স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের ৭০ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চায়। আর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে এই জনমত ১৯ শতাংশ। বেসরকারি সংস্থা এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের (ইএএসডি) জনমত জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ইএএসডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হায়দার তালুকদার ওই জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য মীর নাদিয়া নিভিন, ঢাকা স্ট্রিমের প্রধান সম্পাদক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি জানান, সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে সশরীর ২০ হাজার ৪৯৫ জনের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত জরিপটি করা হয়েছে।
জরিপ প্রতিবেদনের ফলাফল তুলে ধরে শামীম হায়দার জানান, আগামী নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। ১৯ শতাংশ বলেছেন তাঁরা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেবেন। ২ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এনসিপিকে ভোট দিতে চান। ৫ শতাংশ মানুষ অন্যান্য দলকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া শূন্য দশমিক ২ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, জরিপে উত্তরদাতাদের সামনে চারটি প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। কোন দল সরকার গঠন করবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৭৭ শতাংশ মানুষ বলেছেন বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। ১৭ শতাংশ মানুষ বলেছেন জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করবে। আর ১ শতাংশের বেশি মানুষ বলেছেন আগামী নির্বাচনে এনসিপি সরকার গঠন করবে।
জরিপে আগামী নির্বাচনে কে জিতবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৭৪ শতাংশ মানুষ বলেছেন বিএনপি জিতবে। ১৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন জামায়াতে ইসলামী জিতবে। আর ১ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন এনসিপি জিতবে। এছাড়া ১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ জাতীয় পার্টি জিতবে বলেও মনে করেন।
জরিপে গত নির্বাচনে কাকে ভোট দিয়েছেন বা দেওয়ার ইচ্ছা ছিল—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৩৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তাঁরা বিএনপিকে ভোট দিতে চেয়েছিলেন। ২৭ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তাঁরা আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছেন বা দিতে চেয়েছিলেন। আর ৫ শতাংশের বেশি জানিয়েছেন তাঁরা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিতে চেয়েছিলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের ৭০ শতাংশ ভোটার বিএনপিকে ভোট দিতে চায়। আর জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে এই জনমত ১৯ শতাংশ। বেসরকারি সংস্থা এমিনেন্স অ্যাসোসিয়েটস ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের (ইএএসডি) জনমত জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ইএএসডির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম হায়দার তালুকদার ওই জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন।
এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য মীর নাদিয়া নিভিন, ঢাকা স্ট্রিমের প্রধান সম্পাদক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি জানান, সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসন থেকে সশরীর ২০ হাজার ৪৯৫ জনের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। গত বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত জরিপটি করা হয়েছে।
জরিপ প্রতিবেদনের ফলাফল তুলে ধরে শামীম হায়দার জানান, আগামী নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন। ১৯ শতাংশ বলেছেন তাঁরা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেবেন। ২ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এনসিপিকে ভোট দিতে চান। ৫ শতাংশ মানুষ অন্যান্য দলকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়া শূন্য দশমিক ২ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন না বলে জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, জরিপে উত্তরদাতাদের সামনে চারটি প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। কোন দল সরকার গঠন করবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৭৭ শতাংশ মানুষ বলেছেন বিএনপি জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে। ১৭ শতাংশ মানুষ বলেছেন জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করবে। আর ১ শতাংশের বেশি মানুষ বলেছেন আগামী নির্বাচনে এনসিপি সরকার গঠন করবে।
জরিপে আগামী নির্বাচনে কে জিতবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৭৪ শতাংশ মানুষ বলেছেন বিএনপি জিতবে। ১৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন জামায়াতে ইসলামী জিতবে। আর ১ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন এনসিপি জিতবে। এছাড়া ১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ জাতীয় পার্টি জিতবে বলেও মনে করেন।
জরিপে গত নির্বাচনে কাকে ভোট দিয়েছেন বা দেওয়ার ইচ্ছা ছিল—এমন প্রশ্নের উত্তরে ৩৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তাঁরা বিএনপিকে ভোট দিতে চেয়েছিলেন। ২৭ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তাঁরা আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছেন বা দিতে চেয়েছিলেন। আর ৫ শতাংশের বেশি জানিয়েছেন তাঁরা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দিতে চেয়েছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে