চলতি বছরের ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ভিসেরা প্রতিবেদনে উঠে আসে।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে শাখা ছাত্রদল। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের বিচারের দাবি জানিয়েছে তারা।
বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ক্যাম্পাসের অনুষদ ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করে সংগঠনটি। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে তারা।
এদিকে সাজিদ হত্যার বিচার দাবিতে দুপুর দেড়টার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। প্রায় দেড় ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন তাঁরা। এ সময় অবস্থানকারীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সাজিদ হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
বুধবার ছাত্রদলের বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির ইবি শাখার আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ ও সদস্যসচিব মাসুদ রুমী মিথুনের। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব ও আনারুল ইসলাম, সদস্য রাফিজ আহম্মেদ, নুর উদ্দিন ও রাকিব হাসান স্বাক্ষরসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সাজিদের খুনিদের এখনো খোঁজ মেলেনি। আমি কুষ্টিয়া থানা ও ইবি থানার ওসির সাথে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, কাজে অগ্রগতি হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, প্রশাসন এখনো তাদের বিচারের আওতায় আনতে পারেনি। উল্টো তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। মনে রাখবেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের যারা আশ্রয় দিবে তাদের অবস্থাও একই রকম হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ফ্যাসিস্টদের শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
এর আগে চলতি বছরের ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ভিসেরা প্রতিবেদনে উঠে আসে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা।

কুষ্টিয়ায় অবস্থিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থী সাজিদ আব্দুল্লাহর হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে শাখা ছাত্রদল। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের বিচারের দাবি জানিয়েছে তারা।
বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে ক্যাম্পাসের অনুষদ ভবনের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করে সংগঠনটি। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে তারা।
এদিকে সাজিদ হত্যার বিচার দাবিতে দুপুর দেড়টার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী। প্রায় দেড় ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন তাঁরা। এ সময় অবস্থানকারীরা দ্রুত সময়ের মধ্যে সাজিদ হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
বুধবার ছাত্রদলের বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির ইবি শাখার আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ ও সদস্যসচিব মাসুদ রুমী মিথুনের। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব ও আনারুল ইসলাম, সদস্য রাফিজ আহম্মেদ, নুর উদ্দিন ও রাকিব হাসান স্বাক্ষরসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সাজিদের খুনিদের এখনো খোঁজ মেলেনি। আমি কুষ্টিয়া থানা ও ইবি থানার ওসির সাথে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, কাজে অগ্রগতি হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, প্রশাসন এখনো তাদের বিচারের আওতায় আনতে পারেনি। উল্টো তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। মনে রাখবেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের যারা আশ্রয় দিবে তাদের অবস্থাও একই রকম হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ফ্যাসিস্টদের শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
এর আগে চলতি বছরের ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আজিজুর রহমান হলসংলগ্ন পুকুর থেকে সাজিদ আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ভিসেরা প্রতিবেদনে উঠে আসে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষার্থীরা।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৮ ঘণ্টা আগে