বাংলা স্ট্রিম

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গুলি থেমেছে, কিন্তু থামেনি কে জিতল—এই বিতর্ক। ১০ মে যুদ্ধ বিরতির পর শুরু হয়েছে কথার লড়াই। কাশ্মীরে হামলা, পাল্টা হামলা, যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি—সব মিলিয়ে দুই দেশই নিজেদের জয় দাবি করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অবলম্বনে জানাচ্ছেন সৈকত আমিন
ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতিতে থেমেছে সীমান্তে সংঘাত। তবে শোরগোল থামেনি আলাপের বাজারে কিংবা কূটনৈতিক পাড়ায়। ১০ মে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে রাজি পর শুরু হয়েছে আরেক লড়াই—কে জিতল, কার কী লাভ হলো তা নিয়ে তথ্যের যুদ্ধ।
পাক-ভারত যুদ্ধের এবারের পর্বে সবকিছু শুরু হয় ২২ এপ্রিল, কাশ্মীরের পহেলগামে। সেখানে ২৬ জন সাধারণ মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলে কিছু বন্দুকধারী। ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ নামে একটি অল্প পরিচিত জঙ্গি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করে। ভারত বলে, এই গোষ্ঠীর সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক আছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশোধের হুমকি দেন। পাকিস্তান বলে, তাদের এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, বরং নিরপেক্ষ তদন্ত হোক।
প্রথম আঘাত
৭ মে ভারত 'অপারেশন সিঁদুরের' মাধ্যমে বড় ধরনের হামলা চালায় পাকিস্তানে। ভারতের দাবি অনুসারে, পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ১০০ জন ‘সন্ত্রাসবাদী’কে মেরে ফেলেছে তাঁরা। তবে পাকিস্তানের দাবি, ভারতের হামলায় সাধারণ মসজিদ, বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। মারা গেছে ৪০ জন সাধারণ মানুষ আর ১১ জন সেনা।
পাকিস্তান আরও দাবি করে, ভারতের ৫ টি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে তাঁরা। এই দাবি প্রমাণ করতে কিছু ধ্বংসাবশেষের ছবি আর তথ্যও সরবরাহ করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, অন্তত একটি রাফাল যুদ্ধবিমান ও একটি রুশ-নির্মিত বিমান ধ্বংস হয়েছে। ভারত সরাসরি কিছু বলেনি, কিন্তু তারা স্বীকার করেছে—দুটি বিমান তাদের এলাকাতেই ভেঙে পড়েছে।
কার কী লাভ?
টেক্সাস এ এন্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. ওয়াল্টার লাডউইগের মতে, ভারত কূটনৈতিকভাবে সফল হয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক মহলের নজরে আবার পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশ’ হিসেবে তুলে ধরতে পেরেছে। এতে পাকিস্তানের ওপর চাপ বেড়েছে।
এদিকে স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো ড. আসফান্দইয়ার মীরের মতে, পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ‘মরাল ভিক্টরি’ পেয়েছে। মানে, তাদের সেনাবাহিনীও পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম, সেটা প্রমাণ করতে পেরেছে।
পাকিস্তানের কায়েদ-ই আযম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. মুহাম্মদ শোয়েব মনে করেন, ভারতের ধারণা ছিল পাকিস্তান পাল্টা জবাব দিতে পারবে না বা দেবে না। সেটাই ছিল তাদের বড় ভুল।
কে জিতল?
আসলে দুই দেশেরই কিছু লাভ হয়েছে, আবার কিছু ক্ষতিও হয়েছে। ভারত চেয়েছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান দেখাতে। পাকিস্তান দেখাতে চেয়েছে, তারা দুর্বল নয়। বোমা-বন্দুকের যুদ্ধ থেমে গেলেও তথ্যযুদ্ধ এখনো চলছে। লড়াই চলছে আলাপে, তর্কে, কূটনীতিতে আন্তর্জাতিক মহলের সামনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে।সবমিলিয়ে, যুদ্ধবিরতি হলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখনো কাটেনি। বাস্তবে ‘জয়’ কার হয়েছে, তা নির্ভর করছে কে কীভাবে ঘটনাগুলো তুলে ধরছে, আর আন্তর্জাতিক মহল কীভাবে তা গ্রহণ করছে- এর ওপর।

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গুলি থেমেছে, কিন্তু থামেনি কে জিতল—এই বিতর্ক। ১০ মে যুদ্ধ বিরতির পর শুরু হয়েছে কথার লড়াই। কাশ্মীরে হামলা, পাল্টা হামলা, যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি—সব মিলিয়ে দুই দেশই নিজেদের জয় দাবি করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অবলম্বনে জানাচ্ছেন সৈকত আমিন
ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতিতে থেমেছে সীমান্তে সংঘাত। তবে শোরগোল থামেনি আলাপের বাজারে কিংবা কূটনৈতিক পাড়ায়। ১০ মে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে রাজি পর শুরু হয়েছে আরেক লড়াই—কে জিতল, কার কী লাভ হলো তা নিয়ে তথ্যের যুদ্ধ।
পাক-ভারত যুদ্ধের এবারের পর্বে সবকিছু শুরু হয় ২২ এপ্রিল, কাশ্মীরের পহেলগামে। সেখানে ২৬ জন সাধারণ মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলে কিছু বন্দুকধারী। ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’ নামে একটি অল্প পরিচিত জঙ্গি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করে। ভারত বলে, এই গোষ্ঠীর সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক আছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশোধের হুমকি দেন। পাকিস্তান বলে, তাদের এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই, বরং নিরপেক্ষ তদন্ত হোক।
প্রথম আঘাত
৭ মে ভারত 'অপারেশন সিঁদুরের' মাধ্যমে বড় ধরনের হামলা চালায় পাকিস্তানে। ভারতের দাবি অনুসারে, পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ১০০ জন ‘সন্ত্রাসবাদী’কে মেরে ফেলেছে তাঁরা। তবে পাকিস্তানের দাবি, ভারতের হামলায় সাধারণ মসজিদ, বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। মারা গেছে ৪০ জন সাধারণ মানুষ আর ১১ জন সেনা।
পাকিস্তান আরও দাবি করে, ভারতের ৫ টি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করেছে তাঁরা। এই দাবি প্রমাণ করতে কিছু ধ্বংসাবশেষের ছবি আর তথ্যও সরবরাহ করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, অন্তত একটি রাফাল যুদ্ধবিমান ও একটি রুশ-নির্মিত বিমান ধ্বংস হয়েছে। ভারত সরাসরি কিছু বলেনি, কিন্তু তারা স্বীকার করেছে—দুটি বিমান তাদের এলাকাতেই ভেঙে পড়েছে।
কার কী লাভ?
টেক্সাস এ এন্ড এম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. ওয়াল্টার লাডউইগের মতে, ভারত কূটনৈতিকভাবে সফল হয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক মহলের নজরে আবার পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসে মদদদাতা দেশ’ হিসেবে তুলে ধরতে পেরেছে। এতে পাকিস্তানের ওপর চাপ বেড়েছে।
এদিকে স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো ড. আসফান্দইয়ার মীরের মতে, পাকিস্তান ভারতের যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে ‘মরাল ভিক্টরি’ পেয়েছে। মানে, তাদের সেনাবাহিনীও পাল্টা জবাব দিতে সক্ষম, সেটা প্রমাণ করতে পেরেছে।
পাকিস্তানের কায়েদ-ই আযম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. মুহাম্মদ শোয়েব মনে করেন, ভারতের ধারণা ছিল পাকিস্তান পাল্টা জবাব দিতে পারবে না বা দেবে না। সেটাই ছিল তাদের বড় ভুল।
কে জিতল?
আসলে দুই দেশেরই কিছু লাভ হয়েছে, আবার কিছু ক্ষতিও হয়েছে। ভারত চেয়েছে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান দেখাতে। পাকিস্তান দেখাতে চেয়েছে, তারা দুর্বল নয়। বোমা-বন্দুকের যুদ্ধ থেমে গেলেও তথ্যযুদ্ধ এখনো চলছে। লড়াই চলছে আলাপে, তর্কে, কূটনীতিতে আন্তর্জাতিক মহলের সামনে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে।সবমিলিয়ে, যুদ্ধবিরতি হলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা এখনো কাটেনি। বাস্তবে ‘জয়’ কার হয়েছে, তা নির্ভর করছে কে কীভাবে ঘটনাগুলো তুলে ধরছে, আর আন্তর্জাতিক মহল কীভাবে তা গ্রহণ করছে- এর ওপর।

বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করেছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এই শপথ বাক্য পাঠ করান। বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান।
১০ ঘণ্টা আগে
মন্ত্রিসভায় কীভাবে টেকনোক্র্যাট নেওয়া হয়, কারা এরা, আর ঠিক কী কারণেই ভোটের লড়াইয়ে না নামা এই ব্যক্তিরা হয়ে ওঠেন সরকারপ্রধানের তুরুপের তাস—এমন হাজারো প্রশ্ন এখন বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
১ দিন আগে
সদ্য অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন জোট বড় ব্যবধানে বিজয় অর্জনের পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। নির্বাচনে বিএনপি ও তার মিত্ররা জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে।
২ দিন আগে
ছায়া মন্ত্রিসভা বিরোধী দলের সিনিয়র সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি বিকল্প মন্ত্রিসভা। এটি ওয়েস্টমিনিস্টার শাসন ব্যবস্থার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এই মন্ত্রিসভার সদস্যদের কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না, কিন্তু তারা ক্ষমতাসীন সরকারের মন্ত্রীদের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।
৩ দিন আগে