স্ট্রিম প্রতিবেদক
নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগ দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) দলটির উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও দপ্তর সমন্বয়ক শাকিল উজ্জামান স্ট্রিমের সঙ্গে আলাপকালে এই দাবি করেন।
তিনি বলেন, `গতকাল রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব হাসপাতালে নুরুল হক নুরকে দেখতে এসেছিলেন। প্রেসসচিব বলেছেন, “সরকারের পক্ষ থেকে হামলার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।“‘
এই হামলার পেছনে সরকারের যোগসূত্র দেখছেন শাকিল উজ্জামান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কথা হচ্ছে সরকার কী করলো। সরকারের অবশ্যই যোগসূত্র আছে। নাহলে কীভাবে হামলা হলো, এখানে গোয়েন্দা সংস্থা ব্যর্থ। এমন গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে রাষ্ট্র চলতে পারে না।’
শাকিল উজ্জামান বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চাই। তিনি দায়িত্বে থাকার পরেও এমন একটা হামলা হলো। আমরা এখনও এ ব্যাপারে উনার (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) কোনো বক্তব্য-বিবৃতি পাইনি। তাঁর মদদ ছাড়া বা কনসার্ন ছাড়া এরকম হামলা হতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়েছে। জাতীয় পার্টির মাধ্যমে যারা আওয়ামী লীগকে ব্যাক করাতে (ফেরাতে) চায় তারা হামলা ঘটিয়েছে, যেহেতু আমরা জাতীয় পার্টির বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছি।’
উল্লেখ্য, রাজধানীর কাকরাইলে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপা কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় ওই সংঘর্ষ হয়। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
গতকাল রাতে হামলার পর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন জানিয়েছিলেন, জাতীয় পার্টির হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৯টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে নুরুল হক নুরসহ নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।
হামলায় নুর মাথা, নাক ও চোখে আঘাত পেয়েছেন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। সকালে তাঁর জ্ঞান ফিরেছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, নুরের চিকিৎসার জন্য উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তবে ৪৮ ঘণ্টার আগে তিনি আশঙ্কামুক্ত, সেটি বলা যাচ্ছে না।
এদিকে, গতকাল রাতের সংঘর্ষের ঘটনায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে অনুরোধ জানান। তবে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতা-কর্মী তা উপেক্ষা করে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালান এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বাড়ান। তাঁরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালান।
জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচজন সদস্য আহত হন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর পদত্যাগ দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা।
আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) দলটির উচ্চতর পরিষদের সদস্য ও দপ্তর সমন্বয়ক শাকিল উজ্জামান স্ট্রিমের সঙ্গে আলাপকালে এই দাবি করেন।
তিনি বলেন, `গতকাল রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব হাসপাতালে নুরুল হক নুরকে দেখতে এসেছিলেন। প্রেসসচিব বলেছেন, “সরকারের পক্ষ থেকে হামলার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।“‘
এই হামলার পেছনে সরকারের যোগসূত্র দেখছেন শাকিল উজ্জামান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কথা হচ্ছে সরকার কী করলো। সরকারের অবশ্যই যোগসূত্র আছে। নাহলে কীভাবে হামলা হলো, এখানে গোয়েন্দা সংস্থা ব্যর্থ। এমন গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে রাষ্ট্র চলতে পারে না।’
শাকিল উজ্জামান বলেন, ‘আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ চাই। তিনি দায়িত্বে থাকার পরেও এমন একটা হামলা হলো। আমরা এখনও এ ব্যাপারে উনার (স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা) কোনো বক্তব্য-বিবৃতি পাইনি। তাঁর মদদ ছাড়া বা কনসার্ন ছাড়া এরকম হামলা হতে পারে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়েছে। জাতীয় পার্টির মাধ্যমে যারা আওয়ামী লীগকে ব্যাক করাতে (ফেরাতে) চায় তারা হামলা ঘটিয়েছে, যেহেতু আমরা জাতীয় পার্টির বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছি।’
উল্লেখ্য, রাজধানীর কাকরাইলে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টি (জাপা) ও গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। জাপা কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় ওই সংঘর্ষ হয়। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লাঠিপেটায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
গতকাল রাতে হামলার পর গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন জানিয়েছিলেন, জাতীয় পার্টির হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৯টার দিকে গণঅধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে নুরুল হক নুরসহ নেতা-কর্মীরা সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তখন পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে নুরসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন।
হামলায় নুর মাথা, নাক ও চোখে আঘাত পেয়েছেন। তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। সকালে তাঁর জ্ঞান ফিরেছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, নুরের চিকিৎসার জন্য উচ্চপর্যায়ের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তবে ৪৮ ঘণ্টার আগে তিনি আশঙ্কামুক্ত, সেটি বলা যাচ্ছে না।
এদিকে, গতকাল রাতের সংঘর্ষের ঘটনায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে অনুরোধ জানান। তবে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতা-কর্মী তা উপেক্ষা করে মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করেন। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালান এবং আনুমানিক রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিলের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বাড়ান। তাঁরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা চালান।
জননিরাপত্তা রক্ষার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচজন সদস্য আহত হন বলে জানিয়েছে আইএসপিআর।
রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। গণঅধিকার পরিষদের নেতা ফারুক ও রাশেদ খাঁনের গতকাল শুক্রবার নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। মিছিল শেষ হওয়ার পরপরই একদল লোক জাতীয় পার্টির অফিসে হামলার চেষ্টা চালান।
৩৪ মিনিট আগেগণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে (জাপা) নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগেআগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে সরকার। আজ শনিবার অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করছে যে আগামী জাতীয় নির্বাচন যথাসময়ে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই অনুষ্ঠিত হবে।
১ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ) নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, শ্রম আইন সংশোধনের প্রস্তাব কার্যকর করার ক্ষেত্রে সামাজিক সংলাপ ছাড়া এগোনো হলে তা শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় ব্যর্থ হতে পারে এবং দেশের শিল্পখাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে