স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপি যেকোনো সময় ‘জুলাই সনদে’ সই করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ হাতে পাওয়ার পরেই, ৩০ জুলাই আমরা কিছু সংশোধনীসহ লিখিতভাবে আমাদের জবাব দিয়েছি। বিএনপি এই সনদ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছে।’
বিগত কয়েক সপ্তাহে সনদ কার্যকারণের ধারা নিয়ে যে ধরনের সন্দেহ ও প্রশ্ন উঠেছে, সেসবের জবাবে সালাহ উদ্দিন স্পষ্ট ভাষায় জানান, ‘অনেকে বলছেন, বিএনপি নিশ্চয়তা না পেলে সই করবে না। এটি সঠিক নয়। বিএনপি শুরু থেকেই গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সহযোগিতা করেছে এবং এখনো করে যাচ্ছে।’
ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য বজায় রাখতে এখন সর্বোচ্চ সংহতি ও দূরদৃষ্টি প্রয়োজন বলেও মনে করেন সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, ‘যারা রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতা থেকে নানা মন্তব্য করছেন, তাদের কথাগুলোকেও আমরা গুরুত্বসহকারে আলোচনার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে চাই। তবে একই সঙ্গে এটাও দেখতে হবে, এসব মন্তব্য বা প্রস্তাব নির্বাচন পেছানোর কৌশল কি না।’
সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, বিএনপি ‘ঐকমত্য কমিশন’-এ আলোচিত ১৯টি মৌলিক বিষয়ের মধ্যে ১২টিতে একমত হয়েছে এবং ৭টিতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে। বিশেষ করে, ২৬ মার্চকে প্রস্তাবে উপস্থাপন না করা এবং চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের সঙ্গে বিএনপি দ্বিমত পোষণ করে। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়গুলো নিয়ে আমরা ফেব্রুয়ারিতেই আমাদের অবস্থান জানিয়েছি।’
সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে সরাসরি আইন প্রণয়ন ছাড়া বিকল্প পথ খোঁজার চেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংসদ ছাড়া কোনো আইনি বৈধ প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করা যায় না—এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন। এমন কোনো পন্থা গ্রহণ করা উচিত নয় যা আইনগত ও সাংবিধানিকভাবে দুর্বল।’
বিএনপিকে এখনো ৫ আগস্টের ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। ‘মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠানের দাওয়াত আমরা এখনো পাইনি,’ বলেন সালাহ উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি জানান, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ববাহী দলিল। আমরা চাই এর যথার্থ বাস্তবায়ন হোক এবং সেটি হোক সকল অংশগ্রহণকারী পক্ষের সম্মতিতেই।’
আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ ও পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতারা। এতে সারা দেশ থেকে ছাত্র-জনতার আগমন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের উপস্থিতির প্রস্তুতি চলছে।

বিএনপি যেকোনো সময় ‘জুলাই সনদে’ সই করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ।
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ হাতে পাওয়ার পরেই, ৩০ জুলাই আমরা কিছু সংশোধনীসহ লিখিতভাবে আমাদের জবাব দিয়েছি। বিএনপি এই সনদ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে যাচ্ছে।’
বিগত কয়েক সপ্তাহে সনদ কার্যকারণের ধারা নিয়ে যে ধরনের সন্দেহ ও প্রশ্ন উঠেছে, সেসবের জবাবে সালাহ উদ্দিন স্পষ্ট ভাষায় জানান, ‘অনেকে বলছেন, বিএনপি নিশ্চয়তা না পেলে সই করবে না। এটি সঠিক নয়। বিএনপি শুরু থেকেই গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সহযোগিতা করেছে এবং এখনো করে যাচ্ছে।’
ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য বজায় রাখতে এখন সর্বোচ্চ সংহতি ও দূরদৃষ্টি প্রয়োজন বলেও মনে করেন সালাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি আরও বলেন, ‘যারা রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতা থেকে নানা মন্তব্য করছেন, তাদের কথাগুলোকেও আমরা গুরুত্বসহকারে আলোচনার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে চাই। তবে একই সঙ্গে এটাও দেখতে হবে, এসব মন্তব্য বা প্রস্তাব নির্বাচন পেছানোর কৌশল কি না।’
সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, বিএনপি ‘ঐকমত্য কমিশন’-এ আলোচিত ১৯টি মৌলিক বিষয়ের মধ্যে ১২টিতে একমত হয়েছে এবং ৭টিতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছে। বিশেষ করে, ২৬ মার্চকে প্রস্তাবে উপস্থাপন না করা এবং চতুর্থ তফসিলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাবের সঙ্গে বিএনপি দ্বিমত পোষণ করে। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়গুলো নিয়ে আমরা ফেব্রুয়ারিতেই আমাদের অবস্থান জানিয়েছি।’
সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে সরাসরি আইন প্রণয়ন ছাড়া বিকল্প পথ খোঁজার চেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সংসদ ছাড়া কোনো আইনি বৈধ প্রক্রিয়ায় সংবিধান সংশোধন করা যায় না—এটি একটি মৌলিক প্রশ্ন। এমন কোনো পন্থা গ্রহণ করা উচিত নয় যা আইনগত ও সাংবিধানিকভাবে দুর্বল।’
বিএনপিকে এখনো ৫ আগস্টের ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। ‘মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠানের দাওয়াত আমরা এখনো পাইনি,’ বলেন সালাহ উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি জানান, ‘জুলাই ঘোষণাপত্র একটি ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক গুরুত্ববাহী দলিল। আমরা চাই এর যথার্থ বাস্তবায়ন হোক এবং সেটি হোক সকল অংশগ্রহণকারী পক্ষের সম্মতিতেই।’
আগামীকাল মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ ও পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে অন্তর্বর্তী সরকারের নেতারা। এতে সারা দেশ থেকে ছাত্র-জনতার আগমন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের উপস্থিতির প্রস্তুতি চলছে।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে