স্ট্রিম প্রতিবেদক

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহরুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে তিনটি বিসিএসে নিয়োগ বঞ্চিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রবেশনারি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এএসপি হিসেবে যোগদান করা এসব কর্মকর্তাদের মধ্যে ২৭তম ব্যাচের ৬০ জন, ২৮তম ব্যাচের একজন ও ৪৩তম ব্যাচ থেকে রয়েছেন ৬ জন। তাদের মধ্যে ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের কর্মকর্তারা ২০০৮ সালে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’
এএসপি প্রবেশনারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাহরুল আলম বলেন, ‘আপনাদের জন্য এ মুহূর্তটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি আপনার ন্যায্য অবস্থানের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় আপনাদের দীর্ঘদিনের বৈধ অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে।’
পুলিশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে বাহিনীর সততা ও পেশাদারিত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত করতে হবে উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, সাইবার জগতে অপরাধ বাড়ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনমত গড়ে উঠছে। বর্তমান বাস্তবতায় কেবল শারীরিক শক্তি বা প্রথাগত পদ্ধতিতে পুলিশিং করলে হবে না। এখন প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, বৈশ্বিক সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত অভিযোজন সক্ষমতা।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস) মুসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহরুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখতে সক্ষম হবে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে তিনটি বিসিএসে নিয়োগ বঞ্চিত পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রবেশনারি অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এএসপি হিসেবে যোগদান করা এসব কর্মকর্তাদের মধ্যে ২৭তম ব্যাচের ৬০ জন, ২৮তম ব্যাচের একজন ও ৪৩তম ব্যাচ থেকে রয়েছেন ৬ জন। তাদের মধ্যে ২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের কর্মকর্তারা ২০০৮ সালে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মনোবল চাঙ্গা করা এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।’
এএসপি প্রবেশনারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাহরুল আলম বলেন, ‘আপনাদের জন্য এ মুহূর্তটি কেবল একটি ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি আপনার ন্যায্য অবস্থানের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিজয় আপনাদের দীর্ঘদিনের বৈধ অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে।’
পুলিশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে বাহিনীর সততা ও পেশাদারিত্ব ডিজিটাল পরিসরেও বিস্তৃত করতে হবে উল্লেখ করে পুলিশপ্রধান বলেন, সাইবার জগতে অপরাধ বাড়ছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনমত গড়ে উঠছে। বর্তমান বাস্তবতায় কেবল শারীরিক শক্তি বা প্রথাগত পদ্ধতিতে পুলিশিং করলে হবে না। এখন প্রয়োজন বুদ্ধিমত্তা, বৈশ্বিক সচেতনতা ও প্রযুক্তিগত অভিযোজন সক্ষমতা।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (অর্থ) আকরাম হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত আইজি (লজিস্টিকস) মুসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং অতিরিক্ত আইজি (ডেভেলপমেন্ট) সরদার নূরুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে