স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকলেও নির্বাচন যাতে পিছিয়ে না যায়, সে লক্ষ্যেই দলের প্রার্থীরা এখনো মাঠের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নেতা ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে নতুন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ জোট ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স’ (ইডব্লিউএ)-এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, জাতিসংঘের সংজ্ঞা ও নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুসারে শুধু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই তা সুষ্ঠু নির্বাচনের মানদণ্ডে পৌঁছায় না। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের মূলনীতিগুলো বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিচার করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অতীতের মতো আর কোনো কলঙ্কিত নির্বাচন দেশের জনগণ দেখতে চায় না উল্লেখ করে আলাল ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর নির্বাচনকালীন ও পরবর্তী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
জীবনের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, অতিরিক্ত ‘চ্যালেঞ্জ, চ্যালেঞ্জ’ বলা মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রাণশক্তি হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় থাকলেও বিএনপি নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, প্রার্থীরা মাঠে রয়েছেন—এটি নির্বাচন বিলম্বিত না করার লক্ষ্যেই।’
অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নিয়ে অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সুশীল সমাজসহ সবাইকে সামনে এসে ভূমিকা রাখতে হবে। অভ্যন্তরীণ সংকট ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা থেকে উত্তরণের জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দিলারা চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ইস্যুভিত্তিক আলোচনায় না গিয়ে যেকোনো মূল্যে নির্বাচনে জয়লাভের প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা। তিনি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, বিদেশি শক্তির প্রভাব এবং বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। প্রশাসন এখনো সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ নয় এবং গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী সরকারের প্রভাব বিদ্যমান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কো-চেয়ারম্যান ড. গোলাম রহমান ভূঁইয়া বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন শুধু নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়; প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পর্যবেক্ষক সংগঠন ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। এ দায়িত্ববোধ থেকেই নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংগঠন, উন্নয়ন সংস্থা, পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স (ইডব্লিউএ)। এর লক্ষ্য অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা।
গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে নির্বাচনী দুর্বৃত্তায়ন, টাকার প্রভাব, প্রশাসনিক পক্ষপাত, নির্বাচন কমিশনের অকার্যকারিতা, সহিংসতার ঝুঁকি ও অবৈধ অস্ত্রকে চিহ্নিত করেন। তাঁরা সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ও বডিক্যামের ব্যবহার এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।
আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের সাবেক সচিব মো. আবদুল কাইয়ূম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ ইকতেদার আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক চাকসু ভিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকলেও নির্বাচন যাতে পিছিয়ে না যায়, সে লক্ষ্যেই দলের প্রার্থীরা এখনো মাঠের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলটির নেতা ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে নতুন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ জোট ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স’ (ইডব্লিউএ)-এর আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্যানেল আলোচক হিসেবে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, জাতিসংঘের সংজ্ঞা ও নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুসারে শুধু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেই তা সুষ্ঠু নির্বাচনের মানদণ্ডে পৌঁছায় না। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদের মূলনীতিগুলো বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বিচার করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অতীতের মতো আর কোনো কলঙ্কিত নির্বাচন দেশের জনগণ দেখতে চায় না উল্লেখ করে আলাল ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর নির্বাচনকালীন ও পরবর্তী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।
জীবনের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, অতিরিক্ত ‘চ্যালেঞ্জ, চ্যালেঞ্জ’ বলা মানুষের মধ্যে ভীতি তৈরি করতে পারে। তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রাণশক্তি হিসেবে পরিচিত খালেদা জিয়া অসুস্থ অবস্থায় থাকলেও বিএনপি নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, প্রার্থীরা মাঠে রয়েছেন—এটি নির্বাচন বিলম্বিত না করার লক্ষ্যেই।’
অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নিয়ে অধ্যাপক ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সুশীল সমাজসহ সবাইকে সামনে এসে ভূমিকা রাখতে হবে। অভ্যন্তরীণ সংকট ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা থেকে উত্তরণের জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দিলারা চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো ইস্যুভিত্তিক আলোচনায় না গিয়ে যেকোনো মূল্যে নির্বাচনে জয়লাভের প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা। তিনি জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর মতে, বিদেশি শক্তির প্রভাব এবং বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে অনৈক্য সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। প্রশাসন এখনো সম্পূর্ণভাবে নিরপেক্ষ নয় এবং গণমাধ্যমের ক্ষেত্রেও পূর্ববর্তী সরকারের প্রভাব বিদ্যমান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কো-চেয়ারম্যান ড. গোলাম রহমান ভূঁইয়া বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন শুধু নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়; প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পর্যবেক্ষক সংগঠন ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। এ দায়িত্ববোধ থেকেই নিবন্ধিত পর্যবেক্ষক সংগঠন, উন্নয়ন সংস্থা, পেশাজীবী ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ইলেকশন ওয়ার্কিং অ্যালায়েন্স (ইডব্লিউএ)। এর লক্ষ্য অবাধ ও স্বচ্ছ নির্বাচন সংস্কৃতি গড়ে তোলা এবং আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা।
গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশের প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে নির্বাচনী দুর্বৃত্তায়ন, টাকার প্রভাব, প্রশাসনিক পক্ষপাত, নির্বাচন কমিশনের অকার্যকারিতা, সহিংসতার ঝুঁকি ও অবৈধ অস্ত্রকে চিহ্নিত করেন। তাঁরা সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ও বডিক্যামের ব্যবহার এবং প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।
আলোচনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের সাবেক সচিব মো. আবদুল কাইয়ূম, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ ইকতেদার আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক চাকসু ভিপি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
১২ ঘণ্টা আগে