স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, দ্বিগুণ দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। আবার বেশি দামে সিলিন্ডার কেনায় বেড়েছে রান্নার খরচ। এতে খাবারের দাম বাড়ানোয় ক্রেতা কমায় আরও লোকসান গুণতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সদস্যরা।
গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বাজারে এলপিজি সরবরাহে তীব্র ঘাটতি চলছে। এলপিজির ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয় রান্নার কাজে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। বর্তমানে এর সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাজারে তা আড়াই হাজার টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অনেক সময় এই চড়া দাম দিয়েও ভোক্তা সিলিন্ডার পাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে গ্যাস সংকটের চিত্র তুলে ধরে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, শক্তিশালী সিন্ডিকেট এলপিজি গ্যাসের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে। অধিকাংশ রেস্তোরাঁ গ্যাস পাচ্ছে না। যারা কিনছেন, তারা ১৩০০ টাকার সিলিন্ডারে ৩ হাজার পর্যন্ত খরচ করছেন।
তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সাল থেকে পরিকল্পিতভাবে রেস্তোরাঁ খাতে পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। এলপিজির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় কয়েকগুণ বেড়েছে। অবিলম্বে আবাসিক ও রেস্তোরাঁ খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালু করতে হবে।
সংকটের জন্য সরকারকে দায়ী করে ইমরান হাসান বলেন, পেট্রোবাংলা (বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন) বসে আছে। সরকারের কোনো উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন না। ভোক্তা অধিদপ্তর কিছু লোক দেখানো জরিমানা করলেও, তা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো কারণে রেস্তোরাঁ খাত গভীর সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংকট সমাধানে কিছু দাবিও জানিয়েছেন তারা। তাঁদের দাবিগুলো হলো— তীব্র জ্বালানি সংকট সমাধান, ট্রেড ইউনিয়নের নামে মালিকদের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঁচামালের দাম কমানো, একাধিক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু, নিবন্ধনহীন ও অস্বাস্থ্যকর স্ট্রিট ফুড ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে রেস্তোরাঁ খাতের সুনির্দিষ্ট সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলপিজি) সরবরাহ ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে বিপাকে পড়েছেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলছেন, দ্বিগুণ দামেও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। আবার বেশি দামে সিলিন্ডার কেনায় বেড়েছে রান্নার খরচ। এতে খাবারের দাম বাড়ানোয় ক্রেতা কমায় আরও লোকসান গুণতে হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সদস্যরা।
গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বাজারে এলপিজি সরবরাহে তীব্র ঘাটতি চলছে। এলপিজির ৮০ শতাংশ ব্যবহার হয় রান্নার কাজে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। বর্তমানে এর সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। তবে বাজারে তা আড়াই হাজার টাকায় পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অনেক সময় এই চড়া দাম দিয়েও ভোক্তা সিলিন্ডার পাচ্ছে না।
সংবাদ সম্মেলনে গ্যাস সংকটের চিত্র তুলে ধরে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির মহাসচিব ইমরান হাসান বলেন, শক্তিশালী সিন্ডিকেট এলপিজি গ্যাসের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করেছে। অধিকাংশ রেস্তোরাঁ গ্যাস পাচ্ছে না। যারা কিনছেন, তারা ১৩০০ টাকার সিলিন্ডারে ৩ হাজার পর্যন্ত খরচ করছেন।
তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সাল থেকে পরিকল্পিতভাবে রেস্তোরাঁ খাতে পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ রাখা হয়েছে। এলপিজির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় উৎপাদন ব্যয় কয়েকগুণ বেড়েছে। অবিলম্বে আবাসিক ও রেস্তোরাঁ খাতে নতুন গ্যাস সংযোগ চালু করতে হবে।
সংকটের জন্য সরকারকে দায়ী করে ইমরান হাসান বলেন, পেট্রোবাংলা (বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন) বসে আছে। সরকারের কোনো উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে কথা বলছেন না। ভোক্তা অধিদপ্তর কিছু লোক দেখানো জরিমানা করলেও, তা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করেছে।
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো কারণে রেস্তোরাঁ খাত গভীর সংকটে পড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সংকট সমাধানে কিছু দাবিও জানিয়েছেন তারা। তাঁদের দাবিগুলো হলো— তীব্র জ্বালানি সংকট সমাধান, ট্রেড ইউনিয়নের নামে মালিকদের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঁচামালের দাম কমানো, একাধিক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু, নিবন্ধনহীন ও অস্বাস্থ্যকর স্ট্রিট ফুড ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে রেস্তোরাঁ খাতের সুনির্দিষ্ট সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স নিয়ে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর সংবাদ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ভবিষ্যতে সত্যতা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
৫ ঘণ্টা আগে
রমজানের আগে পর্যাপ্ত আমদানি সত্ত্বেও বাড়তে শুরু করেছে প্রধান ভোগ্যপণ্যগুলোর দাম। খেজুর, ছোলা, ডাল, চিনি, পেঁয়াজে খুচরা পর্যায়ে এরই মধ্যে কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১০০ টাকা। বন্দরে পণ্য খালাসে ধীরগতিতে সরবরাহ ঘাটতির নামে এসব পণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স অনুমোদন প্রক্রিয়া স্থগিত করা হয়েছে। নতুন সরকার গঠনের প্রাক্কালে তড়িঘড়ি করে লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগের বিরুদ্ধে ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল’ সরব হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে