একনেকে ১৩৬৫ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন
পাবনা মানসিক হাসপাতালকে বিশ্বমানের মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে রূপান্তরের জন্য ১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এর আওতায় একাধিক বহুতল ভবনে জরুরি ও বহির্বিভাগের সেবা, ওয়ার্ড কমপ্লেক্স ছাড়াও একাডেমিকভবন, হোস্টেল তৈরি হবে।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

দেশের অন্যতম পুরোনো বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাবনা মানসিক হাসপাতাল রূপান্তরিত হচ্ছে বিশ্বমানের আধুনিক মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও এগারো শ শয্যার হাসপাতালে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ঘুঁচবে দেশে মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি।
গত মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নির্বাহী কমিটির এক সভায় ১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এর আওতায় একাধিক বহুতল ভবনে জরুরি ও বহির্বিভাগের সেবা, ওয়ার্ড কমপ্লেক্স ছাড়াও একাডেমিকভবন, হোস্টেল তৈরি হবে।
এর আগে ২০২৩ সাল থেকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য কয়েকবার পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলেও সেটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ২০২৪ সালের মাঝামাঝি প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা ব্যয় ধরে প্রকল্পটি কমিশনে পাঠানো হলেও ফেরত পাঠানো হয়। তবে মঙ্গলবার প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনীর অনুমোদন দিয়েছে একনেক।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৭ সালে পাবনা শহর থেকে তিন মাইল দূরে হিমায়েতপুর ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠান করা হয় পাবনার মানসিক হাসপাতাল। এর পর বিভিন্ন সময় অবকাঠামোগত সংস্কার ও শয্যা বৃদ্ধির ঘোষণা ছাড়া তেমনভাবে বদল হয়নি বিশেষায়িত এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রথমে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ছিল ৬০। ১৯৬৬ সালে পরে ১৫০ ও পরে ২০০ করা হয়। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করে সরকার। তবে জনবল কাঠামো পড়ে আছে ২৫০ শয্যার। এর মধ্যেও লোকবল সংকট ও অপ্রতুল অর্থ বরাদ্দে ধুকে ধুকে চলছে হাসপাতালটি। এ নিয়ে স্ট্রিমে গত ১০ অক্টোবর “পাবনা মানসিক হাসপাতাল: টাকা দিলেই অবাধ প্রবেশ, ‘পাগলদের’ নিয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটরেরা” শীর্ষক খবর প্রকাশ হয়।
একনেকে অনুমোদিত প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ছয়তলাবিশিষ্ট বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগ নির্মাণ, ছয়তলার ওয়ার্ড কমপ্লেক্স, একটি একাডেমিক ভবন, সাততলাবিশিষ্ট অ্যাটেনডেন্ট হোস্টেল, চিকিৎসক ও কর্মীদের জন্য আটতলাবিশিষ্ট চারটি ভবন, স্নাতকোত্তর ছাত্র ও প্রশিক্ষণার্থীর জন্য ছয়তলাবিশিষ্ট নারী ও পুরুষ হোস্টেল, আটতলাবিশিষ্ট দুটি ডক্টরস ও নার্সেস ডরমিটরি এবং পাঁচতলাবিশিষ্ট মাল্টি ফাংশনাল ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। নির্মিত হবে মসজিদ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, একনেক অনুমোদিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে দেশে মানসিক চিকিৎসায় বিরাট পরিবর্তন আসবে। নতুন চিকিৎসক তৈরি করা সম্ভব হবে। এ প্রকল্পটি বছর দুয়েক আগে থেকে শুরু হয়েছে। ফিজিবিলিটি স্টাডি, ডিপিপি তৈরি এবং পরিকল্পনা কমিশনের কিছু অবজারভেশন ছিল, যেগুলো ঠিক করতে সময় লেগেছে। এ ছাড়া অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবল নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখানে বর্তমানে যে অবকাঠামো আছে তা অবস্থা খুবই নাজুক। বর্তমানে যে শয্যা আছে সেখান থেকে ৩০০টি নেয়া যাবে এবং ৭০০টি নতুন যুক্ত হবে। এখানে চিকিৎসকরা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন করবেন।
বর্তমান অবস্থা স্মরণ করেন পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক শাফকাত ওয়াহিদ বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জোড়াতালি দিয়ে মানসিক রোগের চিকিৎসা দিয়েছে হাসপাতাল। চিকিৎসক, জনবল, বরাদ্দ ও অবকাঠামোগত সহ প্রায় সবক্ষেত্রেই সংকটে জর্জরিত ছিল। ফলে রোগীদের আধুনিক শতভাগ চিকিৎসা সেবা দেওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে আমাদের বেগ পেতে হয়েছে।’
নতুন প্রকল্প সম্পর্কে ডা. শাফকাত ওয়াহিদ বলেন, ‘আগের সব সমস্যার সমাধান মিলতে যাচ্ছে এবার। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। সদ্য একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে পাবনা মানসিক হাসপাতালে আর কোনো অভাব থাকবে না। পর্যাপ্ত চিকিৎসক সহ সকল উপযোগ মিলবে। ফলে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা মিলবে মানসিক রোগের। এটি বাস্তবায়ন করা হোক।’

দেশের অন্যতম পুরোনো বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্রে পাবনা মানসিক হাসপাতাল রূপান্তরিত হচ্ছে বিশ্বমানের আধুনিক মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও এগারো শ শয্যার হাসপাতালে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পাওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ঘুঁচবে দেশে মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি।
গত মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নির্বাহী কমিটির এক সভায় ১ হাজার ৩৬৫ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এর আওতায় একাধিক বহুতল ভবনে জরুরি ও বহির্বিভাগের সেবা, ওয়ার্ড কমপ্লেক্স ছাড়াও একাডেমিকভবন, হোস্টেল তৈরি হবে।
এর আগে ২০২৩ সাল থেকে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য কয়েকবার পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হলেও সেটি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর ২০২৪ সালের মাঝামাঝি প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা ব্যয় ধরে প্রকল্পটি কমিশনে পাঠানো হলেও ফেরত পাঠানো হয়। তবে মঙ্গলবার প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনীর অনুমোদন দিয়েছে একনেক।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৭ সালে পাবনা শহর থেকে তিন মাইল দূরে হিমায়েতপুর ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠান করা হয় পাবনার মানসিক হাসপাতাল। এর পর বিভিন্ন সময় অবকাঠামোগত সংস্কার ও শয্যা বৃদ্ধির ঘোষণা ছাড়া তেমনভাবে বদল হয়নি বিশেষায়িত এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রথমে হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ছিল ৬০। ১৯৬৬ সালে পরে ১৫০ ও পরে ২০০ করা হয়। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে হাসপাতালটি ৫০০ শয্যায় উন্নীত করে সরকার। তবে জনবল কাঠামো পড়ে আছে ২৫০ শয্যার। এর মধ্যেও লোকবল সংকট ও অপ্রতুল অর্থ বরাদ্দে ধুকে ধুকে চলছে হাসপাতালটি। এ নিয়ে স্ট্রিমে গত ১০ অক্টোবর “পাবনা মানসিক হাসপাতাল: টাকা দিলেই অবাধ প্রবেশ, ‘পাগলদের’ নিয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটরেরা” শীর্ষক খবর প্রকাশ হয়।
একনেকে অনুমোদিত প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ছয়তলাবিশিষ্ট বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগ নির্মাণ, ছয়তলার ওয়ার্ড কমপ্লেক্স, একটি একাডেমিক ভবন, সাততলাবিশিষ্ট অ্যাটেনডেন্ট হোস্টেল, চিকিৎসক ও কর্মীদের জন্য আটতলাবিশিষ্ট চারটি ভবন, স্নাতকোত্তর ছাত্র ও প্রশিক্ষণার্থীর জন্য ছয়তলাবিশিষ্ট নারী ও পুরুষ হোস্টেল, আটতলাবিশিষ্ট দুটি ডক্টরস ও নার্সেস ডরমিটরি এবং পাঁচতলাবিশিষ্ট মাল্টি ফাংশনাল ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য বিদ্যালয় স্থাপন করা হবে। নির্মিত হবে মসজিদ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, একনেক অনুমোদিত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে দেশে মানসিক চিকিৎসায় বিরাট পরিবর্তন আসবে। নতুন চিকিৎসক তৈরি করা সম্ভব হবে। এ প্রকল্পটি বছর দুয়েক আগে থেকে শুরু হয়েছে। ফিজিবিলিটি স্টাডি, ডিপিপি তৈরি এবং পরিকল্পনা কমিশনের কিছু অবজারভেশন ছিল, যেগুলো ঠিক করতে সময় লেগেছে। এ ছাড়া অবকাঠামোর পাশাপাশি দক্ষ জনবল নিয়োগ চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখানে বর্তমানে যে অবকাঠামো আছে তা অবস্থা খুবই নাজুক। বর্তমানে যে শয্যা আছে সেখান থেকে ৩০০টি নেয়া যাবে এবং ৭০০টি নতুন যুক্ত হবে। এখানে চিকিৎসকরা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েশন করবেন।
বর্তমান অবস্থা স্মরণ করেন পাবনা মানসিক হাসপাতালের পরিচালক শাফকাত ওয়াহিদ বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জোড়াতালি দিয়ে মানসিক রোগের চিকিৎসা দিয়েছে হাসপাতাল। চিকিৎসক, জনবল, বরাদ্দ ও অবকাঠামোগত সহ প্রায় সবক্ষেত্রেই সংকটে জর্জরিত ছিল। ফলে রোগীদের আধুনিক শতভাগ চিকিৎসা সেবা দেওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে আমাদের বেগ পেতে হয়েছে।’
নতুন প্রকল্প সম্পর্কে ডা. শাফকাত ওয়াহিদ বলেন, ‘আগের সব সমস্যার সমাধান মিলতে যাচ্ছে এবার। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। সদ্য একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে পাবনা মানসিক হাসপাতালে আর কোনো অভাব থাকবে না। পর্যাপ্ত চিকিৎসক সহ সকল উপযোগ মিলবে। ফলে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা মিলবে মানসিক রোগের। এটি বাস্তবায়ন করা হোক।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে