স্ট্রিম প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশের ‘ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা’ রাখবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। নৈতিক ও বৈষয়িক শিক্ষার সমন্বয় এবং দুর্নীতির মূলোৎপাটন জামায়াতের অঙ্গীকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এফডিইবি)-এর বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কাকরাইলের আইডিইবি ভবনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে সকাল ৯টায় এই আয়োজন শুরু হয়ে জোহরের নামাজের আগ পর্যন্ত চলে। অধিবেশনে জামায়াত আমির দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা যদি এই দেশের খেদমত করার সুযোগ আমাদের দেন, তাহলে ১ মিনিটের জন্যও আপনার কর্মস্থল থেকে রাস্তায় আসতে হবে না দাবি আদায়ের জন্য। ইনসাফের ভিত্তিতে যার যেটা পাওনা তার হাতে সেটা তুলে দেওয়া হবে।’
ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা রাখব না, প্রথম অগ্রাধিকার এটি। এখন কেউ যেন আবার অপপ্রচার না করে, উন্নয়নের শিক্ষা বাদ দিয়ে এখন শুধু হাদিস-কুরআনের শিক্ষা দেওয়া হবে। আরে ভাই, হাদিস-কুরআনের ভেতরেই তো সব উন্নয়ন আছে। এইটাকে সাপোর্ট করতে গিয়ে দুনিয়ার যত উন্নয়নের শিক্ষা আছে সব ইনকর্পোরেট করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে শিক্ষা মানুষের মধ্যে অনৈতিকতা সৃষ্টি করে, মানুষকে করাপ্ট বানায়, মানুষকে একটা ইতর প্রাণী বানায় আমরা ওই শিক্ষা দেবো না।’
জামায়াতের শিক্ষা পরিকল্পনায় নৈতিক আর বৈষয়িক শিক্ষার মহামিলন হবে বলেও জানান তিনি। এই ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা তরুণরা বেকার থাকবে না, কোনো যুবক যুবতী কাজের বাইরে থাকবে না—হয় সে উদ্যোক্তা না হয় চাকরিজীবী হবে জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘শুধু ডিগ্রির ভিত্তিতে এই কল্যাণ রাষ্ট্রে কারো মর্যাদা নির্ণয় হবে না। মর্যাদা নির্ণয় হবে কাজের ভিত্তিতে।’
এরপর জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমাদের দ্বিতীয় অঙ্গীকার—আমরা দুর্নীতির জড় কেটে দেবো ইনশাআল্লাহ। এ কথা শুনে আবার অনেকের বুকে ধরফর শুরু হয়। বাবা, আমাদের তো চলেই এ দিয়ে!’
তিনি ঘুষ-দুর্নীতি প্রসঙ্গে জামায়াতের নীতি তুলে ধরে জানান, দুর্নীতি একটি ছোঁয়াছে রোগ। এটি উপড়ে ফেলতে পারলে দেশের জিডিপি অন্তত দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এসময় দুর্নীতি ও অপরাধের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখতে গণমাধ্যমের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়া জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আমরা জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিতে চাই না। আমরা ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিতে চাই। আমাদের এই প্রতিযোগিতা যেন না হয় কতজন এমপি-মন্ত্রী হলাম। হ্যাঁ, এমপি-মন্ত্রী হলে হয়তো রাষ্ট্রীয় পদে যাব আমরা। এতে সারা দেশের সব মানুষ উপকৃত হবেন।’

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশের ‘ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা’ রাখবে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। নৈতিক ও বৈষয়িক শিক্ষার সমন্বয় এবং দুর্নীতির মূলোৎপাটন জামায়াতের অঙ্গীকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এফডিইবি)-এর বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
কাকরাইলের আইডিইবি ভবনের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে সকাল ৯টায় এই আয়োজন শুরু হয়ে জোহরের নামাজের আগ পর্যন্ত চলে। অধিবেশনে জামায়াত আমির দীর্ঘ বক্তব্য রাখেন। এসময় তিনি বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা যদি এই দেশের খেদমত করার সুযোগ আমাদের দেন, তাহলে ১ মিনিটের জন্যও আপনার কর্মস্থল থেকে রাস্তায় আসতে হবে না দাবি আদায়ের জন্য। ইনসাফের ভিত্তিতে যার যেটা পাওনা তার হাতে সেটা তুলে দেওয়া হবে।’
ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি কয়েকটি প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এই ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা রাখব না, প্রথম অগ্রাধিকার এটি। এখন কেউ যেন আবার অপপ্রচার না করে, উন্নয়নের শিক্ষা বাদ দিয়ে এখন শুধু হাদিস-কুরআনের শিক্ষা দেওয়া হবে। আরে ভাই, হাদিস-কুরআনের ভেতরেই তো সব উন্নয়ন আছে। এইটাকে সাপোর্ট করতে গিয়ে দুনিয়ার যত উন্নয়নের শিক্ষা আছে সব ইনকর্পোরেট করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে শিক্ষা মানুষের মধ্যে অনৈতিকতা সৃষ্টি করে, মানুষকে করাপ্ট বানায়, মানুষকে একটা ইতর প্রাণী বানায় আমরা ওই শিক্ষা দেবো না।’
জামায়াতের শিক্ষা পরিকল্পনায় নৈতিক আর বৈষয়িক শিক্ষার মহামিলন হবে বলেও জানান তিনি। এই ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসা তরুণরা বেকার থাকবে না, কোনো যুবক যুবতী কাজের বাইরে থাকবে না—হয় সে উদ্যোক্তা না হয় চাকরিজীবী হবে জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘শুধু ডিগ্রির ভিত্তিতে এই কল্যাণ রাষ্ট্রে কারো মর্যাদা নির্ণয় হবে না। মর্যাদা নির্ণয় হবে কাজের ভিত্তিতে।’
এরপর জামায়াতের আমির বলেন, ‘আমাদের দ্বিতীয় অঙ্গীকার—আমরা দুর্নীতির জড় কেটে দেবো ইনশাআল্লাহ। এ কথা শুনে আবার অনেকের বুকে ধরফর শুরু হয়। বাবা, আমাদের তো চলেই এ দিয়ে!’
তিনি ঘুষ-দুর্নীতি প্রসঙ্গে জামায়াতের নীতি তুলে ধরে জানান, দুর্নীতি একটি ছোঁয়াছে রোগ। এটি উপড়ে ফেলতে পারলে দেশের জিডিপি অন্তত দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এসময় দুর্নীতি ও অপরাধের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখতে গণমাধ্যমের প্রতিও আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়া জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘আমরা জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিতে চাই না। আমরা ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিতে চাই। আমাদের এই প্রতিযোগিতা যেন না হয় কতজন এমপি-মন্ত্রী হলাম। হ্যাঁ, এমপি-মন্ত্রী হলে হয়তো রাষ্ট্রীয় পদে যাব আমরা। এতে সারা দেশের সব মানুষ উপকৃত হবেন।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে