স্ট্রিম প্রতিবেদক

ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী প্রবেশের অনুমতির দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা শারমিন। এ সময় উপস্থিতি ছিলেন এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
লিখিত বক্তব্যে মনিরা শারমিন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে এনসিপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা হচ্ছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে এনসিপির এক প্রতিনিধিকে ছুরিকাঘাত করে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা এবং প্রার্থীর নির্বাচনী পোস্টার পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এর আগে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ, নরসিংদী-২ ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এনসিপির নেতাকর্মী এবং নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতার বড় অংশের সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততা টিআইবির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ময়মনসিংহ-১১ আসনে ভোট কেনাবেচার প্রমাণ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার বিষয়ও তুলে ধরেন মনিরা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভোট কেনাবেচার অভিযোগ উঠছে। নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা নিয়োগেও রাজনৈতিক পক্ষপাত করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনীর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে রাজনৈতিক মতাদর্শ বিবেচনায় প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিকরা জানিয়েছে– ভেরিফিকেশনে জামায়াত-এনসিপি যোগসূত্র পেলে কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়া হচ্ছে। বিপরীতে বিএনপি সংশ্লিষ্টদের খুঁজে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকর্তারা এখন একটি দলের পক্ষে ভোট চাইছেন।
তিনি বলেন, বিএনপির অভিযোগগুলো না পড়েই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অথচ এনসিপির অভিযোগের কোনো সুরাহা করা হচ্ছে না। বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কড়া সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, এক সময় ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে এ দেশের নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। আর এখন ধানের শীষে ভোট না দিলে একই পরিণতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা শেখ হাসিনার মতো জোর করে ক্ষমতায় আসার মানসিকতা প্রকাশ করছে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ভোট কারচুপি রোধে সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়ার পরেও কেন তাদের কেন্দ্রে প্রবেশের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে? মূলত এর মাধ্যমে ভোট কারচুপির (রিগিং) সুযোগ করে দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে অবিলম্বে সব ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের দাবি জানান আসিফ মাহমুদ।

ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী প্রবেশের অনুমতির দাবি জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মনিরা শারমিন। এ সময় উপস্থিতি ছিলেন এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
লিখিত বক্তব্যে মনিরা শারমিন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশে এনসিপির নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ওপর ধারাবাহিকভাবে হামলা হচ্ছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে এনসিপির এক প্রতিনিধিকে ছুরিকাঘাত করে মৃতপ্রায় অবস্থায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা এবং প্রার্থীর নির্বাচনী পোস্টার পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এর আগে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ, নরসিংদী-২ ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এনসিপির নেতাকর্মী এবং নির্বাচনী ক্যাম্পে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক সহিংসতার বড় অংশের সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততা টিআইবির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ময়মনসিংহ-১১ আসনে ভোট কেনাবেচার প্রমাণ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার বিষয়ও তুলে ধরেন মনিরা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ভোট কেনাবেচার অভিযোগ উঠছে। নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা নিয়োগেও রাজনৈতিক পক্ষপাত করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে হলে ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনীর প্রবেশের অনুমতি দেওয়া জরুরি।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দিয়ে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে রাজনৈতিক মতাদর্শ বিবেচনায় প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শরিকরা জানিয়েছে– ভেরিফিকেশনে জামায়াত-এনসিপি যোগসূত্র পেলে কর্মকর্তাদের বাদ দেওয়া হচ্ছে। বিপরীতে বিএনপি সংশ্লিষ্টদের খুঁজে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। এসব কর্মকর্তারা এখন একটি দলের পক্ষে ভোট চাইছেন।
তিনি বলেন, বিএনপির অভিযোগগুলো না পড়েই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অথচ এনসিপির অভিযোগের কোনো সুরাহা করা হচ্ছে না। বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের কড়া সমালোচনা করে আসিফ মাহমুদ বলেন, এক সময় ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে এ দেশের নারীরা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। আর এখন ধানের শীষে ভোট না দিলে একই পরিণতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা শেখ হাসিনার মতো জোর করে ক্ষমতায় আসার মানসিকতা প্রকাশ করছে।
সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ভোট কারচুপি রোধে সেনাবাহিনীকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়ার পরেও কেন তাদের কেন্দ্রে প্রবেশের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে? মূলত এর মাধ্যমে ভোট কারচুপির (রিগিং) সুযোগ করে দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির পক্ষ থেকে অবিলম্বে সব ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের দাবি জানান আসিফ মাহমুদ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১২ ঘণ্টা আগে