স্ট্রিম সংবাদদাতা

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিএনপি ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সীকান্দি গ্রামে এ সংঘর্ষে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানোর পাশাপাশি দুপক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে।
সংঘর্ষে ককটেলের স্প্রিন্টার ও শটগানের ছররা গুলিতে চারজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন– মো. লিজন, নুরুদ্দিন, ফয়সাল হোসেন ও মো. নিরব। তাদের মধ্যে লিজন ও নুরুদ্দিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রাজধানীর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে (সদর) এবার ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন। মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে তার হয়ে কাজ করছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজির আহমেদ ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন মোল্লা।
একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল প্রতীক) হয়েছেন জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিন। মোল্লাকান্দিতে তার পক্ষে রয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ রায়হান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে মহিউদ্দিনের কয়েক’শ কর্মী মোল্লাকান্দির বিভিন্ন এলাকায় প্রচার শুরু করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁরা মুন্সীকান্দি গ্রামে গেলে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষের উজির আলী ও আওলাদ মোল্লার লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেলের পাশাপাশি দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোহাম্মদ আতাউল করিম বলেন, বেলা পৌনে ৩টার দিকে দু’জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশে ছররা গুলি অথবা ককটেলের স্প্রিন্টারের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মহিউদ্দিনের সমর্থক রিয়াদ মল্লিক বলেন, ‘আমরা ফুটবল প্রতীকের প্রচার চালাচ্ছিলাম। বিনা উসকানিতে উজিরের বাড়িতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচার ক্যাম্প থেকে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের চারজন আহত হয়েছে।’
তবে উজির আলী বলেন, তিনি রাজধানীতে আছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন তার ভাইকে মারধর করে। এ নিয়ে পরে সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উজির-আওলাদ পক্ষের সঙ্গে ওয়াহিদ-আতাউর পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে গত বছরের নভেম্বরের সংঘর্ষে তিনজন গুলিতে নিহত হন। সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ ও ফুটবল প্রতীকে বিভক্ত হয়ে এই দু’পক্ষ ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত আছে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিএনপি ও ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার চরাঞ্চল মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মুন্সীকান্দি গ্রামে এ সংঘর্ষে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানোর পাশাপাশি দুপক্ষই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে।
সংঘর্ষে ককটেলের স্প্রিন্টার ও শটগানের ছররা গুলিতে চারজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন– মো. লিজন, নুরুদ্দিন, ফয়সাল হোসেন ও মো. নিরব। তাদের মধ্যে লিজন ও নুরুদ্দিনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় রাজধানীর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে (সদর) এবার ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন। মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে তার হয়ে কাজ করছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজির আহমেদ ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আওলাদ হোসেন মোল্লা।
একই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল প্রতীক) হয়েছেন জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্যসচিব মো. মহিউদ্দিন। মোল্লাকান্দিতে তার পক্ষে রয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান মল্লিক ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ রায়হান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে মহিউদ্দিনের কয়েক’শ কর্মী মোল্লাকান্দির বিভিন্ন এলাকায় প্রচার শুরু করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাঁরা মুন্সীকান্দি গ্রামে গেলে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষের উজির আলী ও আওলাদ মোল্লার লোকজন বাধা দেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে শুরু হয় সংঘর্ষ। এতে আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেলের পাশাপাশি দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়।
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোহাম্মদ আতাউল করিম বলেন, বেলা পৌনে ৩টার দিকে দু’জনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের শরীরের বিভিন্ন অংশে ছররা গুলি অথবা ককটেলের স্প্রিন্টারের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
মহিউদ্দিনের সমর্থক রিয়াদ মল্লিক বলেন, ‘আমরা ফুটবল প্রতীকের প্রচার চালাচ্ছিলাম। বিনা উসকানিতে উজিরের বাড়িতে ধানের শীষের নির্বাচনী প্রচার ক্যাম্প থেকে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আমাদের চারজন আহত হয়েছে।’
তবে উজির আলী বলেন, তিনি রাজধানীতে আছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন তার ভাইকে মারধর করে। এ নিয়ে পরে সংঘর্ষ হয়।
স্থানীয়রা জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে উজির-আওলাদ পক্ষের সঙ্গে ওয়াহিদ-আতাউর পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে গত বছরের নভেম্বরের সংঘর্ষে তিনজন গুলিতে নিহত হন। সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ ও ফুটবল প্রতীকে বিভক্ত হয়ে এই দু’পক্ষ ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত আছে। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে