স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন সই করেন।
এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ১৩ নভেম্বর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। এই আদেশের অধীন ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটের পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে। ‘না’-এর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়েছে ‘হ্যাঁ’। ফলে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এনসিপি সনদে স্বাক্ষর করবে বলেই জাতির বিশ্বাস ছিল। আজে সেই বিশ্বাস পূর্ণতা পেল, জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেল। এনসিপিকে ধন্যবাদ এই মহতী কাজে অংশ নেওয়ার জন্য।
তিনি বলেন, এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে, সেজন্য প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।
ড. ইউনূস বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার নতুন সংসদের সদস্যদের শপথ হবে। সবার সামনের দিনগুলোে শুভ হোক।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা একই সঙ্গে দুটো শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমাদের ওপর দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে, তা বাস্তবায়ন করব।
তিনি বলেন, জুলাই সনদে সবার শেষে সই করলেও এটি বাস্তবায়নের জন্য আমরা ছিলাম সর্বোচ্চ তৎপর।
এনসিপির প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে মনিরা শারমিন, সারওয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ সই হয়। সেদিন এই সনদে সই করে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল ও জোট। পাশাপাশি সনদে সই করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা। পরে আরও একটি দল সনদে সই করে। তবে এনসিপি জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানে যায়নি। পরেও আর সনদে সইও করেনি।
জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে সই না করলে পরবর্তী সময়ে সুযোগ থাকবে।
সনদে সই না করার বিষয়ে তখন তিনটি দাবি জানিয়েছিল এনসিপি। এগুলো হলো– জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ এবং এই আদেশ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। জনগণ গণভোটে সনদের পক্ষে রায় দিলে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কার্যকারিতা থাকবে না। গণভোটের রায় অনুযায়ী, আগামী নির্বাচিত সংসদ তার ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কার করা সংবিধানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’।

জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন সই করেন।
এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ১৩ নভেম্বর জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। এই আদেশের অধীন ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোটের পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়।
জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে। ‘না’-এর চেয়ে দ্বিগুণের বেশি ভোট পেয়েছে ‘হ্যাঁ’। ফলে রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারের প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের পথ খুলেছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এনসিপি সনদে স্বাক্ষর করবে বলেই জাতির বিশ্বাস ছিল। আজে সেই বিশ্বাস পূর্ণতা পেল, জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেল। এনসিপিকে ধন্যবাদ এই মহতী কাজে অংশ নেওয়ার জন্য।
তিনি বলেন, এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে, সেজন্য প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।
ড. ইউনূস বলেন, আগামীকাল মঙ্গলবার নতুন সংসদের সদস্যদের শপথ হবে। সবার সামনের দিনগুলোে শুভ হোক।
নাহিদ ইসলাম বলেন, আমাদের দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা একই সঙ্গে দুটো শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমাদের ওপর দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে, তা বাস্তবায়ন করব।
তিনি বলেন, জুলাই সনদে সবার শেষে সই করলেও এটি বাস্তবায়নের জন্য আমরা ছিলাম সর্বোচ্চ তৎপর।
এনসিপির প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে মনিরা শারমিন, সারওয়ার তুষার, জাভেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
গত বছরের ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ সই হয়। সেদিন এই সনদে সই করে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল ও জোট। পাশাপাশি সনদে সই করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা। পরে আরও একটি দল সনদে সই করে। তবে এনসিপি জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানে যায়নি। পরেও আর সনদে সইও করেনি।
জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠানের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে সই না করলে পরবর্তী সময়ে সুযোগ থাকবে।
সনদে সই না করার বিষয়ে তখন তিনটি দাবি জানিয়েছিল এনসিপি। এগুলো হলো– জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ এবং এই আদেশ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। জনগণ গণভোটে সনদের পক্ষে রায় দিলে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কার্যকারিতা থাকবে না। গণভোটের রায় অনুযায়ী, আগামী নির্বাচিত সংসদ তার ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কার করা সংবিধানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে