স্ট্রিম প্রতিবেদক

পর্যালোচনা ও মতামতের ‘জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা ২০২৬-২০৩০’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। নীতিমালায় আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার এআই হাব বা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে খসড়াটি উন্মুক্ত করা হয়ে। মতামত দেওয়ার জন্য [https://aipolicy.gov.bd/feedback] ঠিকানাও দেওয়া হয়েছে।
খসড়া নীতিমালায় এআই-এর নৈতিক ব্যবহার, ডেটা সার্বভৌমত্ব এবং জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই নীতিমালা কার্যকর থাকবে এবং এর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে একটি স্বাধীন তদারকি কমিটি গঠন করা হবে।
খসড়া নীতিমালায় এআই ব্যবহারকে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে: নিষিদ্ধ, উচ্চ ঝুঁকি, সীমিত ঝুঁকি এবং স্বল্প ঝুঁকি। এতে স্পষ্ট কিছু ‘রেড লাইন’ বা সীমারেখা টেনে দেওয়া হয়েছে। জনগণের ওপর নজরদারি চালানোর জন্য ‘সোশ্যাল স্কোরিং’, অনুমতি ছাড়া প্রকাশ্যে বায়োমেট্রিক বা ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে এমন এআই ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ডেটা তাদের অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সংগ্রহ করা যাবে না এবং এআই প্রশিক্ষণে শিশুদের ডেটা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব অর্জনের লক্ষ্যে সরকার নিজস্ব ‘বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি নথিপত্র বিশ্লেষণ, সেবা প্রদান এবং চ্যাটবটের মাধ্যমে নাগরিক সেবা সহজ করা যাবে।
এআই খাতে গবেষণা ও স্টার্টআপগুলোকে উৎসাহিত করতে সরকার ২০২৬-২০৩০ মেয়াদে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকার একটি ‘এআই ইনোভেশন ফান্ড’ গঠনের প্রস্তাব করেছে। এই তহবিল স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষকদের কাটিং-এজ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহায়তা করবে। আইসিটি বিভাগের অধীনে একটি ‘প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন সেল’ গঠন করা হবে, যারা এআই স্যান্ডবক্স প্রোগ্রাম এবং পাইলট প্রকল্পগুলো পরিচালনা করবে।
নীতিমালায় স্বীকার করা হয়েছে যে এআই-এর ব্যাপক প্রসারে তৈরি পোশাক খাতসহ বিভিন্ন সেক্টরে কর্মসংস্থানে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আইএলওর তথ্যানুযায়ী, ২০৪১ সালের মধ্যে এশিয়ার অনেক দেশে নিম্ন-দক্ষতার চাকরির বড় একটি অংশ অটোমেশনের ঝুঁকিতে পড়বে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ‘গিগ ইকোনমি’ কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এআই সাক্ষরতা কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছে।
এছাড়া পাশাপাশি কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহার করে সেবার মান বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেমন—কৃষিতে সঠিক আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং স্বাস্থ্যে দ্রুত রোগ নির্ণয়ে এআই-এর ব্যবহার।
এআই ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ভিডিও বা ‘ডিপফেক’ এবং অনলাইনে নারীদের হয়রানি রোধে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হয়েছে নীতিমালায়। এআই দিয়ে তৈরি যেকোনো কন্টেন্টে ‘ডিজিটাল স্ট্যাম্প’ বা জলছাপ থাকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে মানুষ সহজেই আসল ও নকলের পার্থক্য বুঝতে পারে।
এই নীতিমালাকে একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দিতে ২০২৮ সালের মধ্যে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যাক্ট’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেবে আইন মন্ত্রণালয়। এআই-এর ভুল সিদ্ধান্তের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায়ভার নির্ধারণ এবং ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আইনি কাঠামোও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সরকার আশা করছে, সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব হলে এই নীতিমালা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার পথ সুগম করবে এবং বিশ্বমঞ্চে প্রযুক্তিবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। খসড়াটির ওপর ২০২৮ সালে একটি মধ্যমেয়াদী পর্যালোচনা হবে।

পর্যালোচনা ও মতামতের ‘জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা ২০২৬-২০৩০’-এর খসড়া প্রকাশ করেছে সরকার। নীতিমালায় আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার এআই হাব বা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহম্মদ জসীম উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে খসড়াটি উন্মুক্ত করা হয়ে। মতামত দেওয়ার জন্য [https://aipolicy.gov.bd/feedback] ঠিকানাও দেওয়া হয়েছে।
খসড়া নীতিমালায় এআই-এর নৈতিক ব্যবহার, ডেটা সার্বভৌমত্ব এবং জননিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই নীতিমালা কার্যকর থাকবে এবং এর বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণে একটি স্বাধীন তদারকি কমিটি গঠন করা হবে।
খসড়া নীতিমালায় এআই ব্যবহারকে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে: নিষিদ্ধ, উচ্চ ঝুঁকি, সীমিত ঝুঁকি এবং স্বল্প ঝুঁকি। এতে স্পষ্ট কিছু ‘রেড লাইন’ বা সীমারেখা টেনে দেওয়া হয়েছে। জনগণের ওপর নজরদারি চালানোর জন্য ‘সোশ্যাল স্কোরিং’, অনুমতি ছাড়া প্রকাশ্যে বায়োমেট্রিক বা ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে এমন এআই ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ডেটা তাদের অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া সংগ্রহ করা যাবে না এবং এআই প্রশিক্ষণে শিশুদের ডেটা ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব অর্জনের লক্ষ্যে সরকার নিজস্ব ‘বাংলা ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারি নথিপত্র বিশ্লেষণ, সেবা প্রদান এবং চ্যাটবটের মাধ্যমে নাগরিক সেবা সহজ করা যাবে।
এআই খাতে গবেষণা ও স্টার্টআপগুলোকে উৎসাহিত করতে সরকার ২০২৬-২০৩০ মেয়াদে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকার একটি ‘এআই ইনোভেশন ফান্ড’ গঠনের প্রস্তাব করেছে। এই তহবিল স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষকদের কাটিং-এজ প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহায়তা করবে। আইসিটি বিভাগের অধীনে একটি ‘প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন সেল’ গঠন করা হবে, যারা এআই স্যান্ডবক্স প্রোগ্রাম এবং পাইলট প্রকল্পগুলো পরিচালনা করবে।
নীতিমালায় স্বীকার করা হয়েছে যে এআই-এর ব্যাপক প্রসারে তৈরি পোশাক খাতসহ বিভিন্ন সেক্টরে কর্মসংস্থানে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আইএলওর তথ্যানুযায়ী, ২০৪১ সালের মধ্যে এশিয়ার অনেক দেশে নিম্ন-দক্ষতার চাকরির বড় একটি অংশ অটোমেশনের ঝুঁকিতে পড়বে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ‘গিগ ইকোনমি’ কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এআই সাক্ষরতা কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছে।
এছাড়া পাশাপাশি কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহার করে সেবার মান বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যেমন—কৃষিতে সঠিক আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং স্বাস্থ্যে দ্রুত রোগ নির্ণয়ে এআই-এর ব্যবহার।
এআই ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ভিডিও বা ‘ডিপফেক’ এবং অনলাইনে নারীদের হয়রানি রোধে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হয়েছে নীতিমালায়। এআই দিয়ে তৈরি যেকোনো কন্টেন্টে ‘ডিজিটাল স্ট্যাম্প’ বা জলছাপ থাকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে মানুষ সহজেই আসল ও নকলের পার্থক্য বুঝতে পারে।
এই নীতিমালাকে একটি পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দিতে ২০২৮ সালের মধ্যে ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যাক্ট’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেবে আইন মন্ত্রণালয়। এআই-এর ভুল সিদ্ধান্তের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায়ভার নির্ধারণ এবং ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আইনি কাঠামোও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সরকার আশা করছে, সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব হলে এই নীতিমালা বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার পথ সুগম করবে এবং বিশ্বমঞ্চে প্রযুক্তিবান্ধব রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। খসড়াটির ওপর ২০২৮ সালে একটি মধ্যমেয়াদী পর্যালোচনা হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে