স্ট্রিম প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। কার্যালয় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, আজকের বৈঠকের পর তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হতে পারে।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় চেয়ারম্যানের কার্যাবলি, ক্ষমতা ও দায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারার ‘গ’ উপধারায় ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। সেখানে গ(৩) উপধারায় বলা হয়েছে, যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫–এর বিধি ৭(চ) অনুযায়ী, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত হলে সে ক্ষেত্রে তিনি শুধু নিজের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ড বিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন। ছবি পোর্ট্রেট আকারে হতে হবে। তা কোনো অনুষ্ঠান ও জনসভায় নেতৃত্বদান বা প্রার্থনারত অবস্থায় বা ভঙ্গিমায় ছাপানো যাবে না।’
পরিস্থিতি বিবেচনায়, দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় এই পদ ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে দলীয় প্রার্থীর প্রচারের ব্যানার-ফেস্টুনে কার ছবি ব্যবহার করা হবে, তা এখনো নেতাকর্মীদের জানায়নি বিএনপি। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে। তার আগেই প্রচার সামগ্রী তৈরির প্রস্তুতি নিতে হবে। সেজন্য বিএনপিকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এর আগে, গত ৪ জানুয়ারি সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তারেক রহমান। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলটির চেয়ারম্যান পদ শূন্য রয়েছে। সেই শূন্যতা পূরণে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। গঠনতন্ত্রের ৭(গ) ধারার উপধারা ২ অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারার নিয়মে তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে। কার্যালয় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি জানায়, আজকের বৈঠকের পর তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হতে পারে।
বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় চেয়ারম্যানের কার্যাবলি, ক্ষমতা ও দায়িত্বসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ধারার ‘গ’ উপধারায় ভাইস চেয়ারম্যানের কর্তব্য, ক্ষমতা ও দায়িত্ব সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। সেখানে গ(৩) উপধারায় বলা হয়েছে, যেকোনো কারণে চেয়ারম্যানের পদ শূন্য হলে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে বহাল থাকবেন।
সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫–এর বিধি ৭(চ) অনুযায়ী, ‘কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কর্তৃক মনোনীত হলে সে ক্ষেত্রে তিনি শুধু নিজের বর্তমান দলীয় প্রধানের ছবি ব্যানার, লিফলেট বা হ্যান্ড বিল ও ফেস্টুনে ছাপাতে পারবেন। ছবি পোর্ট্রেট আকারে হতে হবে। তা কোনো অনুষ্ঠান ও জনসভায় নেতৃত্বদান বা প্রার্থনারত অবস্থায় বা ভঙ্গিমায় ছাপানো যাবে না।’
পরিস্থিতি বিবেচনায়, দলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় এই পদ ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে দলীয় প্রার্থীর প্রচারের ব্যানার-ফেস্টুনে কার ছবি ব্যবহার করা হবে, তা এখনো নেতাকর্মীদের জানায়নি বিএনপি। আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে। তার আগেই প্রচার সামগ্রী তৈরির প্রস্তুতি নিতে হবে। সেজন্য বিএনপিকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এর আগে, গত ৪ জানুয়ারি সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন তারেক রহমান। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দলটির চেয়ারম্যান পদ শূন্য রয়েছে। সেই শূন্যতা পূরণে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। গঠনতন্ত্রের ৭(গ) ধারার উপধারা ২ অনুযায়ী, চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনিই দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সমুদয় দায়িত্ব পালন করবেন। এই ধারার নিয়মে তারেক রহমান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে