স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি দায়মুক্তি, গ্রেপ্তারদের নিঃশর্ত মুক্তি, অভ্যুত্থানে সহায়তাকারী সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সুরক্ষাসহ তিন দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের আহ্বায়ক রিফাত রশীদ। তিনি জুলাইয়ে আন্দোলন চলাকালীন সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারির জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন।
সরকারের উদ্দেশে রিফাত রশীদ বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের অর্জন ধরে রাখতে এবং বিপ্লবীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নিতে হবে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবিগুলো হলো–
১. নিঃশর্ত মুক্তি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: মাহাদী, সুরভীকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি ওমর ফারুকসহ যেসব পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তা তাদের হেনস্তায় জড়িত, তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. দায়মুক্তি অধ্যাদেশ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি প্রদান করতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।
৩. কর্মকর্তাদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষা: জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীসহ সামরিক, আধা-সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের সব কর্মকর্তা, সৈনিক ও কর্মচারীদের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে। তাদের যথাযথ সম্মাননা, স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে তাদের হয়রানি বন্ধে একটি স্থায়ী কমিশন গঠন করতে হবে। এছাড়া, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্যাসিবাদের রোষানলে পড়ে সশস্ত্র বাহিনীতে পদোন্নতি বঞ্চিত অফিসারদের দ্রুত পদোন্নতি এবং গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল পদগুলোতে পদায়ন করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি দায়মুক্তি, গ্রেপ্তারদের নিঃশর্ত মুক্তি, অভ্যুত্থানে সহায়তাকারী সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাদের সুরক্ষাসহ তিন দাবি জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন সংগঠনের আহ্বায়ক রিফাত রশীদ। তিনি জুলাইয়ে আন্দোলন চলাকালীন সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারির জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন।
সরকারের উদ্দেশে রিফাত রশীদ বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের অর্জন ধরে রাখতে এবং বিপ্লবীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে দাবিগুলো অবিলম্বে মেনে নিতে হবে।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবিগুলো হলো–
১. নিঃশর্ত মুক্তি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা: মাহাদী, সুরভীকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। পাশাপাশি ওমর ফারুকসহ যেসব পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তা তাদের হেনস্তায় জড়িত, তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
২. দায়মুক্তি অধ্যাদেশ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার ১ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত সব কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি প্রদান করতে হবে। এ লক্ষ্যে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।
৩. কর্মকর্তাদের স্বীকৃতি ও সুরক্ষা: জুলাই বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীসহ সামরিক, আধা-সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের সব কর্মকর্তা, সৈনিক ও কর্মচারীদের ইতিহাস লিপিবদ্ধ করতে হবে। তাদের যথাযথ সম্মাননা, স্বীকৃতি ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে কর্মক্ষেত্রে তাদের হয়রানি বন্ধে একটি স্থায়ী কমিশন গঠন করতে হবে। এছাড়া, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ফ্যাসিবাদের রোষানলে পড়ে সশস্ত্র বাহিনীতে পদোন্নতি বঞ্চিত অফিসারদের দ্রুত পদোন্নতি এবং গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল পদগুলোতে পদায়ন করতে হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে