স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদে যেসব রাজনৈতিক দল সই করেছে তারা গণঅভ্যুত্থান ও জনগণ থেকে ছিটকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
জুলাই সনদে সই না করায় জাতীয় রাজনীতি থেকে এনসিপি ছিটকে গেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যারা গতকালের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে এবং স্বাক্ষর করেছে তারাই গণঅভ্যুত্থান থেকে এবং জনগণ থেকে ছিটকে গেছে। আমরা জনগণের সঙ্গেই আছি। আমরা চাই স্বাক্ষর করা রাজনৈতিক দলগুলোও জনগণের কাছে আসুক। যেই ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানে জীবন দিয়েছিল তাদের অভিপ্রায় ছিল অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ। আমরা যেন সেই অভিপ্রায়ে আবার ঐক্যবদ্ধ হতে পারি।’
এর আগে গতকাল শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আয়োজনে জুলাই সনদে সই করে ২৪টি রাজনৈতিক দল। তবে একাধিক বিষয়ে মতভিন্নতা ও কিছু দাবি পূরণ না হওয়ায় ওই সনদ অনুষ্ঠানে যায়নি গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের দল এনসিপি এবং চার বাম দল। আর গণফোরাম অংশ নিলেও সই করেনি।
গতকালের ওই আয়োজন নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদে স্বাক্ষর কেবলই আনুষ্ঠানিকতা। আইনি ভিত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই সনদের কোনো অর্থ তৈরি হবে না। জুলাই সনদে স্বাক্ষর ছিল বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে গণপ্রতারণা ও প্রহসন। বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে এই অভিজ্ঞতা আমরা দেখেছি।’
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘৯০-এর পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে দেখতে চাই না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের উপলব্ধি ছিল¬– আমাদের লড়াইটা শুধু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে না লড়াইটা ফ্যাসিস্ট কাঠামোর বিরুদ্ধে। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় নেতারা যেভাবে জণগণের আকাঙ্ক্ষাকে পকেটভর্তি করেছিল আমরা এবার সেটা হতে দিব না।’
এনসিপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, ‘বাহাত্তরের সংবিধান যদি পরিবর্তন না হয়, পুরোনো ফ্যাসিস্ট কাঠামো যদি রয়ে যায়, তাহলে এই গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আমরা সেটা কোনোভাবেই হতে দিব না। দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র পুরনো ফ্যাসিস্ট কাঠামোকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু রাজনৈতিক দলও একই কাজ করছে।’
জুলাই সনদ বিষয়ে এনসিপির চাওয়া নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই একটা সাংবিধানিক আদেশ। আর সেই আদেশটা দিবেন অধ্যাপক ড. ইউনূস। যেহেতু গণঅভ্যুত্থানের সরকার, সেহেতু এটা সরকারপ্রধান হিসেবে ড. ইউনূসকেই দিতে হবে। রাষ্ট্রপতি এই আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন না। কারণ রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশ ছিলেন না।’
কেউ-ই যদি এই লড়াইয়ে সঙ্গে না থাকে তাহলে এনসিপি এককভাবেই লড়াই চালিয়ে যাবে বলেও জানান নাহিদ ইসলাম।
গতকাল স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনা নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যের সমালোচনা করেন নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গতকালের ঘটনায় দেখলাম বিএনপির সালাহউদ্দিন সাহেব জুলাই যোদ্ধাদের আওয়ামী লীগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাঁর আসলে বোঝা উচিত কী নিয়ে কথা বলছেন। আন্দোলনের সময় তো তিনি দেশে ছিলেন না। বহু বছর বিদেশে থেকে কীভাবে বুঝবেন আন্দোলন কীভাবে চলেছে? তাঁর শহীদ-আহত পরিবারের সঙ্গে কথা বলা উচিত, তাঁদের থেকে গল্প শোন উচিত। তাহলে এসব কথা আর কখনো বলবেন না।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বিবৃতি পড়েন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। সেখানে তিনি বলেন, ধোঁয়াশা রেখেই জুলাই সনদ স্বাক্ষর হয়েছে। তবে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

জুলাই জাতীয় সনদে যেসব রাজনৈতিক দল সই করেছে তারা গণঅভ্যুত্থান ও জনগণ থেকে ছিটকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। আজ শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
জুলাই সনদে সই না করায় জাতীয় রাজনীতি থেকে এনসিপি ছিটকে গেছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যারা গতকালের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে এবং স্বাক্ষর করেছে তারাই গণঅভ্যুত্থান থেকে এবং জনগণ থেকে ছিটকে গেছে। আমরা জনগণের সঙ্গেই আছি। আমরা চাই স্বাক্ষর করা রাজনৈতিক দলগুলোও জনগণের কাছে আসুক। যেই ছাত্র-জনতা গণঅভ্যুত্থানে জীবন দিয়েছিল তাদের অভিপ্রায় ছিল অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ। আমরা যেন সেই অভিপ্রায়ে আবার ঐক্যবদ্ধ হতে পারি।’
এর আগে গতকাল শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আয়োজনে জুলাই সনদে সই করে ২৪টি রাজনৈতিক দল। তবে একাধিক বিষয়ে মতভিন্নতা ও কিছু দাবি পূরণ না হওয়ায় ওই সনদ অনুষ্ঠানে যায়নি গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীদের দল এনসিপি এবং চার বাম দল। আর গণফোরাম অংশ নিলেও সই করেনি।
গতকালের ওই আয়োজন নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই সনদে স্বাক্ষর কেবলই আনুষ্ঠানিকতা। আইনি ভিত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই সনদের কোনো অর্থ তৈরি হবে না। জুলাই সনদে স্বাক্ষর ছিল বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে গণপ্রতারণা ও প্রহসন। বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে এই অভিজ্ঞতা আমরা দেখেছি।’
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘৯০-এর পুনরাবৃত্তি বাংলাদেশে দেখতে চাই না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আমাদের উপলব্ধি ছিল¬– আমাদের লড়াইটা শুধু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে না লড়াইটা ফ্যাসিস্ট কাঠামোর বিরুদ্ধে। ৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় নেতারা যেভাবে জণগণের আকাঙ্ক্ষাকে পকেটভর্তি করেছিল আমরা এবার সেটা হতে দিব না।’
এনসিপির শীর্ষ এ নেতা বলেন, ‘বাহাত্তরের সংবিধান যদি পরিবর্তন না হয়, পুরোনো ফ্যাসিস্ট কাঠামো যদি রয়ে যায়, তাহলে এই গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হবে। আমরা সেটা কোনোভাবেই হতে দিব না। দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র পুরনো ফ্যাসিস্ট কাঠামোকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু রাজনৈতিক দলও একই কাজ করছে।’
জুলাই সনদ বিষয়ে এনসিপির চাওয়া নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা চাই একটা সাংবিধানিক আদেশ। আর সেই আদেশটা দিবেন অধ্যাপক ড. ইউনূস। যেহেতু গণঅভ্যুত্থানের সরকার, সেহেতু এটা সরকারপ্রধান হিসেবে ড. ইউনূসকেই দিতে হবে। রাষ্ট্রপতি এই আদেশ দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন না। কারণ রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অংশ ছিলেন না।’
কেউ-ই যদি এই লড়াইয়ে সঙ্গে না থাকে তাহলে এনসিপি এককভাবেই লড়াই চালিয়ে যাবে বলেও জানান নাহিদ ইসলাম।
গতকাল স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনা নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যের সমালোচনা করেন নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গতকালের ঘটনায় দেখলাম বিএনপির সালাহউদ্দিন সাহেব জুলাই যোদ্ধাদের আওয়ামী লীগের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাঁর আসলে বোঝা উচিত কী নিয়ে কথা বলছেন। আন্দোলনের সময় তো তিনি দেশে ছিলেন না। বহু বছর বিদেশে থেকে কীভাবে বুঝবেন আন্দোলন কীভাবে চলেছে? তাঁর শহীদ-আহত পরিবারের সঙ্গে কথা বলা উচিত, তাঁদের থেকে গল্প শোন উচিত। তাহলে এসব কথা আর কখনো বলবেন না।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে লিখিত বিবৃতি পড়েন দলটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। সেখানে তিনি বলেন, ধোঁয়াশা রেখেই জুলাই সনদ স্বাক্ষর হয়েছে। তবে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে