স্ট্রিম প্রতিবেদক

নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলাকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম, তাঁর স্বামী ও ছেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালত ও দুদক সূত্র জানিয়েছে, সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম ছাড়াও তাঁর স্বামী মো. আখতার হোসেন এবং ছেলে প্রতীক তাসদিক হোসেনের বিদেশযাত্রায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পক্ষে নিষেধাজ্ঞার আবেদনটি করেছিলেন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম। আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি এবং স্বামী ও ছেলের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় হাতের মাধ্যমেও অবৈধ লেনদেনের তথ্য অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। বর্তমানে এসব অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে ফারজানা ইসলাম, তাঁর স্বামী আখতার হোসেন ও ছেলে প্রতীক তাসদিক হোসেন অবৈধ আয়ে নিজ এলাকায় বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি, ফ্ল্যাট ও প্লট কিনেছেন। তাঁরা অবৈধ উপায়ে অর্জিত এসব সম্পত্তি হস্তান্তর করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে যুক্তি দেখানো হয়, অভিযুক্তরা যদি বিদেশে পালিয়ে যান, তবে চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের বিদেশ যাওয়া বন্ধ করা আবশ্যক।
শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলাকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম, তাঁর স্বামী ও ছেলের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মোহাম্মদ সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন।
আদালত ও দুদক সূত্র জানিয়েছে, সাবেক উপাচার্য ফারজানা ইসলাম ছাড়াও তাঁর স্বামী মো. আখতার হোসেন এবং ছেলে প্রতীক তাসদিক হোসেনের বিদেশযাত্রায় এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পক্ষে নিষেধাজ্ঞার আবেদনটি করেছিলেন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম। আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগ–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি এবং স্বামী ও ছেলের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তৃতীয় হাতের মাধ্যমেও অবৈধ লেনদেনের তথ্য অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। বর্তমানে এসব অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে ফারজানা ইসলাম, তাঁর স্বামী আখতার হোসেন ও ছেলে প্রতীক তাসদিক হোসেন অবৈধ আয়ে নিজ এলাকায় বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি, ফ্ল্যাট ও প্লট কিনেছেন। তাঁরা অবৈধ উপায়ে অর্জিত এসব সম্পত্তি হস্তান্তর করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে যুক্তি দেখানো হয়, অভিযুক্তরা যদি বিদেশে পালিয়ে যান, তবে চলমান অনুসন্ধান কার্যক্রম দীর্ঘায়িত বা ব্যাহত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাঁদের বিদেশ যাওয়া বন্ধ করা আবশ্যক।
শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে