছে! তাই সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে একটু বিরতি নেওয়া জরুরি। নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনার মন আসলে কী বলছে?
আপনি কি রেগে আছেন না কোনো কারণে বিষন্ন হয়ে আছেন; সে সম্পর্কে নিজের মনকে প্রশ্ন করে নিশ্চিত হোন। এই সচেতনতা আপনাকে দিনশেষে ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও এই গুণটির প্রভাব দারুণ! প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে সারাদিনের এমন তিনটি বিষয় লিখুন, যে বিষয়টির জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। যেমন হতে পারে, আজ মেয়ের সঙ্গে শপিংয়ে গিয়ে যে আড্ডাটা দিলাম, এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। কিংবা দান করে যদি ভালো বোধ করেন, তবে নিজেকেও ধন্যবাদ দিতে পারেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অভ্যাস মনের বিষণ্ণতা দূর করে এবং জীবনকে ইতিবাচকভাবে দেখতে শেখায়।
সুখী জীবনের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো ভালো সম্পর্ক। এটার জন্য আপনার অনেক বন্ধু থাকতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। দরকার সম্পর্কের গভীরতা। দিনে অন্তত একবার আপনার প্রিয় কোনো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
সেটা হতে পারে একটা ছোট্ট টেক্সট পাঠানো, কোনো জোকস শেয়ার করা বা ৫ মিনিটের ফোনালাপ। এমনকি বাড়ির পোষা প্রাণীটির সঙ্গে সময় কাটানোও কিন্তু এর মধ্যে পড়ে!
ব্যায়াম মানেই যে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে হবে বা ম্যারাথন দৌড়াতে হবে, তা কিন্তু নয়। শরীরটাকে একটু সচল রাখাই আপনার মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হাঁটাহাটি করা অনেক সময় অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট ওষুধের মতোই কার্যকর।
বিশেষ করে মানসিক চাপ কমাতে হাঁটার জুড়ি নেই। আপনি চাইলে হাঁটতে পারেন বা স্ট্রেচিং করতে পারেন। শুরুতেই যে ৩০ মিনিট বা এক ঘণ্টা হাঁটতে হবে বা স্ট্রেচিং করতে হবে বিষয়টি এমন নয়। শুরু করুন পাঁচ মিনিট বা ১০ মিনিট দিয়ে। ধীরে ধীরে তা বাড়বে।
সূর্যের আলো হলো প্রকৃতির দেওয়া ‘অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট’। সকালের রোদ আমাদের শরীরে সেরোটোনিন হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা মনকে শান্ত ও ফুরফুরে রাখতে সাহায্য করে।
তাই সুযোগ পেলেই সকালে ১০-২০ মিনিটের জন্য রোদে বের হন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো এই অল্প সময়টুকু আপনার মনকে ফুরফুরে রাখতে দারুণ কার্যকর।
আমরা এমন এক সময়ে বাস করি যেখানে ব্যস্ত থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মনে রাখবেন, বিশ্রাম নেওয়া মোটেও সময়ের অপচয় নয়। বিশ্রাম ছাড়া আমাদের নার্ভাস সিস্টেম বা স্নায়ুতন্ত্র অকেজো হয়ে পড়তে পারে।
তাই যখনই মনে হবে আপনি ‘কিছু না করে’ সময় নষ্ট করছেন, তখন নিজেকে মনে করিয়ে দেবেন বিশ্রাম নেওয়াটাও আসলে কাজেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত করার পাশাপাশি সৃজনশীলতা বিকাশেও সাহায্য করে।
আপনার আশপাশের পরিবেশ আপনার মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। ঘর অগোছালো থাকলে মনও অগোছালো হয়ে যেতে পারে। এমন না যে, ঘরকে সবসময় ঝকঝকে তকতকে রাখতে হবে।
তবে নিজের ঘরটিকে এমনভাবে সাজান যেন সেখানে ফিরলে শান্তি লাগে। মোমবাতি, স্নিগ্ধ আলো, আরামদায়ক কুশন বা প্রিয় কোনো ছবি দিয়ে নিজের মতো করে পরিবেশ তৈরি করুন। দিনশেষে নিজের ঘর যেন হয় পরম আশ্রয়ের জায়গা।

সুখ যেন রবিঠাকুরের সেই মায়াবন বিহারিনী, যাকে ধরতে আমরা ব্যতিব্যস্ত থাকি সবসময়। একটু সুখের জন্য আমরা কত কী না করি প্রতিদিন। কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সুখ বস্তুগত কিছু নয়। বরং এটি একটি লাইফস্টাইল বা নিয়মিত চর্চার বিষয়। আমেরিকার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্যালপ-এর ২০২৫ সালের এক জরিপ বলছে, মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে সন্তুষ্টির হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
আমেরিকান ম্যাগাজিন রিডার্স ডাইজেস্টে সুখী হওয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতামত দিয়েছেন সাইকোথেরাপিস্ট লরা ফার্গুসন। তিনি বলছেন, জীবনকে সুন্দর করতে খুব বড় কোনো পরিবর্তনের দরকার নেই। বরং রোজকার ছোট ছোট কিছু অভ্যাসই আমাদের মন ভালো রাখতে জাদুর মতো কাজ করতে পারে।
সুখী হওয়ার প্রথম শর্তই হলো নিজেকে জানা। আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না আমাদের মনের ভেতর আসলে কী চলছে! তাই সারাদিনের ব্যস্ততার মাঝে একটু বিরতি নেওয়া জরুরি। নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনার মন আসলে কী বলছে?
আপনি কি রেগে আছেন না কোনো কারণে বিষন্ন হয়ে আছেন; সে সম্পর্কে নিজের মনকে প্রশ্ন করে নিশ্চিত হোন। এই সচেতনতা আপনাকে দিনশেষে ভালো রাখতে সাহায্য করবে।
শুনতে খুব সাধারণ মনে হলেও এই গুণটির প্রভাব দারুণ! প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে সারাদিনের এমন তিনটি বিষয় লিখুন, যে বিষয়টির জন্য আপনি কৃতজ্ঞ। যেমন হতে পারে, আজ মেয়ের সঙ্গে শপিংয়ে গিয়ে যে আড্ডাটা দিলাম, এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ। কিংবা দান করে যদি ভালো বোধ করেন, তবে নিজেকেও ধন্যবাদ দিতে পারেন।
গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অভ্যাস মনের বিষণ্ণতা দূর করে এবং জীবনকে ইতিবাচকভাবে দেখতে শেখায়।
সুখী জীবনের সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো ভালো সম্পর্ক। এটার জন্য আপনার অনেক বন্ধু থাকতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। দরকার সম্পর্কের গভীরতা। দিনে অন্তত একবার আপনার প্রিয় কোনো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
সেটা হতে পারে একটা ছোট্ট টেক্সট পাঠানো, কোনো জোকস শেয়ার করা বা ৫ মিনিটের ফোনালাপ। এমনকি বাড়ির পোষা প্রাণীটির সঙ্গে সময় কাটানোও কিন্তু এর মধ্যে পড়ে!
ব্যায়াম মানেই যে জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাতে হবে বা ম্যারাথন দৌড়াতে হবে, তা কিন্তু নয়। শরীরটাকে একটু সচল রাখাই আপনার মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত হাঁটাহাটি করা অনেক সময় অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট ওষুধের মতোই কার্যকর।
বিশেষ করে মানসিক চাপ কমাতে হাঁটার জুড়ি নেই। আপনি চাইলে হাঁটতে পারেন বা স্ট্রেচিং করতে পারেন। শুরুতেই যে ৩০ মিনিট বা এক ঘণ্টা হাঁটতে হবে বা স্ট্রেচিং করতে হবে বিষয়টি এমন নয়। শুরু করুন পাঁচ মিনিট বা ১০ মিনিট দিয়ে। ধীরে ধীরে তা বাড়বে।
সূর্যের আলো হলো প্রকৃতির দেওয়া ‘অ্যান্টি-ডিপ্রেসেন্ট’। সকালের রোদ আমাদের শরীরে সেরোটোনিন হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে, যা মনকে শান্ত ও ফুরফুরে রাখতে সাহায্য করে।
তাই সুযোগ পেলেই সকালে ১০-২০ মিনিটের জন্য রোদে বের হন। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো এই অল্প সময়টুকু আপনার মনকে ফুরফুরে রাখতে দারুণ কার্যকর।
আমরা এমন এক সময়ে বাস করি যেখানে ব্যস্ত থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মনে রাখবেন, বিশ্রাম নেওয়া মোটেও সময়ের অপচয় নয়। বিশ্রাম ছাড়া আমাদের নার্ভাস সিস্টেম বা স্নায়ুতন্ত্র অকেজো হয়ে পড়তে পারে।
তাই যখনই মনে হবে আপনি ‘কিছু না করে’ সময় নষ্ট করছেন, তখন নিজেকে মনে করিয়ে দেবেন বিশ্রাম নেওয়াটাও আসলে কাজেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি আপনার মস্তিষ্ককে শান্ত করার পাশাপাশি সৃজনশীলতা বিকাশেও সাহায্য করে।
আপনার আশপাশের পরিবেশ আপনার মনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। ঘর অগোছালো থাকলে মনও অগোছালো হয়ে যেতে পারে। এমন না যে, ঘরকে সবসময় ঝকঝকে তকতকে রাখতে হবে।
তবে নিজের ঘরটিকে এমনভাবে সাজান যেন সেখানে ফিরলে শান্তি লাগে। মোমবাতি, স্নিগ্ধ আলো, আরামদায়ক কুশন বা প্রিয় কোনো ছবি দিয়ে নিজের মতো করে পরিবেশ তৈরি করুন। দিনশেষে নিজের ঘর যেন হয় পরম আশ্রয়ের জায়গা।
আজকাল খেলনার দোকানে শুধু ছোট ছেলে-মেয়েদেরই দেখা যায় না, সেখানে পঁচিশ, ত্রিশ এমনকি এর চেয়ে বেশি বয়সীদেরও দেখা মিলছে। এখন তাদেরও দেখা যায় হাসিমুখে বিভিন্ন খেলনা নেড়ে-চেড়ে দেখছেন বা কিনছেন। কোনো শিশুর জন্য নয়, বরং তারা খেলনাটি কিনছেন নিজের জন্যই!
৯ ঘণ্টা আগে
স্যামুয়েল হান্টিংটনের ‘সভ্যতার সংঘাত’ তত্ত্ব আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে অন্যতম বিতর্কিত ধারণা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। এই তত্ত্বে বলা হয়, স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর বিশ্ব রাজনীতির সংঘাত আর কমিউনিজম বনাম পুঁজিবাদের মতো মতাদর্শভিত্তিক থাকবে না।
১০ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরা কত টাকা বেতন-ভাতা পান, এ প্রশ্নটি সাধারণ মানুষের মধ্যে বরাবরই কৌতূহলের জন্ম দেয়। বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের সময় এই আলোচনা আরও জোরালো হয়। বেতনের বাইরে তাঁরা আর কী কী সুযোগ-সুবিধা পান, রাষ্ট্র তাঁদের পেছনে কী ধরনের খরচ বহন করে, এসব নিয়েও মানুষে
১১ ঘণ্টা আগে
পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কোনো নিরীহ বস্তু নয়। এর পেছনে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি আর রাষ্ট্রের নীরব উপস্থিতি। আরেকটি সত্য হলো, পাঠ্যবই রচনার প্রক্রিয়ায় অনেক সময় নিরাপত্তা-ভাবনা বড় হয়ে ওঠে: ‘এটা লিখলে বিতর্ক হবে না তো?
১ দিন আগে