ডাকসু নির্বাচন ২০২৫
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্যানেল ঘোষণার আগে বিভিন্ন কারণে হেনস্তা হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উমামা ফাতেমা। আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’-এর ব্যানারে প্যানেল ঘোষণার সময় এ অভিযোগ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উমামা বলেন, ‘আমাকে স্যাবোটেজ (ধ্বংস) করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক বলেছে, তুমি নারী হয়ে ভিপি পদে ভোট পাবে না। তবু আমি আজ এখানে শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়েই পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করতে পেরেছি। জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে নারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে। তাদেরকে এক্সক্লুড (আলাদা) করা হবে কি না, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরাই নেবে।’
অনেক রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা শিক্ষার্থীদের বুঝতে পারেন না অভিযোগ করে উমামা বলেন, ‘প্রথম ক্যাম্পাসে ভর্তি হওয়ার পরে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলতাম, কেমন ক্যাম্পাস চাই। আমার মনে হয়, অনেক পলিটিক্যাল (রাজনৈতিক) ছাত্রসংগঠনের নেতারাই বুঝতে পারেন না সাধারণ শিক্ষার্থীরা কী চায়। কিন্তু আমরা নিজেদের মধ্যে সব সময় আলোচনা করেছি এবং ফাইট করে গেছি ক্যাম্পাসের জন্য।’
ক্যাম্পাসে তাঁর নানা কার্যক্রম সম্পর্কে উমামা বলেন, ‘২০১৯ এর ডাকসু নির্বাচন পরবর্তী সময়ে গেস্টরুম-গণরুম কালচারের বিরুদ্ধে একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছিলাম, যেটার নাম “বৈধ সিট আমার অধিকার”, এবং আমরা দেখিয়েছিলাম কীভাবে গণরুম গেস্টরুম ছাত্রদেরকে একটি রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করে।’
এ সময় শিক্ষক রাজনীতির সমালোচনা করে উমামা বলেন, ‘ছাত্ররা আশা করেছিল ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের হয়ে উঠবে; নীল, সাদা, গোলাপি দলের হয়ে উঠবে না। কিন্তু আজও আমি একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি, যা প্রমাণ করে আমাদের স্বপ্ন বাস্তব হয়নি। কিন্তু আমরা স্বপ্ন দেখে যেতে চাই। কারণ, ২৪ সালের ১৬-১৭ জুলাই শিক্ষার্থীরা কীভাবে লড়াই করেছে, দেশ দেখেছে।
এই ডাকসুকে গুরুত্বপুর্ণ উল্লেখ করে উমামা বলেন, ‘আমরা এখন হয়তো হলগুলোতে গণরুম দেখছি না, কিন্তু ভবিষ্যতে হবে না—তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই ডাকসু একটি ডিসাইসিভ (নির্ণায়ক) ফ্যাক্টর। এই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নিশ্চিত হবে আগামী দিনে আমাদের হলগুলো দখল হবে কি না। এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদেরকেই নিতে হবে। একটি ক্রান্তিকালে এই প্যানেলটি আমরা ঘোষণা করেছি।’
আজ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’। এই প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে উমামা ফাতেমা, সাধারণ সম্পাদক পদে আল সাদী ভূঁইয়া ও সহসাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন জাহেদ আহমদ।

ডাকসু নির্বাচনের জন্য প্যানেল ঘোষণার আগে বিভিন্ন কারণে হেনস্তা হতে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উমামা ফাতেমা। আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’-এর ব্যানারে প্যানেল ঘোষণার সময় এ অভিযোগ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উমামা বলেন, ‘আমাকে স্যাবোটেজ (ধ্বংস) করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক বলেছে, তুমি নারী হয়ে ভিপি পদে ভোট পাবে না। তবু আমি আজ এখানে শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়েই পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করতে পেরেছি। জুলাই অভ্যুত্থান হয়েছে নারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে। তাদেরকে এক্সক্লুড (আলাদা) করা হবে কি না, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরাই নেবে।’
অনেক রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা শিক্ষার্থীদের বুঝতে পারেন না অভিযোগ করে উমামা বলেন, ‘প্রথম ক্যাম্পাসে ভর্তি হওয়ার পরে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলতাম, কেমন ক্যাম্পাস চাই। আমার মনে হয়, অনেক পলিটিক্যাল (রাজনৈতিক) ছাত্রসংগঠনের নেতারাই বুঝতে পারেন না সাধারণ শিক্ষার্থীরা কী চায়। কিন্তু আমরা নিজেদের মধ্যে সব সময় আলোচনা করেছি এবং ফাইট করে গেছি ক্যাম্পাসের জন্য।’
ক্যাম্পাসে তাঁর নানা কার্যক্রম সম্পর্কে উমামা বলেন, ‘২০১৯ এর ডাকসু নির্বাচন পরবর্তী সময়ে গেস্টরুম-গণরুম কালচারের বিরুদ্ধে একটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলেছিলাম, যেটার নাম “বৈধ সিট আমার অধিকার”, এবং আমরা দেখিয়েছিলাম কীভাবে গণরুম গেস্টরুম ছাত্রদেরকে একটি রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করে।’
এ সময় শিক্ষক রাজনীতির সমালোচনা করে উমামা বলেন, ‘ছাত্ররা আশা করেছিল ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের হয়ে উঠবে; নীল, সাদা, গোলাপি দলের হয়ে উঠবে না। কিন্তু আজও আমি একই অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছি, যা প্রমাণ করে আমাদের স্বপ্ন বাস্তব হয়নি। কিন্তু আমরা স্বপ্ন দেখে যেতে চাই। কারণ, ২৪ সালের ১৬-১৭ জুলাই শিক্ষার্থীরা কীভাবে লড়াই করেছে, দেশ দেখেছে।
এই ডাকসুকে গুরুত্বপুর্ণ উল্লেখ করে উমামা বলেন, ‘আমরা এখন হয়তো হলগুলোতে গণরুম দেখছি না, কিন্তু ভবিষ্যতে হবে না—তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। এই ডাকসু একটি ডিসাইসিভ (নির্ণায়ক) ফ্যাক্টর। এই নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে নিশ্চিত হবে আগামী দিনে আমাদের হলগুলো দখল হবে কি না। এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীদেরকেই নিতে হবে। একটি ক্রান্তিকালে এই প্যানেলটি আমরা ঘোষণা করেছি।’
আজ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’। এই প্যানেল থেকে সহসভাপতি পদে উমামা ফাতেমা, সাধারণ সম্পাদক পদে আল সাদী ভূঁইয়া ও সহসাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন জাহেদ আহমদ।

ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে নতুন সরকার। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
২ ঘণ্টা আগে
সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জওয়ান বা কর্মকর্তাদের মন থেকে মানুষ হত্যার মনস্তাত্ত্বিক বাধা দূর করা হয় এবং এই প্রক্রিয়ার বাইরে তিনিও ছিলেন না— আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জেরার মুখে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
২ ঘণ্টা আগে
দৈনিক প্রথম আলোর আগুনে পোড়ানার ভবনে শুরু হয়েছে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’। শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান এই শিল্পকর্ম সৃষ্টি করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে