স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান শরিফ হাদির হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। তারা দাবি করেছে, হামলাকারী ‘অন্য কোনোভাবে মারা গেছে’ এমন কথা শুনতে চান না তারা। তারা চান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলাকারীকে জীবিত গ্রেপ্তার করুক এবং এর পেছনের মূল হোতাদের খুঁজে বের করুক।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেন সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
জাবের বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই শুনতে চাই না যে ওসমান হাদিকে যে গুলি করেছে, সে অন্য কোনোভাবে মারা গেছে। আমরা জানতে চাই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁকে গ্রেপ্তার করবে এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করবে।’
জাবের বলেন, ‘এখন রাত ১০টা ৫৫ বাজে। আগামীকাল রাত ১০টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হলে সরকারের সুন্দর সুন্দর কথা বলার কোনো অধিকার থাকবে না। যে সরকার ওসমান হাদীর মতো কণ্ঠস্বরকে রক্ষা করতে পারে না, তারা বাংলাদেশকে কীভাবে রক্ষা করবে?’
হাদির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে জাবের বলেন, ‘যদি মনে হয় এভারকেয়ারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা হচ্ছে না, তবে কালবিলম্ব না করে চার্টার্ড বিমানে করে তাঁকে বিদেশে পাঠানো হোক। রাষ্ট্র যদি হাদির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে তা আমাদের জন্য লজ্জার।’
জাবের আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করলেও ওসমান হাদিই সরকারকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। এখন সরকারের উচিত সেই অবদানের প্রতিদান দেওয়া।
হামলার পেছনে কারা থাকতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে জাবের বলেন, ‘আমরা কাউকেই সন্দেহের চোখে দেখছি না, আবার কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখছি না। ভোটের রাজনীতিতে অনেকে হাদিকে প্রতিপক্ষ মনে করতে পারে। আবার পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগও এই হামলা চালাতে পারে, কারণ তাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন হাদী।’
সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমা জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সরকার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তাঁরা সরকারকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আবদুল্লাহ আল জাবের ও তিনি ছাড়া অন্য কারো বক্তব্যকে ইনকিলাব মঞ্চের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি হিসেবে গণ্য না করার অনুরোধ করেন।
এ দিকে শনিবার দুপুর ১২টায় শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ওসমান শরিফ হাদির হামলাকারীদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে সরকারকে আল্টিমেটাম দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। তারা দাবি করেছে, হামলাকারী ‘অন্য কোনোভাবে মারা গেছে’ এমন কথা শুনতে চান না তারা। তারা চান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হামলাকারীকে জীবিত গ্রেপ্তার করুক এবং এর পেছনের মূল হোতাদের খুঁজে বের করুক।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেন সংগঠনের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।
জাবের বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই শুনতে চাই না যে ওসমান হাদিকে যে গুলি করেছে, সে অন্য কোনোভাবে মারা গেছে। আমরা জানতে চাই, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাঁকে গ্রেপ্তার করবে এবং এর পেছনে কারা রয়েছে, তাদের খুঁজে বের করবে।’
জাবের বলেন, ‘এখন রাত ১০টা ৫৫ বাজে। আগামীকাল রাত ১০টা ৫৫ মিনিটের মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হলে সরকারের সুন্দর সুন্দর কথা বলার কোনো অধিকার থাকবে না। যে সরকার ওসমান হাদীর মতো কণ্ঠস্বরকে রক্ষা করতে পারে না, তারা বাংলাদেশকে কীভাবে রক্ষা করবে?’
হাদির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে জাবের বলেন, ‘যদি মনে হয় এভারকেয়ারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা হচ্ছে না, তবে কালবিলম্ব না করে চার্টার্ড বিমানে করে তাঁকে বিদেশে পাঠানো হোক। রাষ্ট্র যদি হাদির সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে না পারে, তবে তা আমাদের জন্য লজ্জার।’
জাবের আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারকে সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করলেও ওসমান হাদিই সরকারকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছিলেন। এখন সরকারের উচিত সেই অবদানের প্রতিদান দেওয়া।
হামলার পেছনে কারা থাকতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে জাবের বলেন, ‘আমরা কাউকেই সন্দেহের চোখে দেখছি না, আবার কাউকেই সন্দেহের বাইরে রাখছি না। ভোটের রাজনীতিতে অনেকে হাদিকে প্রতিপক্ষ মনে করতে পারে। আবার পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগও এই হামলা চালাতে পারে, কারণ তাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন হাদী।’
সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের নেত্রী ফাতেমা তাসনিম জুমা জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং সরকার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। তাঁরা সরকারকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আবদুল্লাহ আল জাবের ও তিনি ছাড়া অন্য কারো বক্তব্যকে ইনকিলাব মঞ্চের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি হিসেবে গণ্য না করার অনুরোধ করেন।
এ দিকে শনিবার দুপুর ১২টায় শাহবাগে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১৭ ঘণ্টা আগে