স্ট্রিম সংবাদদাতা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৫৫৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮০টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৮৩টি সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৯ এর ক্যাম্প কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিপিসি শ্রীমঙ্গল র্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অস্ত্র উদ্ধার, শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার এবং সম্ভাব্য নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসব অভিযানের ফলে মৌলভীবাজার জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যান্য জেলার তুলনায় সন্তোষজনক।’
তিনি বলেন, ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলার সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘মৌলভীবাজার জেলায় মোট চারটি সংসদীয় আসন রয়েছে। প্রতিটি আসনে দুটি করে টহল দল দায়িত্ব পালন করছে। সে হিসাবে সর্বমোট আটটি টহল দল সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি আসনে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা টিম মাঠে কাজ করছে।’
তিনি জানান, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।
সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘মৌলভীবাজারে নির্বাচনী পরিবেশ সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে। আমরা সবাইকে আহ্বান জানাই, আপনারা আপনাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। আমরা সম্মিলিতভাবে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।’

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৫৫৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৬৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮০টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১৮৩টি সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৯ এর ক্যাম্প কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফুর রহমান।
আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিপিসি শ্রীমঙ্গল র্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। অস্ত্র উদ্ধার, শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার এবং সম্ভাব্য নাশকতাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এসব অভিযানের ফলে মৌলভীবাজার জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অন্যান্য জেলার তুলনায় সন্তোষজনক।’
তিনি বলেন, ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি নজরদারি রাখা হয়েছে। এছাড়া জেলার সব ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
র্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘মৌলভীবাজার জেলায় মোট চারটি সংসদীয় আসন রয়েছে। প্রতিটি আসনে দুটি করে টহল দল দায়িত্ব পালন করছে। সে হিসাবে সর্বমোট আটটি টহল দল সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি আসনে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা টিম মাঠে কাজ করছে।’
তিনি জানান, জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে।
সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে মো. আরিফুর রহমান বলেন, ‘মৌলভীবাজারে নির্বাচনী পরিবেশ সম্পূর্ণ অনুকূলে রয়েছে। আমরা সবাইকে আহ্বান জানাই, আপনারা আপনাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করতে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে আসুন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। আমরা সম্মিলিতভাবে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে