স্ট্রিম প্রতিবেদক

দেশে বড় ধরনের সহিংস অপরাধের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরে অপরাধের মাত্রা বেড়েছে বলে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন নাগরিকদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। তবে পরিসংখ্যান সংবাদমাধ্যমগুলোর এমন দাবি পুরোপুরি সমর্থন করে না।
পুলিশ সদর দপ্তরের দেওয়া সরকারি তথ্যের বরাতে প্রেস উইং জানায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত হত্যা, ধর্ষণ ও ডাকাতির মতো অপরাধের প্রবণতা মোটামুটি একই রকম আছে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে কমেছে।
পরিসংখ্যানে অপরাধ বৃদ্ধির কোনো বড় ইঙ্গিত না থাকায় বিবৃতিতে জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হলেও আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গত পাঁচ বছর এবং গত ১০ মাসের অপরাধ নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান দুটি টেবিল আকারে তুলে ধরে প্রেস উইং জানিয়েছে, গত ১০ মাসে বড় ধরনের অপরাধের প্রবণতা স্থিতিশীল রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত অপরাধ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে যেখানে হত্যার সংখ্যা ছিল ৫৮৩, সেখানে ২০২৫ সালের জুনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪৪-এ।
তবে সেপ্টেম্বরে ৩৯০টি ধর্ষণের মামলা জুনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯২-এ।
তবে চুরি ও ডাকাতির মতো অপরাধগুলোতে মাসভিত্তিক বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং একটি স্থিতিশীল অবস্থা বজায় আছে।
পরিসংখ্যান মতে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মোট মামলা হয়েছে ১২ হাজার ৫৪৫টি। চলতি বছরের জুন মাসে মোট মামলার পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার ১৬৭টি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পারিবারিক সহিংসতা ও পণের দাবিকে কেন্দ্র করে করা অভিযোগ কিছুটা বেড়েছে। তবে তা ব্যাপক বৃদ্ধির কোন সংকেত দিচ্ছে না।

দেশে বড় ধরনের সহিংস অপরাধের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। গতকাল সোমবার (১৪ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরে অপরাধের মাত্রা বেড়েছে বলে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন নাগরিকদের মধ্যে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করছে। তবে পরিসংখ্যান সংবাদমাধ্যমগুলোর এমন দাবি পুরোপুরি সমর্থন করে না।
পুলিশ সদর দপ্তরের দেওয়া সরকারি তথ্যের বরাতে প্রেস উইং জানায়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত হত্যা, ধর্ষণ ও ডাকাতির মতো অপরাধের প্রবণতা মোটামুটি একই রকম আছে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে কমেছে।
পরিসংখ্যানে অপরাধ বৃদ্ধির কোনো বড় ইঙ্গিত না থাকায় বিবৃতিতে জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হলেও আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
গত পাঁচ বছর এবং গত ১০ মাসের অপরাধ নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যান দুটি টেবিল আকারে তুলে ধরে প্রেস উইং জানিয়েছে, গত ১০ মাসে বড় ধরনের অপরাধের প্রবণতা স্থিতিশীল রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত অপরাধ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে যেখানে হত্যার সংখ্যা ছিল ৫৮৩, সেখানে ২০২৫ সালের জুনে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪৪-এ।
তবে সেপ্টেম্বরে ৩৯০টি ধর্ষণের মামলা জুনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৯২-এ।
তবে চুরি ও ডাকাতির মতো অপরাধগুলোতে মাসভিত্তিক বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি, বরং একটি স্থিতিশীল অবস্থা বজায় আছে।
পরিসংখ্যান মতে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে মোট মামলা হয়েছে ১২ হাজার ৫৪৫টি। চলতি বছরের জুন মাসে মোট মামলার পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১৫ হাজার ১৬৭টি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পারিবারিক সহিংসতা ও পণের দাবিকে কেন্দ্র করে করা অভিযোগ কিছুটা বেড়েছে। তবে তা ব্যাপক বৃদ্ধির কোন সংকেত দিচ্ছে না।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে