স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিএনপিতে আওয়ামী লীগ থেকে সদস্য আনার প্রয়োজন নেই। আওয়ামী লীগ ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যাকারী। আজ পর্যন্ত তারা নিজেদের অপকর্মের জন্য অনুশোচনা করেনি।
আজ সোমবার (১৯ মে) বিকালে সিলেট শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে সিলেট বিভাগে বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপির কি এত আকাল পড়েছে যে আওয়ামী লীগ থেকে সদস্য আমদানি করতে হবে? যেই আওয়ামী লীগের ডিএনএতেই গণতন্ত্র নেই, তাদের কেন আহ্বান করতে হবে বিএনপির সদস্য হওয়ার জন্য?’
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বিএনপি জনগণের দল। বিএনপি থাকলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকবে, দুর্বল হলে বাংলাদেশ দুর্বল হবে। বিএনপির জন্ম না হলে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তণ হতো না, বিএনপি সুসংগঠিত না থাকলে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতো না, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি চালু হতো না। তাই বিএনপি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পাহারাদার।‘
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘গত বছরের ৫ আগস্ট জনগণ আওয়ামী লীগকে বিতাড়িত করেছে। তারা ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যাকারী। আজ পর্যন্ত তারা নিজেদের অপকর্মের জন্য অনুশোচনা করেনি, বরং আন্দোলনকারীদের ‘দুষ্কৃতকারী’ আখ্যা দিয়েছে। তারা কীভাবে রাজনীতি করবে? যারা জনগণকে হত্যা, গুম, অপহরণ করেছে, তাদের একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে।’
যে মানুষ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী এবং নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত করতে চান, তিনিই বিএনপির সদস্য হতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জি কে গউছ এবং সঞ্চালনা করেন সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের কোষাধ্যক্ষ এম. রাসেদুজ্জামান মিল্লাত। এছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, আরিফুল হক চৌধুরী ও এম এ মালিক প্রমুখ।
সভায় সূচনা বক্তব্য দেন দলের দপ্তরবিষয়ক দায়িত্বে থাকা নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য এম. নাসের রহমান, শেখ সুজাত মিয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক ফজলুল করিম ময়ুন, হবিগঞ্জ জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান প্রমুখ।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিএনপিতে আওয়ামী লীগ থেকে সদস্য আনার প্রয়োজন নেই। আওয়ামী লীগ ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যাকারী। আজ পর্যন্ত তারা নিজেদের অপকর্মের জন্য অনুশোচনা করেনি।
আজ সোমবার (১৯ মে) বিকালে সিলেট শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে সিলেট বিভাগে বিএনপির নতুন সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বিএনপির কি এত আকাল পড়েছে যে আওয়ামী লীগ থেকে সদস্য আমদানি করতে হবে? যেই আওয়ামী লীগের ডিএনএতেই গণতন্ত্র নেই, তাদের কেন আহ্বান করতে হবে বিএনপির সদস্য হওয়ার জন্য?’
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বিএনপি জনগণের দল। বিএনপি থাকলে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকবে, দুর্বল হলে বাংলাদেশ দুর্বল হবে। বিএনপির জন্ম না হলে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তণ হতো না, বিএনপি সুসংগঠিত না থাকলে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতো না, তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি চালু হতো না। তাই বিএনপি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পাহারাদার।‘
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন বলেন, ‘গত বছরের ৫ আগস্ট জনগণ আওয়ামী লীগকে বিতাড়িত করেছে। তারা ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যাকারী। আজ পর্যন্ত তারা নিজেদের অপকর্মের জন্য অনুশোচনা করেনি, বরং আন্দোলনকারীদের ‘দুষ্কৃতকারী’ আখ্যা দিয়েছে। তারা কীভাবে রাজনীতি করবে? যারা জনগণকে হত্যা, গুম, অপহরণ করেছে, তাদের একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে।’
যে মানুষ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী এবং নিজেকে বাংলাদেশি পরিচয়ে পরিচিত করতে চান, তিনিই বিএনপির সদস্য হতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জি কে গউছ এবং সঞ্চালনা করেন সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের কোষাধ্যক্ষ এম. রাসেদুজ্জামান মিল্লাত। এছাড়া বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. এনামুল হক চৌধুরী, আরিফুল হক চৌধুরী ও এম এ মালিক প্রমুখ।
সভায় সূচনা বক্তব্য দেন দলের দপ্তরবিষয়ক দায়িত্বে থাকা নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য এম. নাসের রহমান, শেখ সুজাত মিয়া, নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদ, সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক ফজলুল করিম ময়ুন, হবিগঞ্জ জেলা যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান প্রমুখ।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
৭ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
২০ ঘণ্টা আগে