ঢাকা-১১
স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ (রামপুরা, ভাটারা, বাড্ড, হাতিরঝিল) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৭(ক) লঙ্ঘন করে নির্বাচনী এলাকায় পোস্টার, রঙিন ফেস্টুন ও বিলবোর্ড লাগানোর দায়ে এই অভিযোগ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ জানিয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এই অভিযোগপত্রটি জমা দেন ওই আসনের ভোটার এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলামের মনোনয়ন সমর্থনকারী ওমর ফারুক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশন প্রণীত ২০২৫ সালের আচরণ বিধিমালার ৭(ক) ধারা অনুযায়ী পোস্টার লাগানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারা থানার বিভিন্ন স্থানে রঙিন পোস্টার ও বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন।
অভিযোগকারী তাঁর বক্তব্যের সপক্ষে ২৪ ও ২৬ জানুয়ারি তোলা রামপুরা ও বাড্ডা এলাকার প্রায় দুই ডজন স্থানের নাম ও সময় উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে রামপুরার নূরবাগ মসজিদ গলি, তালতলা, বাড্ডার আফতাব নগর, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এলাকা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, গুদারাঘাট, প্রগতি সরণি এবং ভাটারা থানার ১০০ ফিট ও সোলমাইদ এলাকা উল্লেখযোগ্য। এসব এলাকার অলি-গলিতে বিধি-বহির্ভূত প্রচারসামগ্রী দৃশ্যমান বলে অভিযোগে জানানো হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি দৈনিক সমকাল পত্রিকায় এম এ কাইয়ুমের আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভোটের মাঠে বিশেষ সুবিধা নিতে এবং অর্থ ও শক্তির প্রদর্শনী করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচন ও ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ তৈরির অন্তরায়।
বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বাচনী এলাকা থেকে সকল অবৈধ পোস্টার, বিলবোর্ড ও ফেস্টুন দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী ওমর ফারুক।
ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন সাবেক কমিশনার এম এ কাইয়ুম। এই আসনে কাইয়ুমের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। দলীয় শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ (রামপুরা, ভাটারা, বাড্ড, হাতিরঝিল) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধি ৭(ক) লঙ্ঘন করে নির্বাচনী এলাকায় পোস্টার, রঙিন ফেস্টুন ও বিলবোর্ড লাগানোর দায়ে এই অভিযোগ করা হয়।
মঙ্গলবার (২৭ জানিয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এই অভিযোগপত্রটি জমা দেন ওই আসনের ভোটার এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলামের মনোনয়ন সমর্থনকারী ওমর ফারুক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশন প্রণীত ২০২৫ সালের আচরণ বিধিমালার ৭(ক) ধারা অনুযায়ী পোস্টার লাগানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কিন্তু এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম রামপুরা, বাড্ডা ও ভাটারা থানার বিভিন্ন স্থানে রঙিন পোস্টার ও বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন।
অভিযোগকারী তাঁর বক্তব্যের সপক্ষে ২৪ ও ২৬ জানুয়ারি তোলা রামপুরা ও বাড্ডা এলাকার প্রায় দুই ডজন স্থানের নাম ও সময় উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে রামপুরার নূরবাগ মসজিদ গলি, তালতলা, বাড্ডার আফতাব নগর, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এলাকা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, গুদারাঘাট, প্রগতি সরণি এবং ভাটারা থানার ১০০ ফিট ও সোলমাইদ এলাকা উল্লেখযোগ্য। এসব এলাকার অলি-গলিতে বিধি-বহির্ভূত প্রচারসামগ্রী দৃশ্যমান বলে অভিযোগে জানানো হয়।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি দৈনিক সমকাল পত্রিকায় এম এ কাইয়ুমের আচরণবিধি ভঙ্গের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ভোটের মাঠে বিশেষ সুবিধা নিতে এবং অর্থ ও শক্তির প্রদর্শনী করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচন ও ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ তৈরির অন্তরায়।
বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নির্বাচনী এলাকা থেকে সকল অবৈধ পোস্টার, বিলবোর্ড ও ফেস্টুন দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী ওমর ফারুক।
ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন সাবেক কমিশনার এম এ কাইয়ুম। এই আসনে কাইয়ুমের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন এনসিপির আহ্বায়ক ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মনোনীত প্রার্থী নাহিদ ইসলাম। দলীয় শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে