স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব সম্ভাব্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়ে আপিল হয়েছে, তাদের বিষয়গুলো পুরোপুরি আইনি ভিত্তিতেই নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এক্ষেত্রে সবাই ‘ন্যায়বিচার পাবেন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগের মতো এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। কাউকে রাজপথেও নামতে হবে না।’
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় প্রাঙ্গণে মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে চলমান আপিল আবেদনের চতুর্থ দিনের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, ‘যারা আপিল আবেদন করছেন, তাদের বিষয়গুলো পুরোপুরি আইনি ভিত্তিতেই নিষ্পত্তি করা হবে। নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাস করে। এখানে সবাই ন্যায়বিচার পাবেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত তারা দিয়েছেন। যারা মনে করেছেন সঠিক হয়নি, তারা দূর দূরান্ত থেকে এখানে আপিল করতে আসছেন। আইনের মধ্যে যা যা করা উচিৎ তা নিশ্চিত করা হবে ইনশাল্লাহ। আগের মতো এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। কাউকে রাজপথেও নামতে হবে না।’
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে এনসিপির মুখপাত্র এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, এনসিপি যখনই দেখবে বিগত কয়েকটি নির্বাচনের মতো এবারো পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা হচ্ছে, তখনই তারা রাজপথে আন্দোলনে নেমে আসবেন।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চল থেকে মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে নির্বাচন ভবনে ভিড় করছেন আবেদনকারীরা। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আপিল কার্যক্রম চলবে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
ইসি সূত্র জানায়, আপিল আবেদনের শুনানি আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন ভবনের বেইজমেন্ট-২ এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরই মধ্যে গত তিন দিনে মোট ২৯৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে বুধবার জমা পড়ে ১৩১টি, মঙ্গলবার ১২২টি এবং প্রথম দিন সোমবার পড়েছে ৪১টি আবেদন।
উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনে ৩০০ সংসদীয় আসনে জমা দেওয়া মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন এবং ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন।
আজ আপিল আবেদনের চতুর্থ দিন চলছে। আগামীকাল ৯ জানুয়ারি আপিলের শেষ দিন। এরপর ১০ থেকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।
সবকিছু সম্পন্ন করে আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেসব সম্ভাব্য প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়ে আপিল হয়েছে, তাদের বিষয়গুলো পুরোপুরি আইনি ভিত্তিতেই নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। এক্ষেত্রে সবাই ‘ন্যায়বিচার পাবেন’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আগের মতো এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। কাউকে রাজপথেও নামতে হবে না।’
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয় প্রাঙ্গণে মনোনয়ন বাতিল ও গ্রহণের বিরুদ্ধে চলমান আপিল আবেদনের চতুর্থ দিনের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, ‘যারা আপিল আবেদন করছেন, তাদের বিষয়গুলো পুরোপুরি আইনি ভিত্তিতেই নিষ্পত্তি করা হবে। নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাস করে। এখানে সবাই ন্যায়বিচার পাবেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত তারা দিয়েছেন। যারা মনে করেছেন সঠিক হয়নি, তারা দূর দূরান্ত থেকে এখানে আপিল করতে আসছেন। আইনের মধ্যে যা যা করা উচিৎ তা নিশ্চিত করা হবে ইনশাল্লাহ। আগের মতো এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। কাউকে রাজপথেও নামতে হবে না।’
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে এনসিপির মুখপাত্র এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান, এনসিপি যখনই দেখবে বিগত কয়েকটি নির্বাচনের মতো এবারো পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা হচ্ছে, তখনই তারা রাজপথে আন্দোলনে নেমে আসবেন।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও অঞ্চল থেকে মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে নির্বাচন ভবনে ভিড় করছেন আবেদনকারীরা। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, ৫ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আপিল কার্যক্রম চলবে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
ইসি সূত্র জানায়, আপিল আবেদনের শুনানি আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন ভবনের বেইজমেন্ট-২ এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরই মধ্যে গত তিন দিনে মোট ২৯৫টি আপিল আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে বুধবার জমা পড়ে ১৩১টি, মঙ্গলবার ১২২টি এবং প্রথম দিন সোমবার পড়েছে ৪১টি আবেদন।
উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ দিনে ৩০০ সংসদীয় আসনে জমা দেওয়া মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা ১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন এবং ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেন।
আজ আপিল আবেদনের চতুর্থ দিন চলছে। আগামীকাল ৯ জানুয়ারি আপিলের শেষ দিন। এরপর ১০ থেকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করবে নির্বাচন কমিশন।
সবকিছু সম্পন্ন করে আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পরই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৭ ঘণ্টা আগে