স্ট্রিম ডেস্ক

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামালকে এই মঞ্চের আহ্বায়ক করা হয়।
প্ল্যাটফর্মটির ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এক গভীর ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সার্বভৌমত্ব, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নানাভাবে প্রশ্নের মুখে। এ বাস্তবতায় জনগণের হারানো অধিকার পুনরুদ্ধার এবং জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ইনসাফ মঞ্চ গঠিত হয়েছে।
ইনসাফ মঞ্চের মূল লক্ষ্য হিসেবে জানানো হয়েছে, ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, মৌলিক মানবাধিকার ও বাক্স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক কর্মসংস্থান এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য গড়ে তোলা।
ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ইনসাফ মঞ্চ কোনো বিদ্যমান রাজনৈতিক জোটের বিকল্প নয়। বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব, নৈতিক রাজনীতি এবং ভোটাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে এটি একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও নির্বাচনকালীন ঐক্য হিসেবে কাজ করবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোট সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক শক্তির সমন্বয়ে এই মঞ্চ গঠিত হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। নেতৃত্বের বিষয়ে বলা হয়, ইনসাফ মঞ্চ একটি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। মঞ্চটির সার্বিক রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও নৈতিক নেতৃত্ব দেবেন জনতার দলের চেয়ারম্যান শামীম কামাল।
ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, বিভাজন নয়, ঐক্যের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে ইনসাফ মঞ্চ। ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে আইনের শাসন ও নৈতিক নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি শুধু ভোটাধিকার নয়, মানুষের সার্বিক অধিকারের ইনসাফ নিশ্চিত করাই মঞ্চের লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত গণতান্ত্রিক জোটের চেয়ারম্যান গাজী মুস্তাফিজ, গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ইফতেখার, শিক্ষাবিদ মোমেনা খাতুন, জনতা মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আজম খান, গণআজাদী লীগ চেয়ারম্যান আতাউল্লাহ খান প্রমুখ।

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জনগণের অধিকার পুনরুদ্ধার এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইনসাফ মঞ্চ’।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জনতার দলের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামীম কামালকে এই মঞ্চের আহ্বায়ক করা হয়।
প্ল্যাটফর্মটির ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এক গভীর ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সার্বভৌমত্ব, অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নানাভাবে প্রশ্নের মুখে। এ বাস্তবতায় জনগণের হারানো অধিকার পুনরুদ্ধার এবং জাতীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ইনসাফ মঞ্চ গঠিত হয়েছে।
ইনসাফ মঞ্চের মূল লক্ষ্য হিসেবে জানানো হয়েছে, ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, মৌলিক মানবাধিকার ও বাক্স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, সম্মানজনক কর্মসংস্থান এবং ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য গড়ে তোলা।
ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ইনসাফ মঞ্চ কোনো বিদ্যমান রাজনৈতিক জোটের বিকল্প নয়। বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব, নৈতিক রাজনীতি এবং ভোটাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে এটি একটি স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও নির্বাচনকালীন ঐক্য হিসেবে কাজ করবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও সম্ভাব্য গণভোট সামনে রেখে স্বতন্ত্র প্রার্থী, নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন গণতান্ত্রিক শক্তির সমন্বয়ে এই মঞ্চ গঠিত হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। নেতৃত্বের বিষয়ে বলা হয়, ইনসাফ মঞ্চ একটি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হবে। মঞ্চটির সার্বিক রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও নৈতিক নেতৃত্ব দেবেন জনতার দলের চেয়ারম্যান শামীম কামাল।
ঘোষণাপত্রে আরও বলা হয়, বিভাজন নয়, ঐক্যের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে ইনসাফ মঞ্চ। ব্যক্তিপূজার পরিবর্তে আইনের শাসন ও নৈতিক নেতৃত্বকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি শুধু ভোটাধিকার নয়, মানুষের সার্বিক অধিকারের ইনসাফ নিশ্চিত করাই মঞ্চের লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত গণতান্ত্রিক জোটের চেয়ারম্যান গাজী মুস্তাফিজ, গণমুক্তি জোটের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ইফতেখার, শিক্ষাবিদ মোমেনা খাতুন, জনতা মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আজম খান, গণআজাদী লীগ চেয়ারম্যান আতাউল্লাহ খান প্রমুখ।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে