স্ট্রিম প্রতিবেদক
ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা সমস্যা-সংকট নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা। বৈঠক প্রায় ৫০ জন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, বাণিজ্যিক ফোরামের নেতা অংশ নেন। এসময় ব্যবসায়ীরা তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন সেক্টরের সমস্যা তুলে ধরেন।
রোববার রাজধানীর গুলশানস্থ বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সন্ধ্যা ৭টা থেকে প্রায় রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত এই বৈঠক চলে। বৈঠকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির দুই নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া গত তিন মাস ধরে বিভিন্ন বাণিজ্য সংক্রান্ত নানা সেমিনারের অংশ নিয়ে বিএনপি নেতারা ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে নানা পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। এসব কারণে নির্বাচনের আগ মহূর্তে ব্যবসায়ীর বিএনপির দিকে ঝুঁকবেন বলে মনে করছেন কোনো কোনো বিশ্লেষক।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে বৈঠকে বিভিন্ন খাতের নানা দিক আলোচনা চলে। এসময় ব্যবসায়ীরা দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা প্রতিবন্ধকতা, দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, চাঁদাবাজি, বিদেশি বিনিয়োগ আনাসহ অর্থনীতির নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসময় তারেক রহমান তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং ব্যবসায়ীদের কাছে এর সমাধানের পথও জানতে চান।
এছাড়াও পুঁজিবাজারে নানা অসংগতি, ব্যাংক খাতের দুরাবস্থা, উচ্চ সুদহারসহ নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেন ব্যবসায়ীরা।
সূত্রটি আরো জানিয়েছে, বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে তাঁর দল কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন। এসময় তারেক রহমান দেশে অর্থনৈতিক সংষ্কার ও ব্যবসা বাণিজ্যের বিকাশে নীতিমালা ও বাস্তবায়নের পথ ব্যবসায়ীদের কাছে তুলে ধরেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈঠকে অংশ নেওয়া একজন শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি স্ট্রিমকে বলেছেন, ‘বৈঠকে তারেক রহমান নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি উৎপাদনকারীদের আসন্ন রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদির মূল্য স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে অনুরোধ করেছেন।’
বৈঠক শেষে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জ্বালানি, আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা ব্যবস্থা এসব সমস্যার কথা তুলে ধরেছি। সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুবই আন্তরিকভাবে আমাদের কথা শুনেছেন, নোট নিয়েছেন। আমরা বলেছি অর্থনৈতিক উন্নয়ন চাইলে ব্যবসায়ীদের সফল করতে হবে। তিনি ব্যবসায়ীদের জন্য কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন।’
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির ওপর ব্যবসায়ীদের অনেক আস্থা আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যত বড় ধরনের সংস্কার হয়েছে, প্রায় সবগুলো বিএনপির আমলে হয়েছে। তারা আশা করছে, আগামীতে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাহলে এসব সমস্যার সমাধান দিতে সক্ষম হবে বিএনপি। কারণ বিএনপি একটি বিজনেস ফ্রেন্ডলি দল।’
নীতিমালা প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে খসরু বলেন, ‘আমার মনে হয় উনারা সন্তুষ্ট। কারণ উনারা জানেন, বিএনপির অতীতে এই অভিজ্ঞতা আছে এবং বিএনপির সময়ে কোনদিন শেয়ার বাজারে লুটপাট হয় নাই, ব্যাংক লুটপাট হয় নাই বরং বিগত বিএনপির আমলে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।’
ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ; স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী; বিএসআরএম-এর চেয়ারম্যান আলী হোসেইন আকবর আলী; আইসিসি বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য ও ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী; মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, উত্তরা মোটর করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ও পারটেক্স গ্রুপের আজিজুল কায়সার।
বৈঠকে অংশ নেন, বিটিএমএর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিহাদ কবির, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও স্টিল মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি হোসেন খালেদ, ডিসিসিআইয়ের সভাপতি তাসকিন আহমেদ, বিজিএপিএমইএর সভাপতি মো. শাহরিয়ার, বিসিএমইএর সভাপতি ময়নুল ইসলাম, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির (বিএপিআই) সভাপতি আব্দুল মোকতাদির, বিএবির সভাপতি আব্দুল হাই সরকার, সিকম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক, বিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্তী, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামিম এহসান এবং ইউসিবিএলের চেয়ারম্যান শরীফ জহির প্রমুখ।
ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা সমস্যা-সংকট নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা। বৈঠক প্রায় ৫০ জন ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, বাণিজ্যিক ফোরামের নেতা অংশ নেন। এসময় ব্যবসায়ীরা তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন সেক্টরের সমস্যা তুলে ধরেন।
রোববার রাজধানীর গুলশানস্থ বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সন্ধ্যা ৭টা থেকে প্রায় রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত এই বৈঠক চলে। বৈঠকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির দুই নেতা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া গত তিন মাস ধরে বিভিন্ন বাণিজ্য সংক্রান্ত নানা সেমিনারের অংশ নিয়ে বিএনপি নেতারা ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে নানা পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন। এসব কারণে নির্বাচনের আগ মহূর্তে ব্যবসায়ীর বিএনপির দিকে ঝুঁকবেন বলে মনে করছেন কোনো কোনো বিশ্লেষক।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে বৈঠকে বিভিন্ন খাতের নানা দিক আলোচনা চলে। এসময় ব্যবসায়ীরা দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা প্রতিবন্ধকতা, দুর্নীতি, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, চাঁদাবাজি, বিদেশি বিনিয়োগ আনাসহ অর্থনীতির নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এসময় তারেক রহমান তাঁদের সমস্যার কথা শোনেন এবং ব্যবসায়ীদের কাছে এর সমাধানের পথও জানতে চান।
এছাড়াও পুঁজিবাজারে নানা অসংগতি, ব্যাংক খাতের দুরাবস্থা, উচ্চ সুদহারসহ নানা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করেন ব্যবসায়ীরা।
সূত্রটি আরো জানিয়েছে, বৈঠকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ব্যবসা-সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে তাঁর দল কাজ করবে বলে আশ্বস্ত করেন। এসময় তারেক রহমান দেশে অর্থনৈতিক সংষ্কার ও ব্যবসা বাণিজ্যের বিকাশে নীতিমালা ও বাস্তবায়নের পথ ব্যবসায়ীদের কাছে তুলে ধরেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈঠকে অংশ নেওয়া একজন শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি স্ট্রিমকে বলেছেন, ‘বৈঠকে তারেক রহমান নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি উৎপাদনকারীদের আসন্ন রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রবাদির মূল্য স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখতে অনুরোধ করেছেন।’
বৈঠক শেষে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জ্বালানি, আইনশৃঙ্খলা, শিক্ষা ব্যবস্থা এসব সমস্যার কথা তুলে ধরেছি। সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুবই আন্তরিকভাবে আমাদের কথা শুনেছেন, নোট নিয়েছেন। আমরা বলেছি অর্থনৈতিক উন্নয়ন চাইলে ব্যবসায়ীদের সফল করতে হবে। তিনি ব্যবসায়ীদের জন্য কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন।’
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বিএনপির ওপর ব্যবসায়ীদের অনেক আস্থা আছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে যত বড় ধরনের সংস্কার হয়েছে, প্রায় সবগুলো বিএনপির আমলে হয়েছে। তারা আশা করছে, আগামীতে যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে তাহলে এসব সমস্যার সমাধান দিতে সক্ষম হবে বিএনপি। কারণ বিএনপি একটি বিজনেস ফ্রেন্ডলি দল।’
নীতিমালা প্রসঙ্গে ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে খসরু বলেন, ‘আমার মনে হয় উনারা সন্তুষ্ট। কারণ উনারা জানেন, বিএনপির অতীতে এই অভিজ্ঞতা আছে এবং বিএনপির সময়ে কোনদিন শেয়ার বাজারে লুটপাট হয় নাই, ব্যাংক লুটপাট হয় নাই বরং বিগত বিএনপির আমলে সবচেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।’
ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ; স্কয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরী; বিএসআরএম-এর চেয়ারম্যান আলী হোসেইন আকবর আলী; আইসিসি বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য ও ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান; প্রাণ গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী; মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, উত্তরা মোটর করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান মতিউর রহমান ও পারটেক্স গ্রুপের আজিজুল কায়সার।
বৈঠকে অংশ নেন, বিটিএমএর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুবউদ্দিন আহমেদ, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নিহাদ কবির, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ও স্টিল মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি হোসেন খালেদ, ডিসিসিআইয়ের সভাপতি তাসকিন আহমেদ, বিজিএপিএমইএর সভাপতি মো. শাহরিয়ার, বিসিএমইএর সভাপতি ময়নুল ইসলাম, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির (বিএপিআই) সভাপতি আব্দুল মোকতাদির, বিএবির সভাপতি আব্দুল হাই সরকার, সিকম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক, বিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্তী, বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামিম এহসান এবং ইউসিবিএলের চেয়ারম্যান শরীফ জহির প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৯ ঘণ্টা আগে