জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

এই বাজেট আগের সরকারের ধারাবাহিকতা

বিদেশি ঋণ ও রাজস্ব আয়কে মাথায় রাখলে এই বাজেটের আকার আরও ছোট হওয়া উচিত ছিল। গুণগত দিক থেকে গত বাজেটের সঙ্গে এই বাজেটে কোনো পরিবর্তন নেই; শুধু সংখ্যায় সামান্য পরিবর্তন হয়েছে। কাঠামো একই রয়েছে।

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক
ঢাকা

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য বিএনপি

বর্তমানে বৈদেশিক ঋণ ৩ দশমিক ৫ বিলিয়নের মতো। আমি মনে করি, বিদেশি ঋণ ও রাজস্ব আয়কে মাথায় রাখলে এই বাজেটের আকার আরও ছোট হওয়া উচিত ছিল। গুণগত দিক থেকে গত বাজেটের সঙ্গে এই বাজেটে কোনো পরিবর্তন নেই; শুধু সংখ্যায় সামান্য পরিবর্তন হয়েছে। কাঠামো একই রয়েছে।

আমি মনে করি, কিছু সংখ্যার তারতম্য করে আগের বাজেটের নীতিই রাখা হয়েছে। গত সরকারের ধারাবাহিকতা থেকে অন্তর্বর্তী সরকার বের হতে পারেনি। রাজস্ব আয়ের ওপর ভিত্তি করে বাজেট হলে বেসরকারি খাতে টাকার সরবরাহ থাকত, বিনিয়োগ বাড়ত, সুদহার কমে আসত, বিদেশি ঋণের পরিমাণ কমে আসত এবং সুদও কম পরিশোধ করতে হতো। মৌলিক জায়গায় গলদ রয়েই গেছে।  

অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা সীমিত। কারণ তাদের একটা সীমাবদ্ধতা আছে। প্রথমত, বিগত সরকার বাজেটের আকার বাড়াতে বাড়াতে যে জায়গায় নিয়ে গেছে, সেটার সঙ্গে রাজস্ব আয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না। দ্বিতীয়ত, রাজস্ব আয়ের পুরোটাই পরিচালন ব্যয়ের মধ্যে ব্যয় হয়ে যাবে। 

Ad 300x250

সম্পর্কিত