স্ট্রিম ডেস্ক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, ‘দেশে যখনই ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের আন্দোলন হয়েছে, তখনই তরুণরা সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।’
আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘ষষ্ঠ জেসাপ কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘মহান জুলাই অভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি। তবে এটি নতুন নয়; আমাদের তরুণরা সবসময়ই দেশে ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিল। এখানে সমবেত হয়ে তারা প্রমাণ করেছে যে কেবল অধিকার আদায়ে রাজপথে নয়, বরং আদালত কক্ষে এবং বিশ্বমঞ্চে ন্যায়বিচারের পক্ষে ওকালতি করতেও তারা সক্ষম।’
ফিলিপ সি জেসাপ আন্তর্জাতিক আইন মুট কোর্ট প্রতিযোগিতাকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ল মুট কোর্টের বিশ্বকাপ’ হিসেবে অভিহিত করেন ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘এ বছর ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় এই অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন শেখা এবং বিতর্কের জন্য এটি আমাদের জাতীয় আবেগের প্রতিফলন। জেসাপ বাংলাদেশ এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম জেসাপ যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিযোগিতা। এই অর্জন আমাদের শিক্ষার্থী, কোচ ও আয়োজকদের নিষ্ঠার প্রমাণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেসাপ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়। এটি কঠোর গবেষণা দক্ষতা, স্পষ্ট লেখা, প্ররোচনামূলক অ্যাডভোকেসি এবং কার্যকর দলবদ্ধতা তৈরি করে।’ এই কর্মশালা তরুণদের দক্ষতা আরও তীক্ষ্ণ করবে এবং আইনের শাসনের প্রতি তাদের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের আবাসিক আইন উপদেষ্টা সেরা সেথলিকাই, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভ ডাওল্যান্ড, স্কুল অব ল-এর সহকারী অধ্যাপক মো. মোস্তফা হোসেন, আন্তর্জাতিক আইন ছাত্র সমিতির (আইএলএসএ) জাতীয় সমন্বয়কারী নূরান চৌধুরী, হার্থ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক পরব নাসের সিদ্দিক এবং জেসাপ বাংলাদেশের জাতীয় প্রশাসক মাইমুনা সৈয়দ আহমেদ।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে), অফিস অব ওভারসিজ প্রসিকিউটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড ট্রেনিং (ওপড্যাট), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং হার্থ বাংলাদেশের সহযোগিতায় জেসাপ বাংলাদেশ এই দুদিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করেছে। এর শিরোনাম—‘মে ইট প্লিজ দ্য কোর্ট: দ্য কেস কনসার্নিং দ্য ক্রাফট অফ জেসাপ অ্যাডভোকেসি’।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, ‘দেশে যখনই ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের আন্দোলন হয়েছে, তখনই তরুণরা সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।’
আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘ষষ্ঠ জেসাপ কর্মশালা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘মহান জুলাই অভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, তা গর্বের সঙ্গে স্মরণ করছি। তবে এটি নতুন নয়; আমাদের তরুণরা সবসময়ই দেশে ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের আন্দোলনের অগ্রভাগে ছিল। এখানে সমবেত হয়ে তারা প্রমাণ করেছে যে কেবল অধিকার আদায়ে রাজপথে নয়, বরং আদালত কক্ষে এবং বিশ্বমঞ্চে ন্যায়বিচারের পক্ষে ওকালতি করতেও তারা সক্ষম।’
ফিলিপ সি জেসাপ আন্তর্জাতিক আইন মুট কোর্ট প্রতিযোগিতাকে ‘ইন্টারন্যাশনাল ল মুট কোর্টের বিশ্বকাপ’ হিসেবে অভিহিত করেন ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, ‘এ বছর ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় এই অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন শেখা এবং বিতর্কের জন্য এটি আমাদের জাতীয় আবেগের প্রতিফলন। জেসাপ বাংলাদেশ এখন বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম জেসাপ যোগ্যতা অর্জনকারী প্রতিযোগিতা। এই অর্জন আমাদের শিক্ষার্থী, কোচ ও আয়োজকদের নিষ্ঠার প্রমাণ।’
তিনি আরও বলেন, ‘জেসাপ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়। এটি কঠোর গবেষণা দক্ষতা, স্পষ্ট লেখা, প্ররোচনামূলক অ্যাডভোকেসি এবং কার্যকর দলবদ্ধতা তৈরি করে।’ এই কর্মশালা তরুণদের দক্ষতা আরও তীক্ষ্ণ করবে এবং আইনের শাসনের প্রতি তাদের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের আবাসিক আইন উপদেষ্টা সেরা সেথলিকাই, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. ডেভ ডাওল্যান্ড, স্কুল অব ল-এর সহকারী অধ্যাপক মো. মোস্তফা হোসেন, আন্তর্জাতিক আইন ছাত্র সমিতির (আইএলএসএ) জাতীয় সমন্বয়কারী নূরান চৌধুরী, হার্থ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক পরব নাসের সিদ্দিক এবং জেসাপ বাংলাদেশের জাতীয় প্রশাসক মাইমুনা সৈয়দ আহমেদ।
যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে), অফিস অব ওভারসিজ প্রসিকিউটরিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড ট্রেনিং (ওপড্যাট), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং হার্থ বাংলাদেশের সহযোগিতায় জেসাপ বাংলাদেশ এই দুদিনব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করেছে। এর শিরোনাম—‘মে ইট প্লিজ দ্য কোর্ট: দ্য কেস কনসার্নিং দ্য ক্রাফট অফ জেসাপ অ্যাডভোকেসি’।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে