স্ট্রিম প্রতিবেদক


দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র চাই, স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই এবং সুশাসন চাই। একটি দুটি বিষয়ে আমি মনে করি না যথেষ্ট আলোচনা হচ্ছে। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য আগামীর চ্যালেঞ্জগুলো কী। আমি মনে করি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ক্লাইমেট চেঞ্জ। ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়ে আমরা কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো বা অত আলোচনা করছি না। ক্লাইমেট চেঞ্জের যে কী ইম্প্যাক্ট হবে, এটা আমরা কিন্তু কোস্টাল এরিয়াতে দেখতে পাচ্ছি। আমার অনুরোধ থাকবে ক্লাইমেট চেঞ্জ শুড বি ইওর ভেরি ইম্পর্টেন্ট প্রায়োরিটি।’

ইটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, ‘এই যে ফ্রিডম অব স্পিচ এটা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের জন্য জরুরি প্রয়োজন। আমি বিশ্বাস করি বিএনপি ক্ষমতায় এলে এদিকে তারা খেয়াল রাখবে।’
মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘মিডিয়া ২০২৪ এর ৫ আগস্ট এর পর অনেকটাই স্বাধীন, অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। নিয়ন্ত্রিত এই কারণে বলছি, মব ভায়োলেন্সের কারণে আমরা অনেকটাই সাহসী হতে পারছি না। আমাদের হাত-পা বাঁধা হয়ে যাচ্ছে। মিডিয়া অফিসে যখন আগুন দেওয়া হয়, তখন কিন্তু আমার ভাবতে কষ্ট লাগে যে আমরা জাহান্নামে আছি না বেহেশতে আছি।’
গণমাধ্যম শত্রু নয়, গণমাধ্যম আসলেই বন্ধু কারণ সে সত্যিকারে ভালো কাজ করে উল্লেখ করে যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার বলেন, ‘হয়তো তিতা লাগে কখনো কখনো, কিন্তু তবুও তো সঠিক কথাটা বলার চেষ্টা করে।’
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য সাংঘর্ষিক নয়, আমরা পরিপূরক আমরা ওয়াচডগ হিসেবে আপনাদেরকে বস্তুনিষ্ঠভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আপনাদের ভুল ত্রুটি আমরা ধরিয়ে দিতে চাই। সেই সহনশীলতা আপনাদের যে ঐতিহ্যের যে পরম্পরা আছে সেটা রক্ষা করে আপনারা আমাদেরকে সেই সুযোগটা দেবেন।’
ঢাকা স্ট্রিম সম্পাদক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ইতিবাচক দিক আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদের আমলে। তাদের প্রতিরোধের জায়গাগুলো দেখেছি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ডিজইনফরমেশন এবং মিসইনফরমেশন প্রসারে তাদের একটা ভূমিকাও কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই ক্ষেত্রে সরকারের যে সমস্ত গণমাধ্যমবিষয়ক প্রতিষ্ঠান আছে সেই সংস্থাগুলো অবাধ তথ্যের প্রসারে একটা কাউন্টার হিসেবে তৈরি হতে পারে।’


দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্র চাই, স্বাধীন সাংবাদিকতা চাই এবং সুশাসন চাই। একটি দুটি বিষয়ে আমি মনে করি না যথেষ্ট আলোচনা হচ্ছে। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য আগামীর চ্যালেঞ্জগুলো কী। আমি মনে করি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ক্লাইমেট চেঞ্জ। ক্লাইমেট চেঞ্জ নিয়ে আমরা কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো বা অত আলোচনা করছি না। ক্লাইমেট চেঞ্জের যে কী ইম্প্যাক্ট হবে, এটা আমরা কিন্তু কোস্টাল এরিয়াতে দেখতে পাচ্ছি। আমার অনুরোধ থাকবে ক্লাইমেট চেঞ্জ শুড বি ইওর ভেরি ইম্পর্টেন্ট প্রায়োরিটি।’

ইটিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুস সালাম বলেন, ‘এই যে ফ্রিডম অব স্পিচ এটা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের জন্য জরুরি প্রয়োজন। আমি বিশ্বাস করি বিএনপি ক্ষমতায় এলে এদিকে তারা খেয়াল রাখবে।’
মানবজমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘মিডিয়া ২০২৪ এর ৫ আগস্ট এর পর অনেকটাই স্বাধীন, অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। নিয়ন্ত্রিত এই কারণে বলছি, মব ভায়োলেন্সের কারণে আমরা অনেকটাই সাহসী হতে পারছি না। আমাদের হাত-পা বাঁধা হয়ে যাচ্ছে। মিডিয়া অফিসে যখন আগুন দেওয়া হয়, তখন কিন্তু আমার ভাবতে কষ্ট লাগে যে আমরা জাহান্নামে আছি না বেহেশতে আছি।’
গণমাধ্যম শত্রু নয়, গণমাধ্যম আসলেই বন্ধু কারণ সে সত্যিকারে ভালো কাজ করে উল্লেখ করে যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার বলেন, ‘হয়তো তিতা লাগে কখনো কখনো, কিন্তু তবুও তো সঠিক কথাটা বলার চেষ্টা করে।’
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কালের কণ্ঠের সম্পাদক হাসান হাফিজ বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য সাংঘর্ষিক নয়, আমরা পরিপূরক আমরা ওয়াচডগ হিসেবে আপনাদেরকে বস্তুনিষ্ঠভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আপনাদের ভুল ত্রুটি আমরা ধরিয়ে দিতে চাই। সেই সহনশীলতা আপনাদের যে ঐতিহ্যের যে পরম্পরা আছে সেটা রক্ষা করে আপনারা আমাদেরকে সেই সুযোগটা দেবেন।’
ঢাকা স্ট্রিম সম্পাদক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনেক ইতিবাচক দিক আমরা দেখেছি ফ্যাসিবাদের আমলে। তাদের প্রতিরোধের জায়গাগুলো দেখেছি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ডিজইনফরমেশন এবং মিসইনফরমেশন প্রসারে তাদের একটা ভূমিকাও কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি। এই ক্ষেত্রে সরকারের যে সমস্ত গণমাধ্যমবিষয়ক প্রতিষ্ঠান আছে সেই সংস্থাগুলো অবাধ তথ্যের প্রসারে একটা কাউন্টার হিসেবে তৈরি হতে পারে।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে