স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারত, তুরস্ক ও মিশরের কূটনীতিকেরা। এ ছাড়াও একই দিনে বিএনপির শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনী পর্যবেক্ষকের দল। এসব বৈঠকে তারেক রহমানের নানা পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক নীতি ও সম্পর্ক উন্নয়নের নানা দিক আলোচনা হয়েছে।
শনিবার বিকেল থেকে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমেই বেলা তিনটা নাগাদ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ড. ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল। এরপর বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান এবং মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমী।
বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ূন কবির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদি আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রমুখ।
বৈঠক শেষে হুমায়ূন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্ব, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ আগ্রহ আছে। সেই আগ্রহের প্রেক্ষাপটেই আজকের বৈঠক। বৈঠকে বিএনপি আগামীতে সরকার গঠন করলে কি ধরনের পরিকল্পনা প্ল্যান নিয়ে এগিয়ে যাবে, দেশকে গড়বে, দেশের মানুষকে নিয়ে কীভাবে কাজ করবে এসব বিষয়ে কথা হয়েছে।'
হুমায়ূন কবির আরও বলেন, ‘এসব দেশের সঙ্গে কীভাবে আমাদের ইতিবাচক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়তে পারি, আন্তর্জাতিক নীতি কেমন হবে, এসব ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।'
আগামীতে ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক হবে, সে ব্যাপারে জানতে চাইলে হুমায়ূন বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক হবে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন চেয়ারম্যান সাহেবকে কনডোলেন্স মেসেজ জানান, ওই চিঠিতেই বলছেন যে তারেক রহমান নেতৃত্বেই সম্পর্কের নয়া দিগন্ত উন্মোচিত হবে।'
তবে কোনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে স্থিতিশীলতার জন্য আমরা কীভাবে দুই দেশ মিলে কো-অপারেশন এগিয়ে নিতে পারি এগুলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখানে বিস্তারিত তেমন কোন কিছু আলোচনা হয়নি, শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারেক রহমান চেয়ারম্যান হয়েছেন, সে জন্য উনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং উনাদের সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ হয়েছে। এর ভিতরেই সীমিত ছিল।’
গত কয়েকদিন ধরেই বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর অংশ হিসেবে গতকাল তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আসেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্থানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ এবং অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারত, তুরস্ক ও মিশরের কূটনীতিকেরা। এ ছাড়াও একই দিনে বিএনপির শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচনী পর্যবেক্ষকের দল। এসব বৈঠকে তারেক রহমানের নানা পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক নীতি ও সম্পর্ক উন্নয়নের নানা দিক আলোচনা হয়েছে।
শনিবার বিকেল থেকে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত বিএনপির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এসব বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমেই বেলা তিনটা নাগাদ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ড. ইভারস আইজাবসের নেতৃত্বে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দল। এরপর বিএনপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান এবং মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমী।
বৈঠকে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ূন কবির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদি আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রমুখ।
বৈঠক শেষে হুমায়ূন কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্ব, আগামীর বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ আগ্রহ আছে। সেই আগ্রহের প্রেক্ষাপটেই আজকের বৈঠক। বৈঠকে বিএনপি আগামীতে সরকার গঠন করলে কি ধরনের পরিকল্পনা প্ল্যান নিয়ে এগিয়ে যাবে, দেশকে গড়বে, দেশের মানুষকে নিয়ে কীভাবে কাজ করবে এসব বিষয়ে কথা হয়েছে।'
হুমায়ূন কবির আরও বলেন, ‘এসব দেশের সঙ্গে কীভাবে আমাদের ইতিবাচক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়তে পারি, আন্তর্জাতিক নীতি কেমন হবে, এসব ব্যাপারে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।'
আগামীতে ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক হবে, সে ব্যাপারে জানতে চাইলে হুমায়ূন বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক হবে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন চেয়ারম্যান সাহেবকে কনডোলেন্স মেসেজ জানান, ওই চিঠিতেই বলছেন যে তারেক রহমান নেতৃত্বেই সম্পর্কের নয়া দিগন্ত উন্মোচিত হবে।'
তবে কোনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে স্থিতিশীলতার জন্য আমরা কীভাবে দুই দেশ মিলে কো-অপারেশন এগিয়ে নিতে পারি এগুলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখানে বিস্তারিত তেমন কোন কিছু আলোচনা হয়নি, শুধু সৌজন্য সাক্ষাৎ। তারেক রহমান চেয়ারম্যান হয়েছেন, সে জন্য উনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং উনাদের সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা সাক্ষাৎ হয়েছে। এর ভিতরেই সীমিত ছিল।’
গত কয়েকদিন ধরেই বিদেশী কূটনীতিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর অংশ হিসেবে গতকাল তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে আসেন ঢাকায় নিযুক্ত পাকিস্থানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ এবং অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১২ ঘণ্টা আগে