স্ট্রিম প্রতিবেদক

কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ (আইন) করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনও করা হচ্ছে।
এদিকে, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়ায় বলা হয়েছে, শারীরিক, মৌখিক, অমৌখিক (ইঙ্গিতপূর্ণ), ডিজিটাল ও অনলাইনে করা আচরণসহ জেন্ডারভিত্তিক সব অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপমানজনক কার্যকলাপ যৌন হয়রানি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ ও প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠকে ছয়টি অধ্যাদেশ, তিনটি প্রস্তাব এবং একটি নীতি আদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ- ২০২৬, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ- ২০২৬, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ- ২০২৬, বাংলাদেশ প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য সঙ্গনিরোধ অধ্যাদেশ- ২০২৬, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ- ২০২৬ এবং কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ- ২০২৬।
কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়ায় যৌন হয়রানির বিস্তৃত সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যেখানে শারীরিক, মৌখিক, অমৌখিক (ইঙ্গিতপূর্ণ), ডিজিটাল ও অনলাইনে করা আচরণসহ জেন্ডারভিত্তিক সব অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপমানজনক কার্যকলাপ যৌন হয়রানি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই–মেইল, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত হয়রানিকেও এর আওতায় আনা হয়েছে।
খসড়ায় অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটি অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত; তদন্তকালে সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং উপযুক্ত শাস্তির সুপারিশ করতে পারবে।
অভিযোগকারীর নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও মর্যাদা রক্ষায় অধ্যাদেশটি ‘সার্ভাইভারকেন্দ্রিক পদ্ধতি’ গ্রহণ করেছে। অভিযোগের কারণে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক আচরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে সুবিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা নিরুৎসাহিত না হন।
অধ্যাদেশের খসড়ায় অসংগঠিত, যেখানে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি গঠন সম্ভব নয়, সেখানে স্থানীয় অভিযোগ কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এই কমিটি গঠিত হবে, যাতে নাগরিকেরা অভিযোগ জানানোর কার্যকর সুযোগ পান।
অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন, কাউন্সেলিং, আইনি সহায়তা ও সচেতনতা কার্যক্রমের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়ায় শারীরিক নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন, যৌন আচরণ বা নির্যাতন ও আর্থিক নির্যাতনকে পারিবারিক সহিংসতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই খসড়ায় ৭টি অধ্যায় ও ৩৩টি ধারা রয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, অধ্যাদেশে আশ্রয়কেন্দ্র, চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা, আইনত এবং জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্যাতনকারী ব্যক্তির সঙ্গে যাতে যোগাযোগ বা ঘনিষ্টতা সীমিত করা যায় সেজন্য এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আদালত অভিযোগের ভিত্তিতে অস্থায়ী সুরক্ষা আদেশে দিতে পারবে এবং তদন্ত শেষে স্থায়ী আদেশ জারি করা যাবে।
নির্ধারিত ফরমে অভিযোগ গ্রহণের পর ৭ দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করতে হবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা করতে হবে।

কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ (আইন) করতে যাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনও করা হচ্ছে।
এদিকে, কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়ায় বলা হয়েছে, শারীরিক, মৌখিক, অমৌখিক (ইঙ্গিতপূর্ণ), ডিজিটাল ও অনলাইনে করা আচরণসহ জেন্ডারভিত্তিক সব অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপমানজনক কার্যকলাপ যৌন হয়রানি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ ও প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে বৈঠকে ছয়টি অধ্যাদেশ, তিনটি প্রস্তাব এবং একটি নীতি আদেশের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ- ২০২৬, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ- ২০২৬, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ- ২০২৬, বাংলাদেশ প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য সঙ্গনিরোধ অধ্যাদেশ- ২০২৬, নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ- ২০২৬ এবং কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ- ২০২৬।
কর্মক্ষেত্রে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়ায় যৌন হয়রানির বিস্তৃত সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। যেখানে শারীরিক, মৌখিক, অমৌখিক (ইঙ্গিতপূর্ণ), ডিজিটাল ও অনলাইনে করা আচরণসহ জেন্ডারভিত্তিক সব অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপমানজনক কার্যকলাপ যৌন হয়রানি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই–মেইল, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম ও অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত হয়রানিকেও এর আওতায় আনা হয়েছে।
খসড়ায় অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই কমিটি গঠন করতে হবে। কমিটি অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত; তদন্তকালে সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং উপযুক্ত শাস্তির সুপারিশ করতে পারবে।
অভিযোগকারীর নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও মর্যাদা রক্ষায় অধ্যাদেশটি ‘সার্ভাইভারকেন্দ্রিক পদ্ধতি’ গ্রহণ করেছে। অভিযোগের কারণে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক আচরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে সুবিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা নিরুৎসাহিত না হন।
অধ্যাদেশের খসড়ায় অসংগঠিত, যেখানে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি গঠন সম্ভব নয়, সেখানে স্থানীয় অভিযোগ কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এই কমিটি গঠিত হবে, যাতে নাগরিকেরা অভিযোগ জানানোর কার্যকর সুযোগ পান।
অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য জাতীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশনা হয়েছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন, কাউন্সেলিং, আইনি সহায়তা ও সচেতনতা কার্যক্রমের জন্য একটি বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়ায় শারীরিক নির্যাতন, মানসিক নির্যাতন, যৌন আচরণ বা নির্যাতন ও আর্থিক নির্যাতনকে পারিবারিক সহিংসতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই খসড়ায় ৭টি অধ্যায় ও ৩৩টি ধারা রয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো, অধ্যাদেশে আশ্রয়কেন্দ্র, চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা, আইনত এবং জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্যাতনকারী ব্যক্তির সঙ্গে যাতে যোগাযোগ বা ঘনিষ্টতা সীমিত করা যায় সেজন্য এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী, আদালত অভিযোগের ভিত্তিতে অস্থায়ী সুরক্ষা আদেশে দিতে পারবে এবং তদন্ত শেষে স্থায়ী আদেশ জারি করা যাবে।
নির্ধারিত ফরমে অভিযোগ গ্রহণের পর ৭ দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করতে হবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা করতে হবে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৩ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে