স্ট্রিম প্রতিবেদক

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ৭৪১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছেন এক হাজার ২০২ জন। অর্থাৎ মোট দুর্ঘটনায় নিহতের ৩২ শতাংশের বেশি এসেছে দুই চাকার এই বাহন থেকে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাসিক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল (১৭ সেপ্টেম্বর) বিআরটিএ প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনাসংক্রান্ত এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্যমতে, এ ৮ মাসে দেশে ৩ হাজার ৯৪৩টি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত ৪ হাজার ৫৯৮ জন। তুলনায় দেখা যায়, গত বছর সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৫ হাজার ৩৮০ জন। তবে বেসরকারি সংগঠনগুলোর হিসাবে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। শুধু আগস্ট মাসেই বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি দাবি করেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৭৬ জন। তবে বিআরটিএর হিসাবে এ সংখ্যা ১১৮।
মোটরসাইকেল বাড়ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। এর সঙ্গে সমানতালে বেড়েছে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা। বর্তমানে বিআরটিএর নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা ৬৪ লাখ ৪২ হাজার। এর মধ্যে মোটরসাইকেলই রয়েছে প্রায় ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার। শুধু চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে আরও ১ লাখ ৫৩ হাজার মোটরসাইকেল।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, 'বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। দেশের সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য বর্তমানে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে মোটরসাইকেল। পৃথিবীর অনেক দেশই মোটরসাইকেল ব্যবহার সীমিত করেছে। বাংলাদেশকেও সেই পথে এগোতে হবে।'

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ হাজার ৭৪১ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মারা গেছেন এক হাজার ২০২ জন। অর্থাৎ মোট দুর্ঘটনায় নিহতের ৩২ শতাংশের বেশি এসেছে দুই চাকার এই বাহন থেকে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাসিক দুর্ঘটনা প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে এ তথ্য উঠে এসেছে।
গতকাল (১৭ সেপ্টেম্বর) বিআরটিএ প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনাসংক্রান্ত এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তথ্যমতে, এ ৮ মাসে দেশে ৩ হাজার ৯৪৩টি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত ৪ হাজার ৫৯৮ জন। তুলনায় দেখা যায়, গত বছর সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৫ হাজার ৩৮০ জন। তবে বেসরকারি সংগঠনগুলোর হিসাবে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের সংখ্যা সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে অনেক বেশি।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। শুধু আগস্ট মাসেই বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি দাবি করেছে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৭৬ জন। তবে বিআরটিএর হিসাবে এ সংখ্যা ১১৮।
মোটরসাইকেল বাড়ছে, বাড়ছে দুর্ঘটনা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে মোটরসাইকেলের ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। এর সঙ্গে সমানতালে বেড়েছে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা। বর্তমানে বিআরটিএর নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা ৬৪ লাখ ৪২ হাজার। এর মধ্যে মোটরসাইকেলই রয়েছে প্রায় ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার। শুধু চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে আরও ১ লাখ ৫৩ হাজার মোটরসাইকেল।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) দুর্ঘটনা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. সামছুল হক বলেন, 'বাংলাদেশে মোটরসাইকেলের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। দেশের সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার জন্য বর্তমানে বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে মোটরসাইকেল। পৃথিবীর অনেক দেশই মোটরসাইকেল ব্যবহার সীমিত করেছে। বাংলাদেশকেও সেই পথে এগোতে হবে।'

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে