স্ট্রিম প্রতিবেদক

আজকের পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক বিভুরঞ্জন সরকারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাতেই রমনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তাঁর পরিবার।
আজ শুক্রবার (২২ আগস্ট) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে বের হন বিভুরঞ্জন। বাসায় বলে গেছেন আজকের পত্রিকার বনশ্রীর অফিসে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি অফিসে যাননি। নিজের ব্যবহৃত মোবাইলটিও ফেলে গেছেন বাসায়। এরপর তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেনি পরিবার।
দৈনিক মাতৃভূমি, সাপ্তাহিক চলতিপত্রের সম্পাদক ছিলেন বিভুরঞ্জন সরকার। বর্তমানে তিনি দৈনিক আজকের পত্রিকায় সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন।
বিভুরঞ্জনের ভাই কলামনিস্ট চিররঞ্জন সরকার সারাদিন ভাইয়ের খোঁজ না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেইসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আমার দাদা সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অন্যান্য দিনের মতো অফিস (আজকের পত্রিকা) যাবে বলে বাসা থেকে বের হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে অফিসে যায়নি। পরিচিত পরিমণ্ডলের কোথাও যায়নি।’
চিররঞ্জন সরকার আরও লিখেন, ‘আজ কেউ তাকে দেখেনি। রাত ১টা পর্যন্ত সে বাসায় ফেরেনি। হাসপাতাল-পার্ক কোথাও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। সে আজ মোবাইলও বাসায় রেখে গেছে। রাতে রমনা থানায় জিডি করা হয়েছে। তার জন্য আমরা পরিবারের সবাই ভীষণ উদ্বেগের মধ্যে আছি।’
নিখোঁজের ঘটনায় ঢাকার রমনা থানায় জিডি করেন বিভুরঞ্জনের ছেলে ঋত সরকার।জিডিতে ঋত বলেছেন, ‘প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে অফিসে যাওয়ার জন্য রওনা করেন বাবা। কিন্তু এরপর আর বাসায় ফেরেননি।’
তিনি আরও লিখেন, ‘আমরা বাবার অফিসে (বনশ্রী) খোঁজ নিই এবং জানতে পারি যে তিনি অফিসে উপস্থিত হননি। বিষয়টি নিয়ে আমরা সম্ভাব্য সকল স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। কিন্তু কোথাও পাওয়া না গেলে থানায় এসে সাধারণ ডায়েরির আবেদন করলাম।’
এদিকে, আজকের পত্রিকা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভুরঞ্জন ৭ দিনের ছুটিতে রয়েছেন। আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘উনার বয়স একাত্তর বছর। শারীরিকভাবে বেশ দুর্বল। তাই তিনি ছুটি নিয়েছেন। গত ১৬ আগস্ট থেকে ছুটিতে রয়েছেন তিনি। আমরাও তাঁর খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন।’
তবে বিভুরঞ্জনের ছুটির বিষয়ে কিছু জানে না তাঁর পরিবার। এসব বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক স্ট্রিমকে বলেন, ‘বিভুরঞ্জনের ছেলে গতকাল রাতে একটি জিডি করেছেন। এরপর থেকেই আমরা খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেছি।’
গোলাম ফারুক বলেন, ‘উনি নিজের ফোনটা বাসায় ফেলে গেছেন। ফোনটা সঙ্গে থাকলে ভালো হতো। তাহলে আমরা লোকেশন ট্র্যাক করতে পারতাম। আপাতত আমরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজব। তাঁর অফিস এবং আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলবো। আমরা দেখবো, অফিসে বা কলিগদের সঙ্গে কোনো ঝামেলা ছিল কিনা।’

আজকের পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক বিভুরঞ্জন সরকারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাতেই রমনা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে তাঁর পরিবার।
আজ শুক্রবার (২২ আগস্ট) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে বের হন বিভুরঞ্জন। বাসায় বলে গেছেন আজকের পত্রিকার বনশ্রীর অফিসে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি অফিসে যাননি। নিজের ব্যবহৃত মোবাইলটিও ফেলে গেছেন বাসায়। এরপর তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেনি পরিবার।
দৈনিক মাতৃভূমি, সাপ্তাহিক চলতিপত্রের সম্পাদক ছিলেন বিভুরঞ্জন সরকার। বর্তমানে তিনি দৈনিক আজকের পত্রিকায় সম্পাদকীয় বিভাগে কাজ করেন।
বিভুরঞ্জনের ভাই কলামনিস্ট চিররঞ্জন সরকার সারাদিন ভাইয়ের খোঁজ না পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ফেইসবুকে একটি পোস্ট দেন। পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আমার দাদা সাংবাদিক বিভুরঞ্জন সরকার বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় অন্যান্য দিনের মতো অফিস (আজকের পত্রিকা) যাবে বলে বাসা থেকে বের হয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সে অফিসে যায়নি। পরিচিত পরিমণ্ডলের কোথাও যায়নি।’
চিররঞ্জন সরকার আরও লিখেন, ‘আজ কেউ তাকে দেখেনি। রাত ১টা পর্যন্ত সে বাসায় ফেরেনি। হাসপাতাল-পার্ক কোথাও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। সে আজ মোবাইলও বাসায় রেখে গেছে। রাতে রমনা থানায় জিডি করা হয়েছে। তার জন্য আমরা পরিবারের সবাই ভীষণ উদ্বেগের মধ্যে আছি।’
নিখোঁজের ঘটনায় ঢাকার রমনা থানায় জিডি করেন বিভুরঞ্জনের ছেলে ঋত সরকার।জিডিতে ঋত বলেছেন, ‘প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সিদ্ধেশ্বরীর বাসা থেকে অফিসে যাওয়ার জন্য রওনা করেন বাবা। কিন্তু এরপর আর বাসায় ফেরেননি।’
তিনি আরও লিখেন, ‘আমরা বাবার অফিসে (বনশ্রী) খোঁজ নিই এবং জানতে পারি যে তিনি অফিসে উপস্থিত হননি। বিষয়টি নিয়ে আমরা সম্ভাব্য সকল স্থানে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। কিন্তু কোথাও পাওয়া না গেলে থানায় এসে সাধারণ ডায়েরির আবেদন করলাম।’
এদিকে, আজকের পত্রিকা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভুরঞ্জন ৭ দিনের ছুটিতে রয়েছেন। আজকের পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক কামরুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘উনার বয়স একাত্তর বছর। শারীরিকভাবে বেশ দুর্বল। তাই তিনি ছুটি নিয়েছেন। গত ১৬ আগস্ট থেকে ছুটিতে রয়েছেন তিনি। আমরাও তাঁর খোঁজ না পেয়ে উদ্বিগ্ন।’
তবে বিভুরঞ্জনের ছুটির বিষয়ে কিছু জানে না তাঁর পরিবার। এসব বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক স্ট্রিমকে বলেন, ‘বিভুরঞ্জনের ছেলে গতকাল রাতে একটি জিডি করেছেন। এরপর থেকেই আমরা খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেছি।’
গোলাম ফারুক বলেন, ‘উনি নিজের ফোনটা বাসায় ফেলে গেছেন। ফোনটা সঙ্গে থাকলে ভালো হতো। তাহলে আমরা লোকেশন ট্র্যাক করতে পারতাম। আপাতত আমরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজব। তাঁর অফিস এবং আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গেও কথা বলবো। আমরা দেখবো, অফিসে বা কলিগদের সঙ্গে কোনো ঝামেলা ছিল কিনা।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে