স্ট্রিম ডেস্ক

উৎপাদন খরচ কম। বন্যা কিংবা খরায় ক্ষতিগ্রস্ত কম হয়। নিশ্চিন্তে বেশি লাভ পান কৃষকেরা। আর তাই গত কয়েক বছর ধরে ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষ। এতে তাদের জীবনধারারও উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার মানুষেরা।
চলতি বছরও ভুট্টার ভালো ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এ সোনালী ফসল ভুট্টা। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে।
কিশোরগঞ্জের কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রোদের ঝিকিমিকিতে হাওরের প্রান্তরে মিটিমিটি হাসছে সোনালী ভুূট্টার সারি। দূর থেকে দেখলে মনে হয়—রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে একরাশ কাঁচা সোনা! কৃষক-কৃষাণীরা এখন ব্যস্ত তাদের স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, হাওরে আদিকাল থেকে ধান চাষে জীবিকা নির্বাহ করতেন কৃষকেরা। কিন্তু অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ না পেলে খুব একটা লাভের মুখ দেখা যেতো না। তবে যখন দেশের পোল্ট্রি ও ফিড মিল খাতে ভুট্টার চাহিদা বেড়ে যায়, তখন হারাঞ্চলের কৃষকদের চোখে নতুন সম্ভাবনার আলো। তারা ধান ছেড়ে আগলে ধরেন ভুট্টার খুঁটি। এ ভুট্টা চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধা— উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। বর্ষা শুরুর আগেই ফসল ঘরে তোলা যায়।
এ বছর কিশোরগঞ্জ জেলায় ১২ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল যেখানে উৎপাদন ধরা হয়েছিল ১২ হাজার ২১০ মেট্রিক টন। কিন্তু লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে ১২ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে হয়েছে আবাদ । সবচেয়ে বেশি ভুট্টা চাষ হয়েছে জেলার হাওরাঞ্চলের চার উপজেলায়। এ চার উপজেলায় ৭ হাজার ৭০৩ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। জেলার নিকলী উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ১১০ হেক্টর, মিঠামইনে ২ হাজার ৮৮০ হেক্টর, বাজিতপুরে ২ হাজার ১০ হেক্টর ও অষ্টগ্রামে ৯৮০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। এবার হয়েছে বাম্পার ফলন। ফলে আশা জেগেছে ছাড়িয়ে যাবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা। আর পাইকাররাও মাঠ থেকেই কিনে নিচ্ছেন ভুট্টা মণপ্রতি ১ হাজার থেকে ১১শ’ টাকায়। এ ভুট্টা অনেকটাই দূর করেছে রবি শস্য নিয়ে হাওরের কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। উঁকি দিচ্ছে সম্ভাবনার নতুন ভোর।
মিঠামইন উপজেলার কৃষক আব্দুর রহিম জানান, বন্যায় আমাদের হাওরাঞ্চলে ধান চাষে ঝুঁকি থাকলেও ভুট্টা চাষে তেমন ঝুঁকি নেই। কারণ বর্ষার আসার আগেই আমরা ভুট্টার ফলন ঘরে তুলতে পারি। এছাড়াও ভুট্টা চাষ ধান চাষের চেয়ে খরচ কম হয় কিন্তু লাভ বেশি হয়।
কৃষক শরিফ উদ্দিন জানান, এ জমিগুলো উঁচু, এগুলো পতিত থাকতো এখানে ভুট্টা চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। যদি দরদাম ঠিক থাকে তাহলে লাভবান হবো। কৃষি অফিস থেকেও আমরা ভুট্টা চাষে সহযোগিতা পেয়েছি।
ইটনা হাওরের কৃষক নাজিম উদ্দিন বলেন, ভুট্টা চাষে আমাদের তিনভাবে লাভ হয়। ভুট্টা বিক্রি করা, ভুট্টার কাঁচা পাতা গবাদি পশুকে খাদ্য হিসেবে খাওয়ানো ও ভুট্টা গাছ শুকিয়ে লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
কিশোরগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাদিকুর রহমান জানান, হাওরে নিরাপদে ফসল হিসেবেই ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। কারণ হাওরে আগাম বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভুট্টা চাষ করলে আগাম বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ভুট্টার ভালো দাম ও চাহিদার কারনে এ চাষ কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে জনপ্রিয় হচ্ছে ভুট্টা । ভাট্টা চাষে কৃষকদের নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তিগত পরামর্শ, বীজ নির্বাচন, সার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে রোগবালাই দমন পর্যন্ত পাশে ছিলো কৃষি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

উৎপাদন খরচ কম। বন্যা কিংবা খরায় ক্ষতিগ্রস্ত কম হয়। নিশ্চিন্তে বেশি লাভ পান কৃষকেরা। আর তাই গত কয়েক বছর ধরে ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের মানুষ। এতে তাদের জীবনধারারও উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার মানুষেরা।
চলতি বছরও ভুট্টার ভালো ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, এ অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এ সোনালী ফসল ভুট্টা। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে।
কিশোরগঞ্জের কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রোদের ঝিকিমিকিতে হাওরের প্রান্তরে মিটিমিটি হাসছে সোনালী ভুূট্টার সারি। দূর থেকে দেখলে মনে হয়—রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে একরাশ কাঁচা সোনা! কৃষক-কৃষাণীরা এখন ব্যস্ত তাদের স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে।
স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, হাওরে আদিকাল থেকে ধান চাষে জীবিকা নির্বাহ করতেন কৃষকেরা। কিন্তু অনুকূল প্রাকৃতিক পরিবেশ না পেলে খুব একটা লাভের মুখ দেখা যেতো না। তবে যখন দেশের পোল্ট্রি ও ফিড মিল খাতে ভুট্টার চাহিদা বেড়ে যায়, তখন হারাঞ্চলের কৃষকদের চোখে নতুন সম্ভাবনার আলো। তারা ধান ছেড়ে আগলে ধরেন ভুট্টার খুঁটি। এ ভুট্টা চাষের সবচেয়ে বড় সুবিধা— উৎপাদন খরচ কম, লাভ বেশি। বর্ষা শুরুর আগেই ফসল ঘরে তোলা যায়।
এ বছর কিশোরগঞ্জ জেলায় ১২ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল যেখানে উৎপাদন ধরা হয়েছিল ১২ হাজার ২১০ মেট্রিক টন। কিন্তু লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে ১২ হাজার ২১০ হেক্টর জমিতে হয়েছে আবাদ । সবচেয়ে বেশি ভুট্টা চাষ হয়েছে জেলার হাওরাঞ্চলের চার উপজেলায়। এ চার উপজেলায় ৭ হাজার ৭০৩ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। জেলার নিকলী উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ১১০ হেক্টর, মিঠামইনে ২ হাজার ৮৮০ হেক্টর, বাজিতপুরে ২ হাজার ১০ হেক্টর ও অষ্টগ্রামে ৯৮০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। এবার হয়েছে বাম্পার ফলন। ফলে আশা জেগেছে ছাড়িয়ে যাবার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা। আর পাইকাররাও মাঠ থেকেই কিনে নিচ্ছেন ভুট্টা মণপ্রতি ১ হাজার থেকে ১১শ’ টাকায়। এ ভুট্টা অনেকটাই দূর করেছে রবি শস্য নিয়ে হাওরের কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ। উঁকি দিচ্ছে সম্ভাবনার নতুন ভোর।
মিঠামইন উপজেলার কৃষক আব্দুর রহিম জানান, বন্যায় আমাদের হাওরাঞ্চলে ধান চাষে ঝুঁকি থাকলেও ভুট্টা চাষে তেমন ঝুঁকি নেই। কারণ বর্ষার আসার আগেই আমরা ভুট্টার ফলন ঘরে তুলতে পারি। এছাড়াও ভুট্টা চাষ ধান চাষের চেয়ে খরচ কম হয় কিন্তু লাভ বেশি হয়।
কৃষক শরিফ উদ্দিন জানান, এ জমিগুলো উঁচু, এগুলো পতিত থাকতো এখানে ভুট্টা চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। যদি দরদাম ঠিক থাকে তাহলে লাভবান হবো। কৃষি অফিস থেকেও আমরা ভুট্টা চাষে সহযোগিতা পেয়েছি।
ইটনা হাওরের কৃষক নাজিম উদ্দিন বলেন, ভুট্টা চাষে আমাদের তিনভাবে লাভ হয়। ভুট্টা বিক্রি করা, ভুট্টার কাঁচা পাতা গবাদি পশুকে খাদ্য হিসেবে খাওয়ানো ও ভুট্টা গাছ শুকিয়ে লাকড়ি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
কিশোরগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ সাদিকুর রহমান জানান, হাওরে নিরাপদে ফসল হিসেবেই ভুট্টা চাষে ঝুঁকছেন কৃষকরা। কারণ হাওরে আগাম বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ভুট্টা চাষ করলে আগাম বন্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ভুট্টার ভালো দাম ও চাহিদার কারনে এ চাষ কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে জনপ্রিয় হচ্ছে ভুট্টা । ভাট্টা চাষে কৃষকদের নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তিগত পরামর্শ, বীজ নির্বাচন, সার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে রোগবালাই দমন পর্যন্ত পাশে ছিলো কৃষি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে