স্ট্রিম ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্য প্রাণীর বিজ্ঞাপন প্রচার ও নিষ্ঠুর আচরণের ভিডিও প্রকাশ নিষিদ্ধ করে বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় ‘বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, হাট-বাজার বা অন্য কোনো মাধ্যমে বন্যপ্রাণী কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্য প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর মাধ্যমে পরিবেশগত নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে আশা করছে সরকার।
বন্য প্রাণী রক্ষায় বন অধিদপ্তরের অধীনে ‘বন্য প্রাণী উইং’ নামে একটি আলাদা উইং প্রতিষ্ঠা করা হবে। সরকার বন্যপ্রাণীর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক কেন্দ্র ও চিকিৎসক নিশ্চিত করবে। এছাড়া নির্দিষ্ট সময় পরপর বিপন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণীর তালিকা হালনাগাদ করা হবে।
মানুষ ও বন্য প্রাণীর দ্বন্দ্ব নিরসনে প্রাণীদের আবাসস্থল ও করিডোর সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্য প্রাণী উপদেষ্টা বোর্ড এবং উদ্ভিদ ও প্রাণী বিশারদদের নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক কমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া গবেষণা, জনসচেতনতা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ‘বন্যপ্রাণী ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করা হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ ২০২৬’ জারি করা হয়েছিল। এই দুই অধ্যাদেশকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্য প্রাণীর বিজ্ঞাপন প্রচার ও নিষ্ঠুর আচরণের ভিডিও প্রকাশ নিষিদ্ধ করে বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় ‘বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে সরকার। গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) এই অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, হাট-বাজার বা অন্য কোনো মাধ্যমে বন্যপ্রাণী কেনাবেচা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বন্য প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর মাধ্যমে পরিবেশগত নিরাপত্তা জোরদার হবে বলে আশা করছে সরকার।
বন্য প্রাণী রক্ষায় বন অধিদপ্তরের অধীনে ‘বন্য প্রাণী উইং’ নামে একটি আলাদা উইং প্রতিষ্ঠা করা হবে। সরকার বন্যপ্রাণীর চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক কেন্দ্র ও চিকিৎসক নিশ্চিত করবে। এছাড়া নির্দিষ্ট সময় পরপর বিপন্ন ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণীর তালিকা হালনাগাদ করা হবে।
মানুষ ও বন্য প্রাণীর দ্বন্দ্ব নিরসনে প্রাণীদের আবাসস্থল ও করিডোর সুরক্ষিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বন্য প্রাণী উপদেষ্টা বোর্ড এবং উদ্ভিদ ও প্রাণী বিশারদদের নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক কমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া গবেষণা, জনসচেতনতা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ‘বন্যপ্রাণী ট্রাস্ট ফান্ড’ গঠন করা হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ ২০২৬’ জারি করা হয়েছিল। এই দুই অধ্যাদেশকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

জলবায়ু সংকট মোকাবিলার পরিকল্পনাগুলো যেন কেবল নথিপত্রেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে সরাসরি তৃণমূল পর্যায়ে কার্যকর হয় বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
১২ দিন আগে
অকারণে হর্ন দেওয়াকে ‘বদভ্যাস’ আখ্যা দিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের পাশাপাশি সাধারণ জনগনের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
২৩ দিন আগে
রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি ইশতেহারে পরিবেশ রক্ষায় সুস্পষ্ট রোডম্যাপ ও বাস্তবায়ন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
২৪ দিন আগে
শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, হর্ন বাজানো দীর্ঘদিনের বদভ্যাস। এটি পরিবর্তনে আইনের পাশাপাশি মানুষের অভ্যাসেও পরিবর্তন আনতে হবে।
১৭ জানুয়ারি ২০২৬