যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করা যাবে: ডা. জাহেদ
স্ট্রিম প্রতিবেদকঢাকা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ৬০ দিনের নোটিশ দিয়ে বাংলাদেশ বাতিল করতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, বাতিল ছাড়াও চুক্তিতে দুই দেশ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন শর্তে পরিবর্তন করতে পারে। ফলে এই বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে পর্যালোচনা করার সুযোগ রয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ। তিনি বলেন, ‘আমি দেখলাম পত্রিকায় কলাম লেখা হচ্ছে–চুক্তির কোন কোন ক্ষেত্রে সমস্যা আছে, ভিডিও তৈরি হচ্ছে– এগুলো কন্টিনিউ করুক।’
ডা. জাহেদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমি এই ইস্যুতে কথা বলেছি। সরকারের মধ্যেও এই চুক্তি নিয়ে কিছু পর্যালোচনা, এটা বাতিল করার প্রভাব কী হতে পারে নিশ্চয় আমরা বুঝতে পারি, বা কোন প্রেক্ষাপটে এই চুক্তি সই হয়েছে, তাও আমরা বুঝতে পারি। কিন্তু আমরা চুক্তি পুনর্বিবেচনার সুযোগ নিতে পারি।’
তিনি বলেন, ‘কিছু কিছু জায়গা আমরা বেশি সমস্যাজনক মনে করি, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর মনে করি, সেগুলো নিয়ে আমরা আমাদের প্রাথমিক বিবেচনা করব। আশা করি, আমরা ওরকম একটা আলোচনায় তাদের সঙ্গে যেতে চাই। বাতিল করাটা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বা রেসিপ্রোকাল ট্যারিফে যে সংকট আছে, সেটি আবার চলে আসার সম্ভাবনা আছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, চুক্তির মধ্যে কতগুলো আছে অ্যাগ্রিমেন্ট, কতগুলো সমঝোতা স্মারক। যেগুলো এগ্রিমেন্ট, সেগুলো থেকেও যে বেরিয়ে যাওয়া যাবে না তা নয়। কিন্তু চুক্তির ক্ষেত্রে কতগুলো আইনি বাধ্যবাধকতা আছে এবং অনেকের ক্ষেত্রেই এটি এতটা কঠিন থাকে যে, বেরিয়ে যাওয়াটা অনেক সময় থাকার চাইতে বেশি ক্ষতিকর হতে পারে।
তিনি বলেন, কোনো কোনো চুক্তির কিছু অংশ গোপন রাখার শর্তও থাকে। জনগণের অধিকার আছে এবং এমনকি সংসদে ওঠানোরও সাংবিধানিক নীতি আছে। তবে আমি এতটুকু বলতে পারি– আমাদের জনগণের জন্য ক্ষতিকর কোনো চুক্তি আগে যেগুলো হয়েছে, প্রত্যেকটি সরকার পুনর্মূল্যায়ন করবে। চুক্তি বলতে আমি আবার বলছি, সমঝোতা স্মারক থাকতে পারে, যেগুলো থেকে বেরিয়ে আসা হয়ত তুলনামূলক সহজ হবে। কিন্তু চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা এতটা সহজ নয়। তবে পুনর্মূল্যায়ন নিশ্চয় করা হবে।
.png)






