স্ট্রিম সংবাদদাতা

বিদ্রোহী প্রার্থীর আগুনে কপাল পুড়ল পাবনার দুই হেভিওয়েট বিএনপি প্রার্থীর। অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ভোট ভাগাভাগির সুযোগ নিয়ে পাবনা-৩ এবং পাবনা-৪ আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
পাবনা-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাসান জাফির তুহিন এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের পরাজয়ের নেপথ্যে নিজ দলেরই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা মুখ্য ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটিতে জামায়াত, দুটিতে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এর মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে পাবনা-৩ এবং ৪ আসনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও বিএনপির পরাজয়।
চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন হাসান জাফির তুহিন। সুজানগরের বাসিন্দা হওয়ায় তাঁকে ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছিলেন স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ। শেষ পর্যন্ত দল থেকে বিদ্রোহ করে স্বতন্ত্র (মোটরসাইকেল প্রতীক) প্রার্থী হন সাবেক সংসদ সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম।
ফলাফলে দেখা যায়, জামায়াত প্রার্থী আলী আছগার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট। মাত্র ৩ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।
অন্যদিকে, বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ৩৮ হাজার ২৭ ভোট পাওয়ায় বিএনপির নিশ্চিত জয় হাতছাড়া হয়েছে বলে সাধারণ ভোটারদের ধারণা।
ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু।
এখানেও জয়ী হয়েছেন জামায়াতের জেলা আমির আবু তালেব মণ্ডল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তাঁর চেয়ে ৩ হাজার ৮০১ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি পান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু ২৭ হাজার ৯৭০ ভোট পাওয়ায় এখানেও কপাল পুড়েছে ধানের শীষের।
পাবনা-৫ (সদর) আসনে অবশ্য জয় ধরে রেখেছে বিএনপি। হেভিওয়েট প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ১ লাখ ৮২ হাজার ৯২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হুসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৪ ভোট।
এছাড়া পাবনা-১ আসনে সাবেক আমীর মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
পাবনা-২ আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির সাবেক এমপি কে এম সেলিম রেজা হাবিব। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৪০৬ ভোট।
পরাজয়ের বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণেই দুটি আসনে অত্যন্ত সামান্য ব্যবধানে আমাদের হারতে হয়েছে। দল থেকে যাঁরা বিদ্রোহ করেছেন, তাঁরা গুরুতর অপরাধ করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পেছনে অন্য কোনো কারসাজি আছে কিনা, তা-ও আমরা খতিয়ে দেখছি।’

বিদ্রোহী প্রার্থীর আগুনে কপাল পুড়ল পাবনার দুই হেভিওয়েট বিএনপি প্রার্থীর। অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও ভোট ভাগাভাগির সুযোগ নিয়ে পাবনা-৩ এবং পাবনা-৪ আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
পাবনা-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাসান জাফির তুহিন এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের পরাজয়ের নেপথ্যে নিজ দলেরই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভূমিকা মুখ্য ছিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে তিনটিতে জামায়াত, দুটিতে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। এর মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে পাবনা-৩ এবং ৪ আসনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ও বিএনপির পরাজয়।
চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া ও ফরিদপুর নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন হাসান জাফির তুহিন। সুজানগরের বাসিন্দা হওয়ায় তাঁকে ‘বহিরাগত’ আখ্যা দিয়ে শুরু থেকেই বিরোধিতা করে আসছিলেন স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ। শেষ পর্যন্ত দল থেকে বিদ্রোহ করে স্বতন্ত্র (মোটরসাইকেল প্রতীক) প্রার্থী হন সাবেক সংসদ সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম।
ফলাফলে দেখা যায়, জামায়াত প্রার্থী আলী আছগার ১ লাখ ৪৭ হাজার ৪৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তুহিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ২০৬ ভোট। মাত্র ৩ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।
অন্যদিকে, বিদ্রোহী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম ৩৮ হাজার ২৭ ভোট পাওয়ায় বিএনপির নিশ্চিত জয় হাতছাড়া হয়েছে বলে সাধারণ ভোটারদের ধারণা।
ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু।
এখানেও জয়ী হয়েছেন জামায়াতের জেলা আমির আবু তালেব মণ্ডল। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৬৭৫ ভোট। তাঁর চেয়ে ৩ হাজার ৮০১ ভোট কম পেয়ে পরাজিত হয়েছেন হাবিবুর রহমান হাবিব। তিনি পান ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৪ ভোট।
স্বতন্ত্র প্রার্থী জাকারিয়া পিন্টু ২৭ হাজার ৯৭০ ভোট পাওয়ায় এখানেও কপাল পুড়েছে ধানের শীষের।
পাবনা-৫ (সদর) আসনে অবশ্য জয় ধরে রেখেছে বিএনপি। হেভিওয়েট প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ১ লাখ ৮২ হাজার ৯২৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ইকবাল হুসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৯৯৪ ভোট।
এছাড়া পাবনা-১ আসনে সাবেক আমীর মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
পাবনা-২ আসনে বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপির সাবেক এমপি কে এম সেলিম রেজা হাবিব। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৪০৬ ভোট।
পরাজয়ের বিষয়ে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণেই দুটি আসনে অত্যন্ত সামান্য ব্যবধানে আমাদের হারতে হয়েছে। দল থেকে যাঁরা বিদ্রোহ করেছেন, তাঁরা গুরুতর অপরাধ করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পেছনে অন্য কোনো কারসাজি আছে কিনা, তা-ও আমরা খতিয়ে দেখছি।’

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে