স্ট্রিম প্রতিবেদক

গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আলী রীয়াজ বলেন, বিদ্যমান সংবিধান, আরপিও বা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের কোথাও বলা নেই যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা ইতিবাচক পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলতে পারবেন না। যারা প্রচারণায় আইনি বাধা আছে বলে দাবি করছে, তারা মূলত জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তরুণদের তাজা রক্তের আত্মদানকে যারা অস্বীকার করে, তারা কোন নৈতিকতার কথা বলছেন?
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে আলী রিয়াজ বলেন, এই সরকার অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ করছে। ১৯৫২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পৃথিবীতে ৪৮টি গণভোটের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা।
আলী রীয়াজ আরও বলেন, অতীতে একজনের ইচ্ছায় সংবিধান নিয়ে যে ‘ছেলেখেলা’ হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতে যে একক ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল, তা বন্ধ করতেই জুলাই সনদ ও গণভোটের আয়োজন। মানুষকে অসম্মান করা হচ্ছে এই বলে যে তারা গণভোটের বিষয় বুঝবেন না, অথচ এই সাধারণ মানুষই বড় বড় গণঅভ্যুত্থান সফল করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এই গণভোট একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার রাস্তা চিরতরে বন্ধ করতেই এই গণভোট। ধর্মসচিব মো. কামাল উদ্দিন গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচার করাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দায়িত্ব হিসেবে অভিহিত করেন।
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবীর সভাপতিত্বে সভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও গণভোট প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে সিলেট বিভাগীয় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
আলী রীয়াজ বলেন, বিদ্যমান সংবিধান, আরপিও বা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের কোথাও বলা নেই যে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা ইতিবাচক পরিবর্তনের পক্ষে কথা বলতে পারবেন না। যারা প্রচারণায় আইনি বাধা আছে বলে দাবি করছে, তারা মূলত জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তরুণদের তাজা রক্তের আত্মদানকে যারা অস্বীকার করে, তারা কোন নৈতিকতার কথা বলছেন?
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই উল্লেখ করে আলী রিয়াজ বলেন, এই সরকার অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ করছে। ১৯৫২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পৃথিবীতে ৪৮টি গণভোটের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সরকার ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছে। এটি একটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা।
আলী রীয়াজ আরও বলেন, অতীতে একজনের ইচ্ছায় সংবিধান নিয়ে যে ‘ছেলেখেলা’ হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর হাতে যে একক ক্ষমতা কুক্ষিগত ছিল, তা বন্ধ করতেই জুলাই সনদ ও গণভোটের আয়োজন। মানুষকে অসম্মান করা হচ্ছে এই বলে যে তারা গণভোটের বিষয় বুঝবেন না, অথচ এই সাধারণ মানুষই বড় বড় গণঅভ্যুত্থান সফল করেছেন। জুলাই অভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এই গণভোট একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, ফ্যাসিবাদের ফিরে আসার রাস্তা চিরতরে বন্ধ করতেই এই গণভোট। ধর্মসচিব মো. কামাল উদ্দিন গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে প্রচার করাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের দায়িত্ব হিসেবে অভিহিত করেন।
সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবীর সভাপতিত্বে সভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী, ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরীসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে