জামায়াতে নায়েবে আমির ডা. আবদুল্লাহ তাহের বলেন, ‘চূড়ান্ত সংস্কারের সিদ্ধান্তে পৌঁছার আগেই প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন এবং (জুলাই গণহত্যার) বিচার এখনো দৃশ্যমান হয়নি। এর মধ্যে তিনি কোনো শক্তির কাছে মাথানত করে পরিকল্পিত নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে দেশবাসী শঙ্কা পোষণ করছে।’
স্ট্রিম সংবাদদাতা
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন, এই রোড ম্যাপ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনকে ভন্ডুল করার জন্য নীল নকশা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
ডা. তাহের বলেন, ‘চূড়ান্ত সংস্কারের সিদ্ধান্তে পৌঁছার আগেই প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন এবং (জুলাই গণহত্যার) বিচার এখনো দৃশ্যমান হয়নি। এর মধ্যে তিনি কোনো শক্তির কাছে মাথানত করে পরিকল্পিত নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে দেশবাসী শঙ্কা পোষণ করছে। অন্তর্বর্তী সরকার কমিটমেন্ট দিয়ে আসছিল— তারা নিরপেক্ষ থাকবে, তারা সংস্কার করবে, বিচার দৃশ্যমান করবে এবং নির্বাচন হবে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ওয়াদা ভঙ্গ করেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন।’
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে দলীয় এক সমাবেশে এ সব কথা বলেন ডা. তাহের। জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিবাজার ইউনিয়ন জামায়াতের ‘নির্বাচনী দায়িত্বশীল সমাবেশে’ তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে আমীর মু. মাহফুজুর রহমান।
আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে অংশ নিতে জামায়াতে ইসলামীর কোনো আপত্তি নেই জানিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. তাহের বলেন, ‘আমরা ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচনের জন্য কিছু বিষয় সুরাহা হওয়া খুবই জরুরি। এর মধ্যে জুলাই চার্টারকে (সনদ) আইনগত ভিত্তি দিতে হবে এবং এর ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে। কিন্তু সেগুলো না করেই নির্বাচনের যে পথ নকশা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুল করার নীল নকশা বলে আমি মনে করি। আমরা এটা হতে দেব না। আমরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বাধ্য করব জুলাই চার্টার রিফান্ড ও পিআরের (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) মাধ্যমে নির্বাচন হতে।’
এ ছাড়া পূর্ববর্তী সরকারগুলোর প্রচলিত পদ্ধতি ও নতুন প্রস্তাবিত পিআর পদ্ধতি দুটির মধ্যে একটি নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত রোড ম্যাপ ঘোষণা করার নির্বাচন কমিশনের ‘বড় ধরনের অপরাধ’ বলেও মন্তব্য করেন ডা. তাহের। এ জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ারও আহ্বান জানান।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুজিবুর রহমান ভুইয়া,
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন, এই রোড ম্যাপ একটি সুষ্ঠু নির্বাচনকে ভন্ডুল করার জন্য নীল নকশা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
ডা. তাহের বলেন, ‘চূড়ান্ত সংস্কারের সিদ্ধান্তে পৌঁছার আগেই প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছেন এবং (জুলাই গণহত্যার) বিচার এখনো দৃশ্যমান হয়নি। এর মধ্যে তিনি কোনো শক্তির কাছে মাথানত করে পরিকল্পিত নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে দেশবাসী শঙ্কা পোষণ করছে। অন্তর্বর্তী সরকার কমিটমেন্ট দিয়ে আসছিল— তারা নিরপেক্ষ থাকবে, তারা সংস্কার করবে, বিচার দৃশ্যমান করবে এবং নির্বাচন হবে। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ওয়াদা ভঙ্গ করেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন।’
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ মিলনায়তনে দলীয় এক সমাবেশে এ সব কথা বলেন ডা. তাহের। জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিবাজার ইউনিয়ন জামায়াতের ‘নির্বাচনী দায়িত্বশীল সমাবেশে’ তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতে আমীর মু. মাহফুজুর রহমান।
আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে অংশ নিতে জামায়াতে ইসলামীর কোনো আপত্তি নেই জানিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. তাহের বলেন, ‘আমরা ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু একটি সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচনের জন্য কিছু বিষয় সুরাহা হওয়া খুবই জরুরি। এর মধ্যে জুলাই চার্টারকে (সনদ) আইনগত ভিত্তি দিতে হবে এবং এর ভিত্তিতেই ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে। কিন্তু সেগুলো না করেই নির্বাচনের যে পথ নকশা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ভন্ডুল করার নীল নকশা বলে আমি মনে করি। আমরা এটা হতে দেব না। আমরা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে বাধ্য করব জুলাই চার্টার রিফান্ড ও পিআরের (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) মাধ্যমে নির্বাচন হতে।’
এ ছাড়া পূর্ববর্তী সরকারগুলোর প্রচলিত পদ্ধতি ও নতুন প্রস্তাবিত পিআর পদ্ধতি দুটির মধ্যে একটি নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত রোড ম্যাপ ঘোষণা করার নির্বাচন কমিশনের ‘বড় ধরনের অপরাধ’ বলেও মন্তব্য করেন ডা. তাহের। এ জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়ারও আহ্বান জানান।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য আব্দুস সাত্তার, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমীর মোহাম্মদ শাহজাহান, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি মুজিবুর রহমান ভুইয়া,
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন।
বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা বড় পরিসরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের নজির দেখা গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের মতো বিষয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে 'নজিরবিহীন'। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীতেই ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েন বা উপস্থিতির নজির নেই।
৯ মিনিট আগেপ্রধান উপদেষ্টার প্রতিনিধিদল বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন ও উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) প্রধানের পক্ষ থেকে এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগেজাতিসংঘের আবাসিক কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ মানবাধিকার উপদেষ্টা হুমা খান বলেন, প্রস্তাবিত নতুন আইনে গুমের সংজ্ঞা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে মিল নেই এবং শুধু বিভাগীয় শাস্তির কথা বলা হয়েছে, যা যথেষ্ট নয়। আইনটি যেন ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, রাষ্ট্রকে রক্ষার জন্য নয় তা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগেরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে তাসিন খান ছিলেন অগ্রণী। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্লোগানে-প্রতিরোধে মাঠে ছিলেন তিনি। সেই অনুপ্রেরণায় এবার প্রার্থী হয়েছেন রাকসুর শীর্ষ পদে।
৪ ঘণ্টা আগে