স্ট্রিম সংবাদদাতা

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ভোটারকে টাকা দানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুনরায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওই প্রার্থীকে ইসি সচিবালয়ের উপসচিব (আইন-১) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত চিঠি দেওয়া হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিম দলীয় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠি থেকে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচার চালানো, ভোটারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার সত্যতা পাওয়ায় রেজাউলকে কঠোরভাবে সতর্কবার্তা দেয় ইসি। কমিশন জানায়, রেজাউলের এই কর্মকাণ্ড ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ এর ৪(১) ও ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর-৩ সংসদীয় আসনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাডেমি রোড এলাকায় এক নারী ভোটারকে টাকা দান এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চান জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল। এই ঘটনায় ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটির কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন একই আসনের বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি। পরে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।
সতর্কবার্তায় ইসি স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পুনরায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ৯১ক (৬গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীর ওপর জরিমানা আরোপ, এমনকি তার প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।
প্রার্থীকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে শনিবার ও আজ রোববার বিকেলে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ভোটারকে টাকা দানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পুনরায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওই প্রার্থীকে ইসি সচিবালয়ের উপসচিব (আইন-১) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত চিঠি দেওয়া হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিম দলীয় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠি থেকে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচার চালানো, ভোটারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার সত্যতা পাওয়ায় রেজাউলকে কঠোরভাবে সতর্কবার্তা দেয় ইসি। কমিশন জানায়, রেজাউলের এই কর্মকাণ্ড ‘সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’ এর ৪(১) ও ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর-৩ সংসদীয় আসনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাডেমি রোড এলাকায় এক নারী ভোটারকে টাকা দান এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চান জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল। এই ঘটনায় ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটির কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন একই আসনের বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি। পরে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত কমিটি।
সতর্কবার্তায় ইসি স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পুনরায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর ৯১ক (৬গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীর ওপর জরিমানা আরোপ, এমনকি তার প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে।
প্রার্থীকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মেহেদী হাসান এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে শনিবার ও আজ রোববার বিকেলে একাধিকবার কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
৭ ঘণ্টা আগে