স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে তারেক এ আদেলকে মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গত বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ঘোষিত ১২৫ প্রার্থীর প্রথম তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। এর আগে এনসিপি নেতা নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ বা জাতীয় পার্টির কাউকে তাঁরা সংসদে পাঠাতে চান না। তবে তারেক এ আদেলের ক্ষেত্রে দলটি বলছে, ‘দলের চেয়ে পারিবারিক ঐতিহ্য বড়।’
চলতি বছরের ১৪ মে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে জাতীয় পার্টির সব পদ থেকে পদত্যাগ করেন তারেক এ আদেল। তিনি দলের দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
জানতে চাইলে মাহমুদ আলম স্ট্রিমকে বলেন, ‘তারেক এ আদেল ১৪ মে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিষয়টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে জানালে তিনি বলেছিলেন, কেউ থাকতে না চাইলে তো জোর করার কিছু নেই।’ মাহমুদ আলম আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি দলের কর্মসূচিতে আসতেন না। তবে তিনি ভালো মানুষ, বনেদি পরিবারের সন্তান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আদেলের বাবা জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল ১৯৭৯ সালে বিএনপি থেকে এবং ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ডেপুটি মেয়রও ছিলেন।
এদিকে বুধবার তালিকা প্রকাশের আগে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির কাউকে আমরা সংসদে পাঠাতে চাই না। এমন কাউকে পেলে প্রার্থিতা বাতিল করে দেব।’ এ বিষয়ে নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
তবে তারেক এ আদেলের মনোনয়ন থাকবে কি না, জানতে চাইলে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আলাউদ্দীন মোহাম্মদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘তারেক এ আদেল আগে জাতীয় পার্টি করতেন, এখন করেন না। তাঁর একটা পারিবারিক ঐতিহ্য আছে, দলীয় পরিচয় এখানে গৌণ।’
উদাহরণ দিয়ে আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বা জাতীয় পার্টি করে আসা কাউকেই দলীয় দিক থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না। কিন্তু ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। সারজিস আলমও তো আগে ছাত্রলীগ করতেন, তাই বলে কি তিনি এখন রাজনীতি করছেন না? জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে-পরে যাঁরা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পেরেছেন, তাঁদের আমরা স্বাগত জানাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতিতে নতুন প্রজাতি তৈরি করা সম্ভব না। যাঁরা রাজনীতি করেছেন, তাঁরাই এখানে থাকতে চান। কেউ যদি পরিশুদ্ধ হয়ে আসতে চান, তাঁর জন্য স্পেস (জায়গা) তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসনে তারেক এ আদেলকে মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গত বুধবার (১০ ডিসেম্বর) ঘোষিত ১২৫ প্রার্থীর প্রথম তালিকায় তাঁর নাম রয়েছে। এর আগে এনসিপি নেতা নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ বা জাতীয় পার্টির কাউকে তাঁরা সংসদে পাঠাতে চান না। তবে তারেক এ আদেলের ক্ষেত্রে দলটি বলছে, ‘দলের চেয়ে পারিবারিক ঐতিহ্য বড়।’
চলতি বছরের ১৪ মে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে জাতীয় পার্টির সব পদ থেকে পদত্যাগ করেন তারেক এ আদেল। তিনি দলের দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন।
জানতে চাইলে মাহমুদ আলম স্ট্রিমকে বলেন, ‘তারেক এ আদেল ১৪ মে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিষয়টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরকে জানালে তিনি বলেছিলেন, কেউ থাকতে না চাইলে তো জোর করার কিছু নেই।’ মাহমুদ আলম আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি দলের কর্মসূচিতে আসতেন না। তবে তিনি ভালো মানুষ, বনেদি পরিবারের সন্তান।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আদেলের বাবা জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল ১৯৭৯ সালে বিএনপি থেকে এবং ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ডেপুটি মেয়রও ছিলেন।
এদিকে বুধবার তালিকা প্রকাশের আগে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির কাউকে আমরা সংসদে পাঠাতে চাই না। এমন কাউকে পেলে প্রার্থিতা বাতিল করে দেব।’ এ বিষয়ে নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
তবে তারেক এ আদেলের মনোনয়ন থাকবে কি না, জানতে চাইলে এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য আলাউদ্দীন মোহাম্মদ স্ট্রিমকে বলেন, ‘তারেক এ আদেল আগে জাতীয় পার্টি করতেন, এখন করেন না। তাঁর একটা পারিবারিক ঐতিহ্য আছে, দলীয় পরিচয় এখানে গৌণ।’
উদাহরণ দিয়ে আলাউদ্দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বা জাতীয় পার্টি করে আসা কাউকেই দলীয় দিক থেকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না। কিন্তু ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা। সারজিস আলমও তো আগে ছাত্রলীগ করতেন, তাই বলে কি তিনি এখন রাজনীতি করছেন না? জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আগে-পরে যাঁরা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তন আনতে পেরেছেন, তাঁদের আমরা স্বাগত জানাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতিতে নতুন প্রজাতি তৈরি করা সম্ভব না। যাঁরা রাজনীতি করেছেন, তাঁরাই এখানে থাকতে চান। কেউ যদি পরিশুদ্ধ হয়ে আসতে চান, তাঁর জন্য স্পেস (জায়গা) তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব।’

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে