স্ট্রিম প্রতিবেদক

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে কম-বেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের ২৯৭ আসনের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের সনসদ সদস্যদের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে হবে। এই তিন দিনের সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৪, ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হতে পারে। কারণ, কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।
শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ প্রদান করবেন। এরপরে একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে শপথ অনুষ্ঠান হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, 'আমরা আশা করছি তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।'
শপথের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।'
সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটি সংসদ সচিবালয়ের দেখাশোনার বিষয়।
আপনি জানতে পেরেছেন কী—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যা জানি তা ইনফরমাল, সে জন্য এখন বলছি না। এখানে নানা রকম অপশন রয়েছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ দিতে পারেন। যদি তারা কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।
প্রাথমিকভাবে অতিথিদের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার অতিথি শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন।

নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পড়াবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিই শপথ পড়াবেন।
নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে কম-বেশি এক হাজার অতিথিকে দাওয়াত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের ২৯৭ আসনের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের সনসদ সদস্যদের মধ্যে শপথ গ্রহণ করতে হবে। এই তিন দিনের সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে ১৪, ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হতে পারে। কারণ, কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।
শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, শপথ গ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে জানাবেন যে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ প্রদান করবেন। এরপরে একটি সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে শপথ অনুষ্ঠান হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, 'আমরা আশা করছি তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হবে।'
শপথের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।'
সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন—এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, এটি সংসদ সচিবালয়ের দেখাশোনার বিষয়।
আপনি জানতে পেরেছেন কী—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি যা জানি তা ইনফরমাল, সে জন্য এখন বলছি না। এখানে নানা রকম অপশন রয়েছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ শপথ দিতে পারেন। যদি তারা কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।
প্রাথমিকভাবে অতিথিদের সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রায় এক হাজার অতিথি শপথ অনুষ্ঠানে থাকবেন।

ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যার অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে নতুন সরকার। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ এই তথ্য জানান।
২ ঘণ্টা আগে
সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জওয়ান বা কর্মকর্তাদের মন থেকে মানুষ হত্যার মনস্তাত্ত্বিক বাধা দূর করা হয় এবং এই প্রক্রিয়ার বাইরে তিনিও ছিলেন না— আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জেরার মুখে এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভূঁইয়া।
২ ঘণ্টা আগে
দৈনিক প্রথম আলোর আগুনে পোড়ানার ভবনে শুরু হয়েছে ব্যতিক্রমী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ‘আলো’। শিল্পী মাহ্বুবুর রহমান এই শিল্পকর্ম সৃষ্টি করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে