স্ট্রিম প্রতিবেদক

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তার পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘ওনার অবস্থা ভালো না। হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সবাই দোয়া করবেন।’
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে স্কয়ার হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘বার্ধ্যক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে গত চার দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছেন তোফায়েল আহমেদ। বর্তমানে তিনি সিসিইউতে চিকিৎসাধীন।’
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও ইউসুফ সিদ্দিক স্পষ্ট করে বলেন, ‘এমন কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তথ্যটি সঠিক নয়।’
৮২ বছর বয়সী প্রবীণ এই রাজনীতিক কয়েক বছর ধরে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করছেন। স্ট্রোকের কারণে তার শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। বাঁ হাত ও পা অবশ হয়ে পড়ায় চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েন তিনি। নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন দীর্ঘদিন ধরে।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক নিয়মিত মুখ। ১৯৬৮-৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তখন তিনি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে তিনি নেতৃত্ব দেন ছাত্রসমাজকে। ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আয়োজিত ঐতিহাসিক সমাবেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়ার ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নিজের রাজনৈতিক সচিব করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে তিনি দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আবারও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ষাটের দশকের আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসৈনিক এই প্রবীণ নেতা বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে তার পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ‘ওনার অবস্থা ভালো না। হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সবাই দোয়া করবেন।’
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে স্কয়ার হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইউসুফ সিদ্দিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘বার্ধ্যক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে গত চার দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছেন তোফায়েল আহমেদ। বর্তমানে তিনি সিসিইউতে চিকিৎসাধীন।’
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও ইউসুফ সিদ্দিক স্পষ্ট করে বলেন, ‘এমন কথা শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তথ্যটি সঠিক নয়।’
৮২ বছর বয়সী প্রবীণ এই রাজনীতিক কয়েক বছর ধরে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করছেন। স্ট্রোকের কারণে তার শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যায়। বাঁ হাত ও পা অবশ হয়ে পড়ায় চলাফেরায় অক্ষম হয়ে পড়েন তিনি। নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আছেন দীর্ঘদিন ধরে।
১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তোফায়েল আহমেদ। ব্রজমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
ষাটের দশকের ছাত্র আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক নিয়মিত মুখ। ১৯৬৮-৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তখন তিনি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে তিনি নেতৃত্ব দেন ছাত্রসমাজকে। ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) আয়োজিত ঐতিহাসিক সমাবেশে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়ার ঘোষণা দেন তোফায়েল আহমেদ।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি মুজিব বাহিনীর আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার প্রধানের একজন ছিলেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় নিজের রাজনৈতিক সচিব করেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তোফায়েল আহমেদ ৯ বার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ তিনি ভোলা-১ আসনের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর বর্তমানে তিনি দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আবারও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ষাটের দশকের আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের অগ্রসৈনিক এই প্রবীণ নেতা বর্তমানে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
১১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে