স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে কারফিউ জারি করে গণহত্যার উসকানি ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আসামিপক্ষের করা অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে সোমবার (১২ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এর মধ্য দিয়ে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় এই দুই প্রভাবশালী আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো।
সোমবার ট্রাইব্যুনালের কার্যতালিকায় মামলাটি ১১ নম্বরে ছিল। এদিন সকালেই কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানির শুরুতে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের করা অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনান।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনের কৌশল হিসেবে কারফিউ জারি করে নির্বিচারে ছাত্র-জনতা হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি ও উসকানি দেওয়ার ক্ষেত্রে এই দুই আসামির প্রত্যক্ষ দায় রয়েছে।
এর আগে ৬ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী সালমান ও আনিসুলকে নির্দোষ দাবি করে তাঁদের মামলা থেকে অব্যাহতির আর্জি জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে চিফ প্রসিকিউটরসহ প্রসিকিউশন দলের সদস্যরা দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করে অভিযোগ গঠনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিন (১২ জানুয়ারি) ধার্য রেখেছিলেন আদালত।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন এই দুই আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। সেদিনই ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সোমবার অভিযোগ গঠনের আদেশের মাধ্যমে মামলাটি এখন সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা পর্যায়ের দিকে অগ্রসর হলো।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে কারফিউ জারি করে গণহত্যার উসকানি ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আসামিপক্ষের করা অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে সোমবার (১২ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। এর মধ্য দিয়ে জুলাই-আগস্টের গণহত্যার ঘটনায় এই দুই প্রভাবশালী আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলো।
সোমবার ট্রাইব্যুনালের কার্যতালিকায় মামলাটি ১১ নম্বরে ছিল। এদিন সকালেই কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হককে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানির শুরুতে ট্রাইব্যুনাল আসামিদের করা অব্যাহতির আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনান।
প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনের কৌশল হিসেবে কারফিউ জারি করে নির্বিচারে ছাত্র-জনতা হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরি ও উসকানি দেওয়ার ক্ষেত্রে এই দুই আসামির প্রত্যক্ষ দায় রয়েছে।
এর আগে ৬ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী সালমান ও আনিসুলকে নির্দোষ দাবি করে তাঁদের মামলা থেকে অব্যাহতির আর্জি জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে চিফ প্রসিকিউটরসহ প্রসিকিউশন দলের সদস্যরা দালিলিক প্রমাণ উপস্থাপন করে অভিযোগ গঠনের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদেশের জন্য আজকের দিন (১২ জানুয়ারি) ধার্য রেখেছিলেন আদালত।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন এই দুই আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। সেদিনই ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সোমবার অভিযোগ গঠনের আদেশের মাধ্যমে মামলাটি এখন সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা পর্যায়ের দিকে অগ্রসর হলো।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে