স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষকরা তাদের কর্মবিরতি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। ফলে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হবে বার্ষিক পরীক্ষা। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেয়।
আর্থিক সুবিধা, পদোন্নতিসহ চার দাবিতে গত সোমবার থেকে কর্মবিরতি পালন করছিলেন শিক্ষকরা। ফলে ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ সরকারি বিদ্যালয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার বার্ষিক পরীক্ষা হয়নি।
সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিবেচনায় কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষার অনিশ্চয়তায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানসিক চাপ কমাতে শিক্ষকরা ক্লাসে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে দাবি সমাধানে কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ চেয়েছে সমিতি।
মাধ্যমিকের শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো– সহকারী শিক্ষক পদকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত করা, বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখায় কর্মরত শিক্ষকদের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ-পদোন্নতি ও পদায়ন দ্রুত কার্যকর, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে বকেয়া টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের মঞ্জুরি আদেশ এবং ২০১৫ সালের আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের ২ থেকে ৩টি ইনক্রিমেন্টসহ অগ্রিম বর্ধিত বেতনসুবিধা বহাল করা।
বৃহস্পতিবার তালা ঝুলাবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
বেতনের গ্রেড ১১তম, উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন ও সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি– এই তিন দাবিতে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানোর হুমকি দিয়েছেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা। প্রাথমিক শিক্ষকদের ১২ সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’– এর আহ্বায়ক আনিসুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বুধবারের মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের তিন দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বৃহস্পতিবার থেকে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানো কর্মসূচি পালন করা হবে।’
বেতনের গ্রেড উন্নীতসহ বিভিন্ন দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। তাদের এই কর্মসূচির মধ্যেই বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানোর হুমকি দেওয়া হলো।
গতকাল সোমবার থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে গিয়ে বন্ধ পেয়ে ফিরে এসেছে।
‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’– এর ব্যানারে বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত রেখে মঙ্গলবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়। পরিষদের আহ্বায়ক শামছুদ্দিন মাসুদ বলেছেন, ‘আমরা বিদ্যালয় কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করতে যাচ্ছি। মঙ্গলবার রাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হবে।’
শিক্ষকরা আগেও ১০ম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে আন্দোলন করেন। সরকার ১১তম গ্রেডে বেতনের আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন। তবে ১১তম গ্রেড কার্যকর না হওয়ায় আবার আন্দোলনে নামেন শিক্ষকরা। তাদের অন্য দুই দাবি হলো– পদোন্নতি জটিলতা নিরসন ও প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় নিয়োগ।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষকরা তাদের কর্মবিরতি সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন। ফলে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হবে বার্ষিক পরীক্ষা। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেয়।
আর্থিক সুবিধা, পদোন্নতিসহ চার দাবিতে গত সোমবার থেকে কর্মবিরতি পালন করছিলেন শিক্ষকরা। ফলে ঢাকাসহ দেশের অধিকাংশ সরকারি বিদ্যালয়ে সোমবার ও মঙ্গলবার বার্ষিক পরীক্ষা হয়নি।
সমিতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সে বিবেচনায় কর্মবিরতি স্থগিত করা হয়েছে। পরীক্ষার অনিশ্চয়তায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মানসিক চাপ কমাতে শিক্ষকরা ক্লাসে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একই সঙ্গে দাবি সমাধানে কর্তৃপক্ষের দ্রুত উদ্যোগ চেয়েছে সমিতি।
মাধ্যমিকের শিক্ষকদের দাবিগুলো হলো– সহকারী শিক্ষক পদকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারভুক্ত করা, বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখায় কর্মরত শিক্ষকদের বিভিন্ন শূন্য পদে নিয়োগ-পদোন্নতি ও পদায়ন দ্রুত কার্যকর, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের আলোকে বকেয়া টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেডের মঞ্জুরি আদেশ এবং ২০১৫ সালের আগের মতো সহকারী শিক্ষকদের ২ থেকে ৩টি ইনক্রিমেন্টসহ অগ্রিম বর্ধিত বেতনসুবিধা বহাল করা।
বৃহস্পতিবার তালা ঝুলাবেন প্রাথমিকের শিক্ষকরা
বেতনের গ্রেড ১১তম, উচ্চতর গ্রেডের জটিলতা নিরসন ও সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি– এই তিন দাবিতে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানোর হুমকি দিয়েছেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকরা। প্রাথমিক শিক্ষকদের ১২ সংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’– এর আহ্বায়ক আনিসুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘বুধবারের মধ্যে সহকারী শিক্ষকদের তিন দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে বৃহস্পতিবার থেকে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানো কর্মসূচি পালন করা হবে।’
বেতনের গ্রেড উন্নীতসহ বিভিন্ন দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। তাদের এই কর্মসূচির মধ্যেই বিদ্যালয়ে তালা ঝুলানোর হুমকি দেওয়া হলো।
গতকাল সোমবার থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে গিয়ে বন্ধ পেয়ে ফিরে এসেছে।
‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’– এর ব্যানারে বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত রেখে মঙ্গলবার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করা হয়। পরিষদের আহ্বায়ক শামছুদ্দিন মাসুদ বলেছেন, ‘আমরা বিদ্যালয় কমপ্লিট শাটডাউন ঘোষণা করতে যাচ্ছি। মঙ্গলবার রাতেই আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হবে।’
শিক্ষকরা আগেও ১০ম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে আন্দোলন করেন। সরকার ১১তম গ্রেডে বেতনের আশ্বাস দিলে তারা কর্মসূচি স্থগিত করেন। তবে ১১তম গ্রেড কার্যকর না হওয়ায় আবার আন্দোলনে নামেন শিক্ষকরা। তাদের অন্য দুই দাবি হলো– পদোন্নতি জটিলতা নিরসন ও প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় নিয়োগ।

হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রমজানের শুরু থেকে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের আদেশ দেন। এটি আজ সোমবার স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ। ফলে আগের ছুটির সিদ্ধান্ত বহাল থাকল।
১ দিন আগে
বছরের প্রথম দিনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও পাঁচ সপ্তাহ পর ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শতভাগ পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ নিশ্চিত করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
৮ দিন আগে
সরকার ১ হাজার ৭১৯টি বেসরকারি স্কুল-কলেজকে এমপিওভুক্ত করার প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু করেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৯ দিন আগে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) দুই আবাসিক হলে ইন্টারনেট সংযোগ দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
১৬ দিন আগে