জাতীয় সংসদ নির্বাচন
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা ৭০টি আপিলের শুনানি হয়েছে। আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫২টি আবেদন মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ৫১ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। একজন বৈধ প্রার্থী তাঁর প্রার্থিতা হারিয়েছেন। তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর শুনানি পিছিয়েছে, আর ১৬ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রার্থিতা হারিয়েছেন।
শনিবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন। বৈধ মনোনয়ন বাতিল হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের।
এ ছাড়া তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আপিল শুনানি এখনো মুলতবি রয়েছে। এর মধ্যে একটি আপিল আগামীকাল রোববার বিকেলে এবং বাকি দুইটির শুনানি আগামী ১৬ জানুয়ারি পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে প্রার্থিতা হারানো অন্তত দুইজন প্রার্থী জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে হাইকোর্টে আপিল করবেন।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া আপিল শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, বেগম তাহমিদা আহমদ, নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব কে. এম. আলী নেওয়াজ এবং যুগ্মসচিব (আইন) মো. রাশেদ কবির।
আপিল শুনানির সারা দিনে ছয়টি ভাগে, প্রতি ভাগ এক ঘণ্টা করে অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে জানানো হয়েছিল, দিনে মোট ৭০টি আপিল শুনানি হবে। দিনের শুরু থেকেই কমিশন তুলনামূলক নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করে। সংশোধনযোগ্য ত্রুটি বা ছোটখাটো সমস্যার ক্ষেত্রে অধিকাংশ আবেদনকারীকে ছাড় দেওয়া হয়। এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ সমর্থক যাচাইয়ে দুই একজন সমর্থক পাওয়া না গেলেও অনেক ক্ষেত্রে তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
এমনকি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভুঁইয়ার ক্ষেত্রেও প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দেখা গেছে।
তবে ঋণখেলাপি হওয়া, বিদ্যুৎ–গ্যাস–পানির বিল পরিশোধ না করা এবং ১ শতাংশ সমর্থকের ন্যূনতম প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হওয়া প্রার্থীদের আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। যদিও কৃষিঋণের ক্ষেত্রে কমিশন কিছুটা শিথিলতা দেখিয়েছে।
এদিকে দাপ্তরিক ত্রুটি—যেমন নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর না করা বা সিল না দেওয়ার কারণে প্রার্থিতা হারানো প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি ছিল। শুনানির একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ একাধিক প্রার্থীকে প্রশ্ন করেন, ‘মনোনয়নপত্রে যদি যথাস্থানে স্বাক্ষর না দেন, ২০ ও ২১ নম্বর ফরম জমা না দেন, তাহলে সংসদ সদস্য হলে সংসদের কাজ কীভাবে করবেন?’
প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থিতা ফিরে পেল জাতীয় পার্টি
জাতীয় পার্টির মনোনয়ন বাতিল হওয়া ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন ফিরিয়ে দেয়। বাকি দুইজনের আপিল খারিজ করা হয়।
আপিল খারিজ হওয়া প্রার্থীরা হলেন—ঢাকা-৩ আসনের মো. ফারুক এবং রংপুর-১ আসনের মো. মঞ্জুম আলী। ফারুকের আপিল খারিজ হয় ঋণখেলাপি ও পরিসেবা বিল পরিশোধ না করার কারণে এবং মঞ্জুম আলীর আপিল খারিজ হয় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে।
জাতীয় পার্টির আপিল সহায়তা কমিটির আহ্বায়ক ও দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানান, খারিজ হওয়া দুই প্রার্থী উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পাঁচজন প্রার্থীর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং পাঁচজনই তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পান। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের একজন, ইসলামী ঐক্যজোটের একজন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির একজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন, এবি পার্টির একজন, বাংলাদেশ জাসদের দুইজন, বাসদের দুইজন, ইনসানিয়াত বাংলাদেশের একজন, জাগপার একজন (দুই আসনে) এবং ১৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া তিনজন প্রার্থীর পুনঃশুনানি হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে করা ৭০টি আপিলের শুনানি হয়েছে। আপিল শুনানির প্রথম দিনে ৫২টি আবেদন মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ৫১ জন প্রার্থী তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। একজন বৈধ প্রার্থী তাঁর প্রার্থিতা হারিয়েছেন। তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর শুনানি পিছিয়েছে, আর ১৬ প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রার্থিতা হারিয়েছেন।
শনিবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ মনোনয়ন ফিরে পেয়েছেন। বৈধ মনোনয়ন বাতিল হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের।
এ ছাড়া তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আপিল শুনানি এখনো মুলতবি রয়েছে। এর মধ্যে একটি আপিল আগামীকাল রোববার বিকেলে এবং বাকি দুইটির শুনানি আগামী ১৬ জানুয়ারি পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এদিকে প্রার্থিতা হারানো অন্তত দুইজন প্রার্থী জানিয়েছেন, তারা এ বিষয়ে হাইকোর্টে আপিল করবেন।
সকাল ১০টায় শুরু হওয়া আপিল শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, বেগম তাহমিদা আহমদ, নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব কে. এম. আলী নেওয়াজ এবং যুগ্মসচিব (আইন) মো. রাশেদ কবির।
আপিল শুনানির সারা দিনে ছয়টি ভাগে, প্রতি ভাগ এক ঘণ্টা করে অনুষ্ঠিত হয়। শুরুতে জানানো হয়েছিল, দিনে মোট ৭০টি আপিল শুনানি হবে। দিনের শুরু থেকেই কমিশন তুলনামূলক নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করে। সংশোধনযোগ্য ত্রুটি বা ছোটখাটো সমস্যার ক্ষেত্রে অধিকাংশ আবেদনকারীকে ছাড় দেওয়া হয়। এমনকি স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংশ সমর্থক যাচাইয়ে দুই একজন সমর্থক পাওয়া না গেলেও অনেক ক্ষেত্রে তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
এমনকি নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা, গোপালগঞ্জ-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভুঁইয়ার ক্ষেত্রেও প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা দেখা গেছে।
তবে ঋণখেলাপি হওয়া, বিদ্যুৎ–গ্যাস–পানির বিল পরিশোধ না করা এবং ১ শতাংশ সমর্থকের ন্যূনতম প্রমাণ দেখাতে ব্যর্থ হওয়া প্রার্থীদের আপিল নামঞ্জুর করা হয়েছে। যদিও কৃষিঋণের ক্ষেত্রে কমিশন কিছুটা শিথিলতা দেখিয়েছে।
এদিকে দাপ্তরিক ত্রুটি—যেমন নির্ধারিত স্থানে স্বাক্ষর না করা বা সিল না দেওয়ার কারণে প্রার্থিতা হারানো প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি ছিল। শুনানির একপর্যায়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ একাধিক প্রার্থীকে প্রশ্ন করেন, ‘মনোনয়নপত্রে যদি যথাস্থানে স্বাক্ষর না দেন, ২০ ও ২১ নম্বর ফরম জমা না দেন, তাহলে সংসদ সদস্য হলে সংসদের কাজ কীভাবে করবেন?’
প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি প্রার্থিতা ফিরে পেল জাতীয় পার্টি
জাতীয় পার্টির মনোনয়ন বাতিল হওয়া ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের আপিল মঞ্জুর করে নির্বাচন কমিশন মনোনয়ন ফিরিয়ে দেয়। বাকি দুইজনের আপিল খারিজ করা হয়।
আপিল খারিজ হওয়া প্রার্থীরা হলেন—ঢাকা-৩ আসনের মো. ফারুক এবং রংপুর-১ আসনের মো. মঞ্জুম আলী। ফারুকের আপিল খারিজ হয় ঋণখেলাপি ও পরিসেবা বিল পরিশোধ না করার কারণে এবং মঞ্জুম আলীর আপিল খারিজ হয় দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকার অভিযোগে।
জাতীয় পার্টির আপিল সহায়তা কমিটির আহ্বায়ক ও দলের মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানান, খারিজ হওয়া দুই প্রার্থী উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
এদিকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পাঁচজন প্রার্থীর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং পাঁচজনই তাঁদের প্রার্থিতা ফিরে পান। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একজন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের একজন, ইসলামী ঐক্যজোটের একজন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির একজন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের তিনজন, এবি পার্টির একজন, বাংলাদেশ জাসদের দুইজন, বাসদের দুইজন, ইনসানিয়াত বাংলাদেশের একজন, জাগপার একজন (দুই আসনে) এবং ১৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া তিনজন প্রার্থীর পুনঃশুনানি হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে