স্ট্রিম প্রতিবেদক
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। আজ শনিবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিলের পৃথক কর্মসূচি দিয়েছে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন।
ঘটনার পরপরই বিবৃতি দিয়ে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ তার দলের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
শনিবার বাদ জোহর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি থাকবেন যথাক্রমে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও মাওলানা আব্দুল হালিম।
অন্যদিকে, আসর নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা উত্তরের সভাপতি ও যুগ্মমহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।
শুক্রবার রাতেই নূরসহ অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২৯ আগস্ট (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্য লাঠিচার্জ করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, ডাকসুর সাবেক ভিপি অন্যতম জুলাইযোদ্ধা নূরুল হক নূরসহ অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মীকে গুরুতরভাবে আহত করেছে। আমরা এ মর্মান্তিক আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। সেই সঙ্গে আমরা আহতদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পর এই হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। আমরা সকল মহলের পক্ষ থেকে সহনশীল পরিবেশ প্রত্যাশা করি। জাতি যখন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এই ধরনের হামলা আবার ফ্যাসিবাদের কথাই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিধানের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান শুক্রবার রাতে হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, ফ্যাসিবাদ উত্তর এই সময়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপরে এই ধরণের হামলা কোনো যুক্তিতেই মেনে নেওয়া যায় না, সহ্য করা যায় না।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, 'জুলাই অভ্যুত্থানের প্রধান চাওয়া হলো, ফ্যাসিবাদের সম্ভাব্য যে কোনো ধরণের উত্থান রুখে দেওয়া। বিগত আমলে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ও ফ্যাসিবাদের পক্ষে জাতীয় পার্টির ন্যক্কারজনক ভূমিকা সকলের জানা। বলতে গেলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আইনি পাটাতন নির্মাণে প্রধান ভূমিকা ছিলো তাদের। ৫ আগস্টের পরে জাতীয় পার্টির বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিলো। সেটা করা হয় নাই। এখন জাতীয় পার্টির ইস্যুতে নুরের মতো একজন ফ্যাসিবাদবিরোধী নেতাকে রাস্তায় লাঠিপেটা করা স্পষ্টত জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।'
নুরের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। বিবৃতিতে দলটি বলেছে, 'গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশের বর্বরোচিত হামলা, জাপা সন্ত্রাসীদের ন্যক্কারজনক তাণ্ডব এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকধারী কতিপয় ব্যক্তির প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সাহসী নেতৃত্ব ভিপি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হয়েছেন।'
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'এ কাপুরুষোচিত হামলা দেশের স্বাধীনতাকামী ও বাংলাদেশপন্থী জনতার কণ্ঠরোধের নোংরা প্রয়াস। বিশেষত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতায় একটি দলের প্রধানের ওপর এমন হামলা জাতির জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং ভয়াবহ অশনিসংকেত বহন করছে।'
বিবৃতিতে বলা হয়, 'এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে জনরোষ ভয়াবহ রূপ নেবে, জনগণ রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে। আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছি— হামলাকারী জাপা সন্ত্রাসী, সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকধারী ব্যক্তিদের অবিলম্বে জবাবদিহি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী দোসরদের রাজনীতি থেকে চিরতরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।'
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো। আজ শনিবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিলের পৃথক কর্মসূচি দিয়েছে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন।
ঘটনার পরপরই বিবৃতি দিয়ে ডাকসুর সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ তার দলের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানায় বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।
শনিবার বাদ জোহর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি থাকবেন যথাক্রমে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও মাওলানা আব্দুল হালিম।
অন্যদিকে, আসর নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। মিছিলে নেতৃত্ব দেবেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা উত্তরের সভাপতি ও যুগ্মমহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।
শুক্রবার রাতেই নূরসহ অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মীর ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নিন্দা জানিয়েছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, ২৯ আগস্ট (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে রাজধানীর বিজয়নগরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কতিপয় সদস্য লাঠিচার্জ করে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি, ডাকসুর সাবেক ভিপি অন্যতম জুলাইযোদ্ধা নূরুল হক নূরসহ অর্ধ শতাধিক নেতাকর্মীকে গুরুতরভাবে আহত করেছে। আমরা এ মর্মান্তিক আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। সেই সঙ্গে আমরা আহতদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি এবং তাদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের পতনের পর এই হামলার ঘটনা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত। আমরা সকল মহলের পক্ষ থেকে সহনশীল পরিবেশ প্রত্যাশা করি। জাতি যখন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এই ধরনের হামলা আবার ফ্যাসিবাদের কথাই নতুন করে স্মরণ করিয়ে দেয়। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিধানের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান শুক্রবার রাতে হামলার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, ফ্যাসিবাদ উত্তর এই সময়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপরে এই ধরণের হামলা কোনো যুক্তিতেই মেনে নেওয়া যায় না, সহ্য করা যায় না।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, 'জুলাই অভ্যুত্থানের প্রধান চাওয়া হলো, ফ্যাসিবাদের সম্ভাব্য যে কোনো ধরণের উত্থান রুখে দেওয়া। বিগত আমলে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ও ফ্যাসিবাদের পক্ষে জাতীয় পার্টির ন্যক্কারজনক ভূমিকা সকলের জানা। বলতে গেলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আইনি পাটাতন নির্মাণে প্রধান ভূমিকা ছিলো তাদের। ৫ আগস্টের পরে জাতীয় পার্টির বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার ছিলো। সেটা করা হয় নাই। এখন জাতীয় পার্টির ইস্যুতে নুরের মতো একজন ফ্যাসিবাদবিরোধী নেতাকে রাস্তায় লাঠিপেটা করা স্পষ্টত জুলাই অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি।'
নুরের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। বিবৃতিতে দলটি বলেছে, 'গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশের বর্বরোচিত হামলা, জাপা সন্ত্রাসীদের ন্যক্কারজনক তাণ্ডব এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকধারী কতিপয় ব্যক্তির প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সাহসী নেতৃত্ব ভিপি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হয়েছেন।'
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'এ কাপুরুষোচিত হামলা দেশের স্বাধীনতাকামী ও বাংলাদেশপন্থী জনতার কণ্ঠরোধের নোংরা প্রয়াস। বিশেষত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতায় একটি দলের প্রধানের ওপর এমন হামলা জাতির জন্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং ভয়াবহ অশনিসংকেত বহন করছে।'
বিবৃতিতে বলা হয়, 'এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে জনরোষ ভয়াবহ রূপ নেবে, জনগণ রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে। আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছি— হামলাকারী জাপা সন্ত্রাসী, সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাকধারী ব্যক্তিদের অবিলম্বে জবাবদিহি ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী দোসরদের রাজনীতি থেকে চিরতরে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।'
রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গণঅধিকার পরিষদের নেতা ফারুক ও রাশেদ খাঁনের গতকাল শুক্রবার নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। মিছিল শেষ হওয়ার পরপরই একদল লোক জাতীয় পার্টির অফিসে হামলার চেষ্টা চালান।
৩৪ মিনিট আগেগণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগেআগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সরকার। আজ শনিবার অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করছে যে আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে।
১ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ) নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, শ্রম আইন সংশোধনের প্রস্তাব কার্যকর করার ক্ষেত্রে সামাজিক সংলাপ ছাড়া এগোনো হলে তা শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থ হতে পারে এবং দেশের শিল্পখাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে